দ্য ডটার অফ সী
প্রকাশিত: নভেম্বর ২১, ২০১৮
লেখকঃ

 138 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

দ্য ডটার অফ সী
– তাসনিম রিমি

“আবার যেদিন তুমি সমুদ্র স্নানে যাবে,
আমাকেও সাথে নিও বলো নিবে তো আমায়…”

সমুদ্রের প্রতি এক দুর্নিবার আকর্ষণ আমার। তাই তো বারবার সমুদ্রের কাছে ছুটে যেতে মন চায়। আর সাগর কণ্যা তার অমলিন সৌন্দর্যের রূপ, লাবন্য দিয়ে প্রতিবারই আমায় মুগ্ধ করে।
দ্য ডটার অফ সী হ্যাঁ, বলছিলাম সাগরকণ্যা কুয়াকাটার কথা। গতবছর শীতের সময় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অায়োজন করে বীচ কার্ণিভাল এর। অনেকদিন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না তাই আমরা ক’জন মিলে কুয়াকাটা যাওযার প্লান করলাম। ভাবলাম এবার এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে সমুদ্র দেখার সাথে বীচ কার্ণিভালও দেখা হয়ে যাবে। যদিও শেষ পর্যন্ত মাত্র দু’জন মিলেই আসতে হল। আমাদের ক্যাম্পাস থেকে কুয়াকাটার দূরত্ব খুব বেশি না দূরপাল্লার বাসে উঠতে পারলে ঘন্টা দুয়েক সময় লাগে। খুব সকালেই তাই লেবুখালী ফেরিঘাটে চলে আসলাম উত্তরবঙ্গ থেকে আসা তুহিন বাসে করে একদম সকালেই পৌঁছে গেলাম কুয়াকাটার কাছে। বীচ কার্ণিভাল থাকায় বাস সমুদ্রতীর থেকে অনেকটা দূরে পার্ক করতে হয়েছে। অন্যান্য পর্যটকদের মতো আমরাও তাই ভ্যানগাড়িতে করে সমুদ্র পাড়ে চলে এলাম।
কুয়াকাটা একমাত্র সমুদ্রসৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়। অামরা যখন সৈকতের বালুর উপর হাঁটছিলাম ততক্ষণে সূর্যোদয় হয়ে গেছে। প্রভাতেরর সোনারোদ বালুর উপর চিক্ চিক্ করছে। বীচ কার্ণিভাল অনুষ্ঠানের একটা অংশ ছিল সমুদ্র তীরের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করা আর তারপরপরই ঘুড়ি ওড়ানো শ’খানেক মানুষ মিলে ময়লা পরিস্কার করে নির্মল পরিবেশে ঘুড়ি ওড়াচ্ছে দেখতে যেন ছবির মতো মনে হলো। সাগরের কাছে গেলে মানুষের মনটাও নাকি সাগরের মতো বিশাল হয়ে যায়। এই মানুষ গুলোকে দেখে আমারও তাই মনে হচ্ছিল। বাচ্চাদের সাথে মিলে মনের অানন্দে ঘুড়ি উহু ঘুড়ির মতে চিল, বাজপাখি, ঈগল নানান ঢঙে বানানো ঘুড়ি উড়াচ্ছিল। এদিকে একপাশে রঙিণ বাহারী কাপড়ে সাজানো সারি সারি নৌকা বাঁধা। ক্যামেরা হাতে পর্যটকরা ঘুরছে আর ফ্রেমবন্দি করছে সুন্দর মুহুর্তগুলো। কিছুসময় মূলবীচে অনুষ্ঠান দেখে সমুদ্রের তীর ঘেঁষে কখনও পায়ের পাতা ভিজিয়ে আবার কখন বালুর উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম ঝাউবনে। শীতের সময় হওয়াতে সমুদ্র বেশ শান্ত ছিল। তেমন বড় ঢেউ নাই সাগরের বুকে। ভাবলাম এবার না হয় অন্যসব জায়গা ঘুরে দেখি। ঝাউবনের কাছে ছোট একটা টঙ দোকানে চা খেয়ে আবার হাঁটা শুরু করলাম। ঝাউবনের পাশেই ছোট্ট একটা পার্ক, পার্কে ঘুরে তেমন ব্যতিক্রম কিছু না দেখে চলে এলাম নাস্তা করার জন্য। কেননা সকালে কিছু না খেয়েই শরীরে সাগরের নির্মল হাওয়ার স্পর্শ নিতে চলে গেছিলাম। হাওয়া খেয়ে আর কতটা সময় পার করা যায়, পেটের ভিতর নাড়িভুঁড়ি ক্ষুধার কথা স্মরন করিয়ে দিল।
নাস্তার পর কোথায় যাব সেটা ঠিক করা দরকার ভেবে দুজনে আলাপ করে নিয়ে প্রথমে কুয়া দেখতেই চলে গেলাম। এই কুয়াকাটা নামের পিছনে যার অবদান তাকে না দেখলে কী চলে। কুয়াকাটা নামের পেছনে রয়েছে আরকানদের এদেশে আগমনের সাথে জড়িত ইতিহাস। ‘কুয়া’ শব্দটি এসেছে ‘কুপ’ থেকে। ধারণা করা হয় ১৮ শতকে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করলে বহু রাখাইন জায়গাটি ছেড়ে নৌকাযোগে আশ্রয়ের খোঁজে বেড়িয়ে পড়েন। বিতাড়িত হয়ে আরকানরা এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করে। তখন এখানে সুপেয় জলের অভাব পূরণ করতে তারা প্রচুর কুয়ো বা কুপ খনন করেছিলেন, সেই থেকেই এই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় কুয়াকাটা।
কুয়ার পাশেই সীমা বৌদ্ধ মন্দির, মন্দিরে যাবার জন্য সিঁড়ির নিচে জুতা রেখে টিকেট কেটে উপরে উঠলাম। অামরা যখন মন্দিরের কাছে যাই তখন বৌদ্ধদের কোন রিচ্যুয়াল চলছিল হয়তো। তাই সেখানে সময় ব্যয় না করে অাশেপাশে ঘুরে দেখলাম। মন্দিরের পিছনে বিশাল এক বটবৃক্ষ আছে। সীমা বৌদ্ধ মন্দিরে ৩৭ মন ওজনের প্রাচীন অষ্টধাতুর তৈরি ধ্যান মগ্ন বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে। ওখান থেকে এসে গেলাম রাখাইন মার্কেটে কিছু আচার, চকলেট, বার্মীজের তৈরি ক্রিম, লোশন কিনে নিলাম। কেরানিপাড়া রাখাইনদের হাতে বোনা তাঁতের চাদর, কাপড় বেশ প্রসিদ্ধ। রাখাইন মার্কেটে তাই এসব স্থানীয় পণ্যও ঘুরে ঘুরে দেখলাম।
মার্কেটের পাশেই ঘরের মতো জায়গায় বিশাল এক নৌকা রাখা। ধারণাকরা হয় রাখাইনরা যেসব নৌকায় করে এদেশে অাসছিল এটা তারই কোন এক নৌকা। কয়েক বছর আগে সমুদ্রতীরে নৌকার কিছু অংশ দেখা দিলে প্রত্নতাত্ত্বিকরা বালু, মাটি খুঁড়ে এটা বের করে। এখন প্রাচীন নিদর্শন প্রত্নতত্ত্ব হিসেবে এখানে সংরক্ষিত আছে। নৌকাটার দেখাশোনা করে এমন একজন স্থানীয় লোকের কাছ থেকে জানতে পারলাম মটর বাইক বা ভ্যান ভাড়া করে সমুদ্রপাড়ের অারো কিছু দর্শনীয় স্থান দেখা যাবে। তার নিজের ছেলের বাইক আছে তাই কোন মতে আমদের বুঝিয়ে শুনিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু লোকটা টাকার পরিমান বেশি চাওয়াতে আমরা আর রাজি হই নাই। ভাবলাম সময় যখন আছে সমুদ্র পাড়ে একটু হেঁটেই দেখি। কম করে হলেও মাইল খানেক হাঁটার পর সাগরের পশ্চিম প্রান্তে জেলে পল্লীর দেখা পেলাম। রাস্তার পাশে ছোট ছোট ঘরে জেলেদের বসবাস। নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এখানে চলে মূলত শুঁটকি তৈরির কাজ। সমুদ্র থেকে মাছ ধরে এনে সৈকতেই শুঁটকি তৈরি করেন জেলেরা। কম দামে ভালো মানের শুঁটকিও কিনতে পাওয়া যায় এখানে। দেখলাম রোদে দেয়া সারি সারি সামুদ্রিক মাছ যা শুঁটকি হবার অপেক্ষায়।

শুঁটকি পল্লী থেকে বের হবার পর মনে হলো আর হাঁটার মতো শক্তি নাই তার থেকে দু’জন মিলে বাইক ভাড়া করাই শ্রেয়। একটু অপেক্ষা করতেই একজন চলে এল। আমরাও ভাড়া ঠিক করে উঠে পরলাম। প্রথমে ইলিশপার্ক নিয়ে গেলেও আমরা নামলাম না সেখানে ফেরার পথে বসবো তাই সর্বশেষ স্থান দেখেই আস্তে আস্তে এদিকটা দেখে যাব ভাবলাম। কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত প্রায় ১৮ কি: মি: দৈর্ঘ্য। পূর্ব নাকি পশ্চিমে আছি বুঝলাম না। দিকের হিসেব ঘুরতে ঘুরতে ভুলে গেছি তখন। তিন নদীর মোহনা যা সাগরে এসে মিলেছে দেখে চলে এলাম ঝিনুক বীচে। মূল বীচ থেকে একটু দূরে হওয়াতে লোকজন এদিকটায় কম। ইচ্ছেমত ঝিনুক কুড়িয়ে নিলাম দু’হাত ভরে। একদম ছেলেমানুষি কাজ করছিল তখন। বাইকের মামাও অামাদের কিছু ঝিনুক তুলে দিল। ঝিনুক অানতে গিয়ে দেখি তার হাতে লাল একটা কাঁকড়া। ঝিনুক বীচের কাছেই লাল কাঁকড়ার অাবাস। কাঁকড়ার পিছনে ছুটতে ছুটতে প্রচন্ড শীতেও ঘাম বের হয়ে যায় অবস্থা কিন্তু মহারাজাদের টিকিটি ছোঁয়া যায় না। কাঁকড়ার পিছনে ছুটতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে ফিরে এলাম স্থানীয় ভাষায় নেম্বু বা লেম্বুর চরে। লেবুর চর নাম হলেও এখানে আছে গরান, কেওড়া গেওয়া, হোগলা আর জোয়ার ভাঁটার কারনে জন্ম নেওয়া শ্বাসমূল, ঠেসমূলের বন। নদীর ওপারে তাকলে দেখা যায় “ফাতরার বন” বা সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বন, যা ‘দ্বিতীয় সুন্দরবন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। অনেকেই ট্রলার, স্পীড বোটে করে ওপাশে ঘুরতে গেলেও আমাদের আর যাওয়া হলো না এবার।
অনেক তো ঘুরলাম সকাল থেকে এবার কিছু না খেলেই নয়। তাই ইলিশ পার্কে চলে এলাম তাজা ইলিশ ভাজা খেতে। ইলিশ পার্ক যার জন্য নাম সেই ইলিশ প্রায় ৭২ ফুট লম্বা আর ইলিশের পেটের মধ্যই সুন্দর রেস্তোরাঁর ব্যবস্থা। অাস্ত ইলিশ খেতে নি পারলেও আস্ত ইলিশের পেটের মধ্যে ঘুরে দেখার আনন্দই অন্যরকম।
সমুদ্রপাড় ঘেঁষে বাইকে করে অনেকটা দূর আসার পর ওয়াপদা বা বড় রাস্তায় উঠলেই দেখা পাওয়া যায় স্বপ্নরাজ্য পার্ক এন্ড রিসোর্ট। টিকেট কেটে ভিতরে কিছুক্ষন বানর, সিম্পাঞ্জি, সারস, হরিণের সাথে কাঁধে হাত রেখে ছবি তুলে এলাম। অবাক হবার কিছুই নাই কেননা এগুলো জীবিত না সবগুলোই যে ভাস্কর্য ছিল।
কুয়াকাটার আর একটা বড় আকর্ষণ মিশ্রিপাড়া। সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সম্প্রদায় রাখাইনদের একটি গ্রামের নাম মিশ্রিপাড়া। এখানে আছে বড় একটি বৌদ্ধ মন্দির। কথিত আছে এ মন্দিরের ভেতরে আছে উপমাহাদেশের সবচেয়ে বড় বুদ্ধ মূর্তি। এছাড়া এখান থেকে সামান্য দূরে আমখোলা গ্রামে আছে এ অঞ্চলে রাখাইনদের সবচেয়ে বড় বসতি।
ঘুরতে ঘুরতে সূর্য্যিমামা পশ্চিম আকাশে ঢলে পরেছে। তবে সূর্যাস্তের বাকি এখনো অনেক সময়। ঐদিকটায় ঘুরতে গিয়ে এপাশের বীচ কার্নিভালের কথা একদম ভুলতে বসেছিলাম। এদিকটায় আসতেই দেখি বাদ্যযন্ত্র অার মানুষের সরগমে ব্যস্ত সমুদ্রপার। বিভিন্ন ধরনের দোকানপাটে ভরে গেছে সমুদ্রপাড়। দূরে মাইকে অর্থ মন্ত্রী অাসার ঘোষণা দিচ্ছে। এর ফাঁকে এক সাংবাদিক চলে এল আমাদের কাছে বীচের সৌন্দর্য আর অনুষ্ঠান নিয়ে দু’মিনিট কথা বলার জন্য। অামি কিছু না বললেও সাথের জন বুক ফুলিয়ে ম্যানগ্রোভ বনের ইতিহাস শুনিয়ে দিল তাকে। আর আমি বোকার মত হাসি চেপে পাশের দোকান থেকে ফুসকা খাচ্ছিলাম।
সব কিছুরই শেষ আছে। আমাদেরও এবার নীড়ে ফেরার পালা। কনসার্ট, মন্ত্রীর ভাষণ আর সবথেকে প্রিয় সমুদ্রের টান পিছু ফেলে চলে আসতে হলো। সংক্ষিপ্ত হলেও ভ্রমণে খুব তৃপ্তি পেয়েছি সাগর কণ্যা তার পুরোটা উজার করে দিয়েই আমাদের বরণ করেছিল বলেই হয়তো এতটা পাওয়া।

যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি বাস যোগে কিংবা লঞ্চে পটুয়াখালী এসে সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা যাওয়া যায়।
থাকা+খাওয়া: কুয়াকাটা রাত্রি যাপনের জন্য বেশ কিছু অভিজাত হোটেল, রিসোর্ট অাছে।
সতর্কতা: সমুদ্রস্নানে খুব বেশি দূর না যাওয়াই উত্তম। বীচের পরিবেশ সুন্দর রাখতে ময়লা অাবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবেন। প্রতারক থেকে বাঁচতে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিন।

তথ্যসূত্র: স্থানীয় লোকজন, উইকিপিডিয়া, ইন্টারনেট, নিজ অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৮ Comments

  1. সুস্মিতা শশী

    ওয়াও! ইশ ইশ ইশ কবে দেখব।

    Reply
    • Tasnim Rime

      চলে অাসেন, ঘুরে যান

      Reply
  2. Tanjina Tania

    আল্লাহ! আপু তুমি ভ্রমণকাহিনীও দিয়েছ দেখছি। ছোট পরিসরে ভালো লিখেছ। প্রবন্ধের থেকে ভ্রমণকাহিনী এগিয়ে।

    Reply
  3. Tasnim Rime

    প্রবন্ধ লেখার জন্য সময় পাই নাই তেমন
    অার এটা নিজস্ব অভিজ্ঞতা বলে হয়তো একটু এগিয়ে ^_^

    Reply
  4. Md Rahim Miah

    ওড়ানেয়া -উড়ানো
    ওড়াচ্ছে-উড়াচ্ছে
    মুহুর্তগুলো -মুহূর্তগুলো
    কেননা-কেন না
    আমদের-আমাদের
    কারনে -কারণে
    কিছুক্ষন-কিছুক্ষণ
    যাক ভালোই ছিল , তবে বানানে ভুল একটু বেশি। সমুদ্র দেখার ইচ্ছে আমারও বেশি। কিন্তু একা একা কি আর ইচ্ছে পূরণ হয়? অনেক কিছু ফুটিয়ে তুলেছেন শুভ কামনা রইল।

    Reply
  5. Halima tus sadia

    অসাধারণ লিখেছেন।
    খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন।
    সাগরকন্যা কুয়াকাটা গিয়েছিলাম ২০১২ তে।
    খুবই সুন্দর।বোদ্ধ মন্দিরও দেখছি।তবে স্মার্ট ফোন ছিলো না তখন যার কারণে কোন ছবি নেই।
    আমাদেরও খুব ভালো লাগছির।চমৎকার জায়গা।
    বানানে কিছু ভুল আছে।
    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  6. অচেনা আমি

    আসসালামু আলাইকুম।
    অল্প পরিসরে অনেক কিছুর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। বেশ ভালো লেগেছে পড়ে। কুয়াকাটা সম্পর্কে অনেক জনের কাছ থেকে অনেক কিছুই শুনেছি। ভ্রমণ কাহিনীটা পড়ে আরো কিছু জানতে পারলাম।
    লেখনীতে বেশ কিছু বানান ভুল ও চিহ্নের ব্যবহারে ভুল রয়েছে। যা না থাকলে আরও চমৎকার হতো।
    নিচে ভুলগুলো লক্ষণীয় :
    কণ্যা – কন্যা
    সাগরকণ্যা – সাগর কন্যা
    গতবছর – গত বছর
    প্লান – প্ল্যান
    হল – হলো
    ততক্ষণে – ততোক্ষণে
    মানুষ গুলোকে – মানুষগুলোকে
    রঙিণ – রঙিন
    কিছুসময় – কিছু সময়
    কখন – কখনো
    ঠেউ নাই – ঢেউ নেই
    দুজনে – দু’জনে
    কোন – কোনো
    ধারণাকরা – ধারনা করা
    আসছিলো – এসেছিল
    কোন মতে – কোনো মতে
    পরিমান – পরিমাণ
    রাজি হয় নাই রাজি হয়নি
    ইচ্ছামত – ইচ্ছা মতো
    কারনে – কারণে
    খেতে নি পারলেও – খেতে না পারলেও
    কিছুক্ষন – কিছুক্ষণ
    মত – মতো
    নৃ গোষ্ঠী – নৃগোষ্ঠী
    ঢলে পরেছে – ঢলে পড়েছে
    সবথেকে – সব থেকে
    উজার – উজাড়
    এতটা – এতোটা

    আপনার জন্য শুভ কামনা।

    Reply
  7. Nafis Intehab Nazmul

    কুয়াকাটা যাওয়ার শখ আমার সেই ছোটবেলা থেকেই। ভ্রমন কাহিনি আমি সাধারণত কম পড়ি, শুধু ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করে।
    তবে একটা লাভ হচ্ছে ভ্রমন কাহিনি পড়ে, অনেক কিছু জানা হচ্ছে। এটাই অনেক।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *