অঘোষিত মায়া
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারী ৪, ২০১৯
লেখকঃ

 130 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

বইয়ের প্রিভিউ
,,
বই : অঘোষিত মায়া
লেখক :মাহবুবা শাওলীন স্বপ্নিল
.
১.প্রিয়জনের মায়ায় আটকানোর ক্ষমতা সবার থাকে না।
২.মানুষ কখনো প্রয়োজনীয় কথা অন্যদের জানাতে ভুল করে না। তবে অপ্রয়োজনীয় কথা মানুষ না জানাতে চাইলেও কীভাবে যেন কেউ না কেউ জেনে যায়।
৩. জগতে দুই ধরণের মানুষ আছে। প্রথম শ্রেণীর লোক কিছুক্ষণ কথা বলেই মানুষকে বিশ্বাস করা শুরু করে দেয়। আর দ্বিতীয় শ্রেণীর লোক দীর্ঘদিনের পরিচয়েও একটা মানুষকে বিশ্বাস করতে পারে না
৪.কিছু সাময়িক অসুখ যদি সুখের কারণ হয়, তবে সেটা না সারুক।
.
উক্তিগুলো সেই উপন্যাসের যে উপন্যাসের মূল চরিত্র জাটলার আর মমী। এই দুটো কিন্তু তাদের আসল নাম নয়। আসল নাম জানতে প্রিভিউটা শেষ অব্দি পড়তে হবে। গল্পটা একটা মায়াবতী মেয়ে আর একটা দুষ্ট কিন্তু প্রচণ্ডরকম সুপ্ত মায়া বুকে ধারণ করা ছেলের। ছেলেটার বুকপকেটে এক হাজার চৌত্রিশ বার লেখ একটা কথা। কি সেই কথা? ছেলেটার সুখী পরিবার। মা আছে, বাবা আছে আর আছে নিশি নামের একটি বোন আছে। কথায় কথায় মজা করা ছেলেটার স্বভাব। তার কথার ধরণ হচ্ছে এমন, ভালো সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বাসা যদি ভালো বাসা হয় তবে ভালোবাসা কোনটা? কেউ জিজ্ঞাসা করলো যে, আপনি এখন কোথায় আছেন? ছেলেটার উত্তর হবে আমি এখন পৃথিবীর মানচিত্রের কোথায় আছি সেটা বলবো? সদা হাস্যোজ্জ্বল আর স্ফূর্তি নিয়ে চলা একটা ছেলে। কিছুটা ঠোঁট কাঁটা স্বভাবেরও। পেটে যা আসে হরহর করে বলে দেয়। কোনোকিছুই যেন আটকে রাখতে পারে না। রিকশাতে বসেও পা নাচায় সে আবার অন্য বাসায় বেড়াতে গিয়েও সোফায় বসে পা নাচায়। শুধু কি তাই? অন্যদেরও পরামর্শ দেয় পা নাচাতে। পা নাচিয়ে নাকি দারুণ আরাম। বোনের ভালোবাসায় সিক্ত ভাইটিকে ছেড়ে যখন বোনটি চলে যায় তখনই ভাই বোধ করে আর কেউ কখনও তার ভুলগুলোর জন্য বকাবাধ্য করবে না। ছেলেটা আমার নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর কাজেও ব্যস্ত। মেয়ে পালিয়ে যাওয়া মায়ের সাথে কাজী অফিস গিয়ে মুন নামের মেয়েটার জীবনও গুছিয়ে দেয় সে। অথচ এই স্ফূর্তিবাজ ছেলেটি কি না নিজের ভিতরেই সুপ্ত আর অঘোষিত অনেকটা মায়া জমিয়ে রেখেছে। সেই মায়া কী সে কোনোদিন প্রকাশ করতে পারবে? সে কী এই মায়ার কথা প্রকাশিত করার মতো অবস্থায় আছে? বুকপকেটে এক হাজার চৌত্রিশ বার লেখা কথাটা সে কেন এত বড় পৃথিবীর কাউকে জানাতে পারে না? যে ছেলে হিটলারের নামের সাথে মিল রেখে নিজের নাম বানিয়ে নিয়েছে জাহিদ+হিটলার=জাটলার আর মেয়েটা নিজের মিম নামটাকে উলটে ছেলেটার ফোনে সেইভ করে দিয়েছে মমী নামে সেই ছেলে আর মেয়ের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল? ছেলেটার বুকপকেটে এক হাজার চৌত্রিশবার কোন মায়ার কথা লিখা ছিল?
জানতে হলে পড়তে হবে সবচেয়ে বেশি মায়া বুকগহীনে লুকিয়ে রাখার অধিকারী ছেলে জাহিদ আর মিমের গল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ বই অঘোষিত মায়া।
লেখা Tanjina Tania
,
উপন্যাসের নাম : অঘোষিত মায়া
লেখা :মাহবুবা শাওলীন স্বপ্নীল

প্রকাশনী : আওয়ার ক্যানভাস পাবলিকেশন

মূল্য : ২১০ টাকা

প্রি অর্ডার এ ফেব্রুয়ারির ব ৮ তারিখ পর্যন্ত পাচ্ছেন মাত্র ১২৬ টাকায়। সারাদেশে ডেলিভারি দেয়া হয়। চার্জ তিন কপি পর্যন্ত ৩০টাকা ।

ফোন করুন 01783027911

সম্পর্কিত পোস্ট

আমার জামি

আমার জামি

জান্নাতুল না'ঈমা জীবনের খাতায় রোজ রোজ হাজারো গল্প জমা হয়। কিছু গল্প ব্যর্থতার,কিছু গল্প সফলতার। কিছু আনন্দের,কিছু বা হতাশার। গল্প যেমনই হোক,আমরা ইরেজার দিয়ে সেটা মুছে ফেলতে পারি না। চলার পথে ফ্ল্যাশব্যাক হয়। অতীতটা মুহূর্তেই জোনাই পরীর ডানার মতো জ্বলজ্বলিয়ে নাচতে...

ভাইয়া

ভাইয়া

ভাইয়া! আবেগের এক সিক্ত ছোঁয়া, ভালবাসার এক উদ্দীপনা, ভাইয়া! ভুলের মাঝে ভুল কে খোঁজা, আর ভালবাসার মাঝে ভাইকে খোঁজা, দুটোই এক কথা! ভুল তো ভুল ই তার মাঝে ভুল কে খোঁজা যেমন মূর্খতা বা বোকামি। ঠিক তেমনি ভালবাসার মাঝে ভাইকে খোজাও মূর্খতা! আমার কাছে ভাইয়া শব্দটাই ভালবাসার...

হতভাগিনি

হতভাগিনি

গল্প লেখকঃ মোঃ খালেদ সৌরভ (মার্চ - ২০১৮) ---------------------------- জন্ম হয়েছে খড়কুটার এক কুঁড়েঘরে। তখন ছিলো গ্রীষ্মকাল। গতকাল কাল বৈশাখীর ঝড়ে চালের কিছু অংশ নিয়ে গেছে উড়িয়ে। ফকফকা পূর্ণিমার চাঁদ আলোকিত করেছে ঘরটাকে। ওই পূর্ণিমার সাথে মিতালী করে ঘরের আলোকসজ্জা...

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *