কাব্যখোর পেত্নি
প্রকাশিত: অক্টোবর ১১, ২০১৮
লেখকঃ

 26 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

জান্নাতুন না’ঈম

কাব্য খোর পেত্মী আমি
করি ছন্দের সাধনা,
ঘোর বরিষার নিঝুমা আধারে
খেলি শব্দের বাজনা।
রাত সুনসান,কাটে নির্ঘুম
খুঁজে ফিরি মাঠ-বন
পূর্ণ তিথিতে অমানিশা মাঝে
নদীতীরে ভেজা ক্ষণ।
নিত্য প্রহর যজ্ঞ সাজে
নাচি ধিতাং ধিং
রক্তজবার লালিমা ললাটে
শিউলি ফুলের শিং।
মন্তর পড়া রবির কবিতা
প্রভাতী সুনীল সিদ্ধি সবিতা
মুক্ত শ্লোকের বুলবুল,
বারিসুন্দর মেঘমল্লারে
বয়ে চলে কুলকুল।
বকুল বিজন সুরে অমলিন
পাতার সবুজ স্নিগ্ধ নবীন
চাপার চপল চলা
মালা গাঁথা প্রায়,
হয়ে এলো ভাই,
মুখরিত তালতলা।
তৃষিত মরুর জ্যোতি ছাওয়া ধূলি
শীতল শশীর সুখ অনুভূতি
মণিমুক্তোর কীর্তন;
মসীর মশালে,
হৃদয় আঁচলে,
কালি-সূতো-গেরো বন্ধন।
তপস্যা সে তো নয় যেন-তেন
কঠিন স্তবক সব,
শক্তি পেতে খেতেই হবে
জ্যোৎস্না আলোর শব!
কাব্যখোর পেত্মী তাইতো
রাধি রাধালতা ঝালে ভরে,
কাঁচা কবিতার লাইন যদি পাই
মুখে পুরে নেই বেশ করে!

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

১০ Comments

  1. রেজাউল করিম

    ভিন্নধর্মী একটা লেখা। শুভ কমনা রইল।
    আধারে–>আঁধারে

    Reply
    • জান্নাতুল নাঈমা

      শুকরিয়া। অনুপ্রাণিত হলাম।

      Reply
  2. Tasnim Rime

    অাধারে- অাঁধারে
    ছোটদের জন্য লেখা একটু সহজ ছন্দময় হওয়া উচিত। ছন্দ থাকলেও অামার কাছে একটু কঠিন মনে হলো ছড়াটা।
    শুভ কামনা অাপনার জন্য

    Reply
    • জান্নাতুল নাঈমা

      ছোটদের জন্য তো না আপু।

      Reply
  3. আফরোজা আক্তার ইতি

    অন্যরকম একটা ছড়া পড়লাম। কাব্যরসে ভরপুর ছিল। পেত্নীটা আসলেই কাব্যখোর। কবিতার রেঁধে খাওয়ার জন্য ব্যস্ত। ভালো লাগলো অনেক। ছড়ায় ছন্দমিলগুলো অনেক ভালো লেগেছে।
    বানানে কিছু ভুল আছে দয়া করে দেখে নিবেন,সংশোধন করে দিচ্ছি।
    পেত্মী- পেত্নী।
    বরিষার- বরষার/বর্ষার।
    আধারে- আঁধারে।
    রাধি- রাঁধি।
    অনেক শুভ কামনা।

    Reply
    • জান্নাতুল নাঈমা

      আপু ধন্যবাদ। আমার কী বোর্ডে ‘পেত্নী’ শব্দটা টাইপ করা যাচ্ছিলোনা সে সময়।
      আর “বরিষার” শব্দটা কাব্যে য়ুজ করা হয়। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ করেছেন।

      Reply
    • জান্নাতুল নাঈমা

      বানানগুলো কিভাবে ঠিক করবো আপু? আমি কোনো অপশন পাচ্ছিনা।

      Reply
  4. Naeemul Islam Gulzar

    খুবই মজার কাব্যখোর পেত্নীকে নিয়ে লেখা ছড়া????।তবে ছড়ার ক্ষেত্রে স্বার্থক অন্তমিল সবচেয়ে জরুরী।সেটা এই ছড়াতে পাওয়া যাচ্ছে না।তবে এত্তো সুন্দর ছড়ার জন্য লেখককে ধন্যবাদ।শুভকামনা♥

    Reply
    • জান্নাতুল নাঈমা।

      শুকরিয়া।

      Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *