যদি পাশে থাকো
প্রকাশিত: জানুয়ারী ২২, ২০১৯
লেখকঃ তাসফিয়া শারমিন

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Cras pellentesque nisl nisl, eget pellentesque arcu sollicitudin a. Curabitur sit amet lectus sollicitudin, viverra nulla vitae, convallis turpis. Cras vehicula nisl et ligula lobortis,

 116 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ তাসফিয়া শারমিন

তাসফিয়া শারমিন
**
আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে যে আজ আবার কুয়াশায় ঢাকা আছে চারিদিক । আমি বারবার গ্লাসের বাইরে দেখছি আর ভাবছি আজ তো বেশি আলো হয়নি আরেকটু ঘুমাই। মায়ের ডাকে ফোন হাতে নিয়ে দেখি ১০ টা বেজে গেছে। হয়তো ফোনের সময় ভুল ভেবে আবার জানালার পর্দা সরালাম। কিন্তু না সেই একি দেখছি। গ্লাস সরিয়ে আমি তো থ হয়ে গেলাম। তাড়াতাড়ি উঠে আম্মুর রুমে গেলাম। দেখি আম্মু এখনো বকবক করেই চলেছে। আমার দিকে চোখ পড়তেই যেন সাউন্ড বক্সের সাউন্ড বাড়িয়ে দিলো।
-তোর ফোন কোথায় ?
-এই তো আম্মু আমার হাতে।
-বন্ধ শোনাচ্ছে কেন ?
-ইস সরি আম্মু। আসলে রাতে Airplane mode করে ঘুমিয়েছিলাম তো তাই।
-তোর কি আজ কোথাও যাওয়ার কথা ছিল কারো সাথে ?

আম্মুর এই প্রশ্নটা শুনে এবার টনক নড়ে উঠলো আমার।আমি তো ভুলেই গিয়েছি যে আজ কাব্য আর আমার ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল। কাব্যকে আম্মুর নাম্বার দিয়েছিলাম এর আগে। কাব্য কোথায় যেন নিয়ে যাবে আমাকে।তাড়াতাড়ি কল দিলাম কাব্যকে। না জানি কত বকা দিবে আল্লাহ জানে। কল ঢুকতে না ঢুকতেই রিসিভ করে ফেললো। মনে হচ্ছে আমার কলের আশাতেই ছিল।

-সরি কাব্য।
-আমি অপেক্ষা করছি ২০ মিনিটের মধ্যে দীঘর মোড়ে চলে আসুন।
-রাগ করেছেন ?
-আমি কি রেগে কথা বলেছি বা আমার কথাতে কি এমন মনে হলো ?
-না আসলে। আচ্ছা আপনি কেমন আছেন ?
-যদি আমি হাতের ডান দিকে তাকিয়ে বলি আমি কেমন আছি। তাহলে বলবো আমি ভালো নেই। আর যদি হাতের বাম দিকে তাকিয়ে বলি আমি কেমন আছি। তাহলে বলবো আমি অনেক ভালো আছি ।
-এটা আবার কেমন ভালো থাকা বুঝলাম না ?
-আসলেই বুঝতে পারবেন।আগে আসুন অনেক দেরি হয়ে গেছে ।

খুব তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে পড়লাম। একটা রিকশা করে সোজা দীঘর মোড়ে আসলাম। এদিক ওদিক তাকিয়ে কাব্যকে খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু কোথাও দেখতে পাচ্ছিনা। আজ কাব্য আর আমার দ্বিতীয় বার দেখা। আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল বাসের মধ্যে। লম্বা জার্নি করে এসেছিলাম দু’জন পাশাপাশি একি সিটে। নাম্বার আদানপ্রদান তারপর ফোনে আলাপ। এই বাস স্ট্যান্ডেই নেমেছিলাম দুজন। কাব্য আমার পাশের এলাকাতেই থাকে। তাই আবারো চেনা এই একি জায়গাতে দেখা করা।কাব্যকে কল দিলাম।
-কোথায় আপনি ?
-এসে গেছেন ?
-হ্যাঁ। কোথায় আপনি ?
-একটা মিনি ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে দেখতে পাচ্ছেন কি ?
-হ্যাঁ পাচ্ছি।
-ওটার সামনে চলে আসুন।

আমি উনার কথা মতো ট্রাকের সামনে চলে গেলাম।সামনে গিয়ে দেখি একটা ছোট ফাঁকা জায়গাতে একটা লম্বা টেবিলের উপর অনেক গুলো শীতের পোশাক আর কম্বল সাজানো। অনেক গরীব মানুষ দুইটা লাইন করে দাঁড়িয়ে আছে। একজন একজন করে নিয়ে যাচ্ছে কম্বল আর শীতের পোশাক। চারজন ছেলে সেগুলো বিতরণ করছে আর কাব্য ট্রাকের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে সেগুলো দেখছে।আমি কাছে যেতেই সোজা হয়ে দাঁড়ালো কাব্য।

-এসে গেছেন আসতে অসুবিধা হয়নি তো আপনার ?
-না না অসুবিধা হবে কেন ?এটা তো আমার চেনা এলাকা।এখানে এসব আপনি দিচ্ছেন বুঝি ?
-এসবের কথা পরে বলি। আগে বাকি রাখা কাজটা শেষ করি ওকে।
-বাকি রাখা কাজ !
-হ্যাঁ। তখন ফোনে বললেন না আমি কেমন আছি। বলেছিলাম আসলে দেখতে পাবেন ওই কথার মানে এখন বলবো তাই।
-অহ।
-তখন কেন বলেছিলাম জানেন ? এই দেখুন আমার হাতের ডান পাশে বড় বড় অট্টালিকা। এক কথায় বলতে পারেন তারায় এখানে থাকতে পারে যারা টাকা দিয়ে সুখ কিনতে পারে। আমার তো টাকা দিয়ে কেনা সুখ নেই তাই আমি তাদের থেকে খারাপ আছি আর যদি হাতের বাম পাশে তাকাই তাহলে দেখুন এই গরীব মানুষগুলোর দিকে। যাদের দু’বেলা দুমুঠো ভাতের জন্য হাড় ভাঙা খাটনি করতে হয়। কেউ কেউ লোকের দরজায় দরজায় হাত পাতে। তাদের তুলনায় আমি অনেক অনেক ভালো আছি।এবার বলেন আমি কোন দিকটা নিবো ?

কাব্যর করা প্রশ্নের কোনো উত্তর আমার জানা নেই। তাই অবুঝের মতো চেয়ে আছি ওর চোখের দিকে। ভ্রু নাচিয়ে মুচকি হেসে দিলো কাব্য।

-কি চুপচাপ যে ? হাহাহা আচ্ছা বাবা বলতে হবে না আপনাকে। আমিই বলছি আমি কেমন আছি। আমি অনেক ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন ?
-ভালো (একটা মুচকি হাসি দিয়ে উত্তর দিলাম)
-এই যে দেখছেন এত কম্বল আর পোশাক। এগুলো কিন্তু আমার টাকায় কেনা নয়। তবে আবার আমারো ।
-মানে, বুঝলাম না।
-মানেটা আমি বলছি শুনুন।
আমি ৭ মাস হলো বিসিএস ক্যাডার হয়েছি। কাস্টম অফিসার। শুধু ঘুষ নিবো না দেখে অনেক ভালো ভালো চাকরী ছেড়ে চলে এসেছি।অনেকেয় বলে আমি নাকি ঈমানদারের বড়ি (ঔষধ)খেয়েছি।
এই চাকরীতেও ঘুষ খাওয়ার অভাব নেই। অনেক সময় মিথ্যার জালে মানুষকে ফাঁসিয়ে বৈধ জিনিস অবৈধ করে দিতে হয়। আবার অনেক সময় অবৈধকে বৈধ করে দিতে হয়। এমনি এক চোরাকারবারির প্রায় সত্তর লাখ টাকা ধরা পরেছে আমাদের হাতে। ওই টাকা পঞ্চাশ লাখ চলে গেছে সরকারের হাতে আর বাকি বিশ লাখ আমাদের মধ্যে কিছু লোক ভাগ করে নিয়েছে।সেখান থেকে আমিও ভাগ পেয়েছি ছয় লাখ টাকা। কিন্তু আমি নেয়নি সেই টাকা প্রথমে। যেদিন আপনার সাথে বাস থেকে এখানে নামি সেইদিন এখানকার এই বস্তির মানুষগুলোর কষ্ট আমার চোখে পড়ে। অনেকেয় শীত নিবারণ করার জন্য রাস্তাতে পড়ে থাকা কাগজ কুড়িয়ে আগুন জ্বালিয়েছে।
আবার অনেকে শীতে কুচিয়ে বসে কাঁপছে । সেইদিন বাড়িতে গিয়ে অনেক ভেবে দেখলাম এই গরীব মানুষগুলোর জন্য কিছু করা দরকার। আমার বেতনের টাকা আমার বাবার চিকিৎসার জন্য খরচ করে প্রায় শেষ। আমার বাবা একজন ক্যান্সারের রোগী । সংসার খরচ আর বাবার চিকিৎসার টাকা আমাকেই দিতে হয়। কারণ আমি বাড়ির বড় ছেলে। আমার আরো দুইটা ছোট ভাই আছে যারা এখনো মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়নি। ওদের খরচ আমাকে দিতে হয়। আমার বেতন পাওয়ার আগপর্যন্ত সারা মাসের সমস্ত খরচের টাকা রেখে আমার কাছে মাত্র আশি হাজার টাকা ছিল। এই আশি হাজার টাকায় তো আর এত মানুষের পোশাক আর কম্বল হতো না তাই আমি ওই ছয় লাখ টাকা থেকে এক লাখ টাকা নিয়েছি। মোট এক লাখ আশি হাজার টাকার কম্বল আর পোশাক কিনে বিতরণ করছি। যদি আমার সামর্থ্য থাকতো তাহলে ওই টাকা কখনো নিতাম না।

কাব্যর কথা গুলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনছিলাম। কখন যে চোখের কোণে জল চলে এসেছে বুঝতে পারিনি ।কম্বল বিতরণ শেষ করে আমি আর কাব্য রাস্তার ধার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। জানিনা কাব্য কোথায় নিয়ে যাবে। মোড় ঘুরতেই একটা হাই স্কুল। কাব্য স্কুল গেটের একটু সামনে দাঁড়িয়ে গেলো।

-দাঁড়িয়ে পড়লেন যে।
-ওই দেখুন গেটের সামনে একটা লোক শুয়ে আছে।
-হ্যাঁ দেখেছি।
-ওই লোকটাকে আমি ক্লাস সেভেন থেকে এখানে দেখে আসছি। দুইটা হাত নেই পা নেই। খুব সকালে কারা যেন উনাকে এখানে রেখে যায় আবার স্কুল ছুটি হলে নিয়ে যায়। আমি রোজ টিফিনের টাকা থেকে উনাকে কিছু টাকা দিতাম। রোজ রোজ দিতাম বলেই হয়তো উনি আমাকে চিনে রেখেছে। মাঝে মাঝে একেক দিন স্কুলে না আসলে পরের দিন আসলে উনি কেমন যেন করতেন। মনে হতো উনি যেন আমার জন্যই অপেক্ষা করছে। আমি এখন বাড়িতে আসলে আগে উনার সাথে দেখা করে তবেই বাড়ি যাই।আপনি দেখছেন সামনের ওই ছেলে গুলোকে। যারা এক’শো টাকার নোট সামনে ধরে সেলফি তুলে ফেসবুকে ছাড়ছে নিজেকে ফেমাস করতে কিন্তু সেই এক’শো টাকা পকেটে রেখে দেখুন ২ টাকার নোট দিচ্ছে ভিক্ষুককে। আজব মানুষ আজব দুনিয়া আজব সব কিছু।
-আপনি যাবেন না উনার কাছে এখন?
-হ্যাঁ যাবো তো চলুন।

আমি আর কাব্য লোকটার সামনে যেতেই লোকটা কাব্যকে দেখে কেমন নড়াচড়া শুরু করে দিলো। মুখে একটা হাসির রেখা। দেখে মনে হচ্ছিল উঠে বসার শক্তি আর ক্ষমতা থাকলে উঠে বসতো।হাসির মধ্যেও লোকটার চোখে জল চলে এলো। উনি বার বার আমার দিকে তাকাচ্ছিলেন। সেটা বুঝতে পেরে কাব্য একবার আমার দিকে তাকালো।

-ওর নাম শারমিন। আমার খুব ভালো বন্ধু।

কাব্যর কথা শুনে উনি আবার হেসে দিলো। কাব্য নিজের হাত দিয়ে উনার চোখেরজল মুছিয়ে দিলো। আমাকে ওখানেই দাঁড় করিয়ে রেখে পাশের দোকান থেকে কিছু ফল আর খাবার কিনে আনলো। নিজের হাতে লোকটাকে মুখে তুলে খাইয়ে দিলো। আশেপাশের অনেকেই দেখছিলেন আমাদের তাকিয়ে তাকিয়ে।
খাওয়ানো শেষ করে উনার কাছে থেকে চলে আসছিলাম আমরা। আমি কিছু টাকা দিতে গেলাম লোকটাকে কিন্তু লোকটা ঘাড় নাড়িয়ে নিষেধ করলো নিবে না টাকা।
আমি একটু অবাক হয়ে গেলাম উনার এমন আচরণ দেখে। কাব্যর দিকে তাকালাম।
-কী ভাবছেন ? উনি নিতে চাইছে না কেন?
-হ্যাঁ?
-কেন নিবে না জানেন ? কারণ আপনি বেশি টাকা দিচ্ছেন তাই। এই টাকা তো উনি একটাও পাবেনা। যারা উনাকে এখানে রেখে যায় তারা নিয়ে নিবে এই টাকা। সবাই জানে উনি কথা বলতে পারেনা।আমিও সেটা জানতাম। কিন্তু এর আগের বার আমি উনাকে একটা এক হাজার টাকার নোট দিতে চেয়েছিলাম।সেইদিন উনি সেই টাকা নেয়নি। আমাকে চোখের ইশারায় কাছে ডেকে ফিসফিস করে বলেছিলেন টাকার বদলে কিছু খাওয়ার জিনিস কিনে যদি একটু খাওয়াই দিতাম।নিজের সৎ ছেলে টাকার লোভে উনাকে এই অবস্থা করে এখানে রেখে দিয়েছে টাকা উপার্জন করার জন্য।এমন কী কথা বলতেও বারণ করে দিয়েছে। যাতে লোকে ভাবে উনি বোবা।

কাব্যর কথা শুনে তবুও টাকাটা উনাকে দিলাম।ফিসফিস করে লোকটা বললো “বেঁচে থেকো মা”।
সেদিনের মত কাব্যর থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি ফিরলাম।বার বার মনের মধ্যে হচ্ছিল যেখানে আমরা তিন থেকে চারটা শীতের পোশাক প্রতি শীত কালে কিনছি সেখানে যদি একটা কম কিনে একজন গরীব লোককে সাহায্য করি তাহলে হয়তো একা কাব্য নয় হাজারো কাব্য এগিয়ে আসবে অসহায় লোকদের পাশে। একটু হলেও ভালো থাকবে সেই অসহায় মানুষগুলো।

সমাপ্ত

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৩ Comments

  1. Halima tus sadia

    খুব সুন্দর একটি গল্প।
    শিক্ষণীয় ছিলো।

    কাব্যের মতো মনমানসিকতা সবার থাকতে হবে।
    আমরা এই শীতে দুই তিনটা শীতের কাপড় পরি,সেখান থেকে একটা কম কিনে যদি গরীবদের দিতাম তবে বস্ত্রহীন মানুষগুলো বস্ত্র পেতো।

    আল্লাহ সবাইকে তৌফিক দান করুক।

    গেলো–গেল

    না মূল শব্দের সাথে হবে না।
    আপনি প্রায়ই এমন ভুল করছেন।

    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  2. Md Rahim Miah

    শুনে -শোনে
    পাচ্ছিনা-পাচ্ছি না(না আলাদা বসে যেহেতু শব্দ)
    অনেক গুলো-অনেকগুলো(গুলো শব্দে সাথে বসে)
    অহ-ওহ
    অনেকেয়-অনেকেই
    জানিনা-জানি না
    ছেলে গুলোকে-ছেলেগুলোকে
    শুনে-শোনে
    পাবেনা-পাবে না
    পারেনা-পারে না
    মত-মতো
    বাহ্ বেশ ভালো লিখেছেন। তবে শেষের দিকটা ঠিক মিলেনি।” কাব্যর কথা শোনে তবুও টাকাটা উনাকে দিলাম। ফিসফিস করে লোকটা বললো বেঁচে থাকো মা।”

    এটার আগে কাব্য তো বলেছিল যে সে একসময় এক হাজার টাকার নোট দিতে চেয়েছিল, কিন্তু ভিক্ষুক নিতে চায়নি। বরং ফিসফিস করে বলেছিল টাকা বদলে কিছু খাওয়ার জিনিস কিনে খাওয়াই দিতে। কারণ টাকা তার ছেলে নিয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে আবার যদি কাব্য এই কাজটা করা হতো গল্প পুরাটা বাস্তবতার ছোঁয়া পেতে। তবে পড়ে ভালোই লেগেছে।শিক্ষণীয় গল্প আর বানানের দিকে আগামীতে খেয়াল রাখবেন আশা করি। অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

    Reply
  3. আফরোজা আক্তার ইতি

    একেবারে সমাজের বাস্তব উদাহরণটাই তুলে ধরলেন। আমাদের সমাজে প্রচুর মানুষ আছে, যারা দারিদ্রে কবলে পড়ে শীতের মধ্যে কতো কষ্ট করে। যখন আমরা কম্বলের নিচে বিছানায় শুয়ে উষ্ণতায় ঘুমাই তারা তখন আগুন পোহায় শীতে কাঁপতে কাঁপতে। আমরা ভোরের কুয়াশা দেখলে খুশি হই কিন্তু ওদের মন খারাপ হয়ে যায় আরেকটা দিন কষ্টে কাটবে বলে। আমাদের কত সোয়েটার থাকে, পরে ফ্যাশন করে বেড়াই কিন্তু ওদের তো শরীরে বস্ত্রই থাকে না। শীত নিবারণেত প্রয়োজন যেমন আমাদের হয় তেমনি তাদেরও হয়,কারণ তারাও তো মানুষ।
    গল্পটা খুবই সুন্দর হয়েছে।
    শুভ কামনা লেখিকাকে।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *