মিথ্যা-কথার-গন্ধ
প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০১৮
লেখকঃ

 53 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখা: নূরানা হক., জুলাই,১৮
.
ট্রেনের ভিতরে অতিরিক্ত দূর্গন্ধে রহমত আলী ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারছিলো না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকায় ট্রেনটি কিছুক্ষনের মধ্যেই একটি জংশনে থামলো। রীতিমতো বাধ্য হয়ে তাই ট্রেন থেকে নেমে পড়লো রহমত আলী। বগির মধ্যে থাকা মানুষগুলো যত সময় যাচ্ছিলো ততোই মোবাইল ফোনে আর পাশাপাশি বসে থাকা একে অপরের সাথে কথা বলা শুরু করে দিয়ে ছিলো। আর তাতেই রহমত আলীর এই বিপত্তি। চল্লিশোর্ধ রহমত আলীর এই সমস্যা আগে কখনও ছিলো না। সাত আট বছর ধরে সমস্যাটা ধীরে ধীরে প্রকট হতে থাকে। এবং রহমত আলী নিজেও তা বুঝতে পারে। শেষ পর্যন্ত এমন অবস্থা হলো শহরের যে প্রান্তে রহমত আলী যায় গন্ধটা তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। তবে যেখানে লোকজন থাকে না সেখানে এই সমস্যাও থাকে না। তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে রহমত আলী একটা নির্জণ  জায়গার খোঁজে রাতের ট্রেনে চেপে বসলো। তবে এখন সে প্লাটফর্মের উল্টো পাশে খোলা জায়গায় বসে বমি করছে। এভাবে দশ পনোরো মিনিট বমি করার পর সে অচেতন হয়ে পড়বে। এবং তার সারা শরীর কাঁপিয়ে প্রচন্ড জ্বর উঠবে।
.
.
-আসসালামুআলাইকুম মিয়া ভাই।
-ওয়ালাইকুম আসসালাম।
-পাক্কা দশ ঘন্টা ঘুমালেন ভাই।
-তাই নাকি! তাহলে তো কম হয়ে গেল। আঠার থেকে বিশ ঘন্টা পর্যন্ত ঘুমানোরও রেকর্ড আছে।
-কন কী! ঘটনাডা খুইল্যা কন তো।
-আচ্ছা বলবো তার আগে বলেন আমাকে এখানে কেন নিয়ে এসেছেন আর আমি-ই বা কোথায় আছি?
-মাথায় কোনো সমস্যা নেই তো।
-জ্বি না। আপনাকে সব কিছুই বলবো, তার আগে আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।
-আরে ভাই আপনি তো পূবাইল ষ্টেশনে পইড়া আছিলেন। গায়ে অনেক জ্বর আছিলো। আপনারে ঘিরা অনেক মানুষ খাড়ায়া আছিলো। আমি একটা ওয়াজ মাহফিলে ছিলাম ফেরার পথে।
-বুঝতে পারছি তারপর আপনি আমাকে……
-জ্বি আমার এই গরীব খানায় নিয়া আসছি। অনেক কষ্ট অইছে আনতে
-জায়গাটা কোথায়….?
-জ্বি ভাই শ্রীপুর পৌরসভার চালপুর গ্রামে।
-ও আচ্ছা ধন্যবাদ আপনাকে। ঘাবড়াবেন না। এ রকম আমার প্রায়ই হয়….
-কন কী?
-আমার খুব ক্ষিদে পেয়েছে। কিছু খাওয়া যাবে কি?
-ভাই, আগেই কইছি গরীব খানা আপাতত এককাপ দুধ গরম কইরা দিতে পারমু সাথে দুইখান বিস্কুট। অবশ্য ঘন্টা খানেক পর আমার জন্য দুপুরের খাওয়ান আসবো। তহন ভাত তরকারী খাইতে পারবেন। ইমামতি করি তো গ্রামের মসজিদে। তাই একেক দিন একেক বাসা থাইক্যা খাওয়ান আসে।
-আচ্ছা আপাতত তাই দেন। এক কাপ গরম দুধ….
-জ্বি ভাই একটু অপেক্ষা করেন। আমি শুধু ষ্টোভটা জ্বালাবো..
রহমত আলী চোখ বন্ধ করে খাটের উপর বসে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো। অনেকটা যাকে বলা যায় প্রাণ ভরে। গন্ধটা নাকে আসছে না। রহমত আলী মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো বাকী জীবনটা এখানেই কাটিয়ে দিবে।
রহমত আলীর মুখে পুরো ঘটনা শুনে বাদশাগঞ্জ জামে মসজিদের ইমাম মোঃ ফোরকান আলী আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তবে সবচেয়ে বেশি আশ্চর্য হলেন রহমত আলীর বাকী জীবনটা এখানেই কাটিয়ে দেয়ার আজব সিধান্ত শুনে।
-সিধান্তটা আপনার ভাই। কিন্তু আমি কেমনে আপনারে সারা জীবনের লাইগ্যা আর তাছাড়া এলাকার মানুষজন আছে, মসজিদ কমিটির লোকজন আছে, তাগো আমি কী কমু?
-তাতো আমি জানিনা।
-কন কী আপনে। এতো বড় একটা সমস্যার মধ্য‌ ফালাইয়া দিলেন। দেখি কি করি, আমি একলা মানুষ। সবই আল্লাহর পাকের ইশারা….।
.
.
না-না-না-ইমাম সাব।কামডা আপনে ঠিক করেন নাই। ঘরে ম্যাজিক লইয়্যা বাস করতাছেন দুইদিন ধইর্যা আর আপনে ঘটনাডা আমারে আইজকা কইলেন।
-আমি লজ্জিত। এখন আপনে কন চেয়ারম্যান সাব আমি এই আল্লাহর বান্দাকে নিয়া কি কীমু।
-এতো টেনশন নিয়েন না ইমাম সাব। আগে ম্যাজিকটারে একটু দেখি কথাটথা কই। তারপর যা করার করমুনপ। হেঃ হেঃ হেঃ। কী শুনাইলেন আপনে। কেউ মিছা কথা কইলে বুইঝা যায়। বেশি মিছা কথা শুনলে ফিট অইয়া যায়। মিছা কথার গন্ধে বমি কইরা অজ্ঞান হইয়া যায়। হেঃ হেঃ হেঃ
-জ্বি আমারে যা কইছে আমি আপনারে তাই কইলাম।
-আপনে কইছেন আমি শুনছি। বাকীটা আমার উপরে ছাইড়া দেন।
-কোন গ্যানজামের দরকার নাই চেয়ারম্যান সাব। যেই ভাবে আসছে সেইভাবে ট্রেনে উঠাইয়া দিলেই তো অইলো। দুই দিনের মুসাফির মানুষ যেই জায়গায় রিজিক আছে সেই জায়গায় চইল্যা যাক।
-আপনে যান তো। আমি বাদ এশা আপনের বাসায় আইতাছি। হেঃ হেঃ হেঃ
.
.
মাহবুব চেয়ারম্যানের কল্পনায় রহমত আলী আর বাস্তবের রহমত আলীর মধ্যে অনেক পার্থক্য। মাহবুব চেয়ারম্যানের কল্পনায় ছিল মানুষটি দেখতে হয়তো ফর্সা ও লম্বা হবে। গাল ভর্তি সাদা দাঁড়ি থাকবে। এক কথায় সুফি ধরনের মানুষ। কিন্তু বাস্তবে রহমত আলী দেখতে অনেক কালোও বটে। আর গাল ভর্তি সাদা লম্বা দাঁড়ি না থাকলেও আছে বেশ কয়েক মাস ধরে শেভ না করা কালো রংয়ের খোচা খোচা দাঁড়ি। নিজের সাইজের চেয়ে অনেক বড় পাজামা পাঞ্জাবী পড়ে রহমত আলী তাই তাকে দেখতে অদ্ভুত লাগছে।
-এ আপনি কারে ধইর্যা আনছেন ইমাম সাব। এত্তগুলান প্রশ্ন করলাম একটারও তো উত্তর দেয় না। আপনি বলেন নাই এই এলাকার একমাত্র বিশিষ্ট লোক আমি, তার সাথে আমি স্ব-ইচ্ছায় দেখা করতে আইলাম, আর সে কীনা!
-জ্বি বলছি চেয়ারম্যান সাব, আপনে রাগ কইরেন না।
-রাগ করবো না মানে দেখেন সে নাকে হাত দিয়া বইসা আছে। আমার শরীরে কী গন্ধ। এই মিয়া ম্যাজিক কথা কও না ক্যান।
-গন্ধ আপনার শরীরে না, আপনার মুখে আপনি অনেক মিথ্যা কথা বলছেন। আগে এই ঘরে কোন গন্ধ ছিলনা। এখন গন্ধে ঘর ভরে গেছে।
-বাঃবাঃবাঃ এইতো কথা বলতাছে, তা ম্যাজিক মিয়া বলেন তো আমি কি কি মিছা কথা কইছি।
-আমি কোন ম্যাজিক জানি না শুধু জানি আপনি মিথ্যা কথা বলেছেন। কি মিথ্যা কথা বলেছেন তাও জানিনা। আর আমার নাম রহমত আলী।
-ও এইজন্য রাগ করেছেন, আরে আমি তো আপনারে টেষ্ট করনের লাইগ্যা ইচ্ছা কইরয় মিছা কথা কইছি। হেঃ হেঃ হেঃ
রহমত আলী এখন ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। মাহবুব চেয়ারম্যাব রহমত আলীর থাকা খাওয়া সহ যাবতীয় খরচ বহন করবেন। বিনিময়ে তাকে এলাকার বিভিন্ন বিচারে মাহবুব চেয়ারম্যাবের সাথে থাকতে হবে। শুধু মিথ্যাবাদী লোককে চিহ্নত করার জন্য ইমাম সাহেবকে বেশ চিন্তিত মনে হচ্ছে। রহমত আলীকে নিয়ে মাহবুব চেয়ারম্যানের এই উৎসাহী হয়ে ওঠার কারণটা ঠিক বুঝতে পারছেন না। তার উপর আবার ভার পড়েছে রহমত আলীকে এই প্রস্তাবে রাজি করাতে হবে।
.
.
অল্প সময়ের মধ্যেই আশেপাশের এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়লো রহমত আলীর এই অদ্ভুত ক্ষমতার কথা। মাহবুব চেয়ারম্যানও ব্যাপারটা নিয়ে মনে মনে বেশ আনন্দিত। কারণ এলাকার বাইরে রহমত আলীর যাওয়া মানে নিজেও যাওয়া হয়। পাশাপাশি সম্মানও পাওয়া যায়। ইমাম সাহেবের টিনের ঘর এখন পাকা দালান হয়ে গেছে। ঘরে এনার্জি বালব জ্বলে, সিলিং ফ্যান ঘুরে। ভালো খাবার দাবার এখন প্রতিদিনই হচ্ছে। অথচ আগে প্রতিদিনই খাবার এর জন্য অপেক্ষা করতে হতো। ইমাম সাহেব ঘরের বাইরে একটি সাইনবোর্ড টানিয়েছেন। আমগাছের উপর তা বিশেষ উপায়ে রাখা হয়েছে। যাতে গাছের কোন ক্ষতি না হয়। তাতে লেখা….
মিথ্যা বলা মহাপাপ
এখানে কথা পরীক্ষা করা হয়
সর্বনিম্ন ফিঃ পঞ্চাশ টাকা মাত্র।
বিঃ দ্রঃ আউট কলিংয়ের জন্য চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
বাদশাহগঞ্জ জামে মসজিদেী ইমাম সাহেব দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। আর মনে মনে বলেন, সবই আল্লাহ পাকের ইচ্ছা।
.
.
মাহবুব সাহেব ঘটনাটি ঘটার পর এক মুহুর্ত দেরী করলেন না। বাইরে ঝড় হচ্ছে তারপরও ছুটলেন ইমাম সাহেবের বাড়ি। সব শুনে ইমাম সাহেব বললেন-
এইডা কী কন চেয়ারম্যান সাব!
-জোয়ান পোলা আমার একটা ভুল কইরা ফালাইছে রাগের মাথায় গলা টিপ্যা মাইরা ফালাইছে। পুলিশ টুলিশ আমি ম্যানেজ করুম। শুধু এলাকাবাসীর সামনে রহমত আলীকে কইতে অইবো আমার পোলায় যা কইবো তা সত্য, হে কোন মিছার গন্ধ পায় নাই। সামনে ইলেকশন বুঝতেই পারতাছেন।
-মনে অয় সে রাজি অইবো না।
-তারে বুঝাইয়া বলবেন রাজি তারে অইতে অইবো। তা না অইলে হের জানের মায়া না থাকতে পারে আপনের তো আছে। উল্টা পাল্টা অইলে আপনি আর সে এই ঘরে আসুন নইলে মরবেন। মনে থাকে যেন কাইলক্যা বাদ মাগরিব আমার বাড়ির উঠানে। আমি একবার কওয়ার মানুষ। আর পোলায় যদি একবারেও মারতে পারতো তাইলে তো আওয়া লাগতোনা, আফসোস মরছে হাসপাতালে।
.
.
উনি যা বলেছেন সব সত্যি আমি কোন গন্ধ পাই নাই। এই কথাগুলো বলে রহমত আলী তার জন্য রাখা চেয়ারটিতে বসে পড়লো। মাহবুব চেয়ারম্যান এলাকাবাসীকে বুঝাতে লাগলেন,
এটা বদজ্বিনের কাজ। আপনেরা খেয়াল করে দেখবেন গলায় দাগ বইস্যা গেছে। রাইত বিরাইতে ঘরের বাইরে যাইতে বারণ করছিলাম। কে শুনে কার কথা। এহন অইলো তা আর আপনেরা তো নিজের চোখেই দেখলেন কোন গন্ধ পাওয়া যায় নাই। তার মানে পোলায় আমার কোন দোষ করে নাই। মরার আগে ধান্দার মতো দেখছে তাই হাসপাতালে নেওয়ার সময় আমার পোলার নাম ধইর্যা ডাকছে। ঘরে কাম করলে কী অইব। পোলায় ওরে বইনের মতো দেখতো। আহ্হারে মরার আগে এক বইন তার ভাইরে ডাকছে।
.
.
ইমাম সাহেব অস্থির হয়ে পায়চারী করছেন। কারণ রহমত আলী রক্ত বমি করছে। তার শরীর হীম ঠান্ডা হয়ে গেছে। শুধু ফরিদকে ডাকছে। ফরিদ ছিলো ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া অসম্ভব ভালো একটি ছেলে। প্রতিদিন রাতে রহমত আলীর দোকানে এসে বসতো। একদিন এলাকার মাস্তানরা কেন জানি ফরিদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা রহমত আলীর সামনে। রহমত আলী কোর্টে গিয়ে মিথ্যা সাক্ষী দেয় সে কিছুই দেখে নাই। তখন তার দোখান বন্ধ ছিল। মাস্তানদের ভয়ে সে এলাকা ছাড়লেও ফরিদ তার পিছু ছাড়েনি। ঘটনার পর প্রথম প্রথম ফরিদকে সে সপ্ন দেখতো। তারপর দেখতে লাগলো দিন দুপুরে।
কেউ রহমত আলীর সামনে কথা বললে ফরিদ মাঝে মধ্যে বলতো মিথ্যা কথা।।মুখ থেকে কেমন গন্ধ বের হচ্ছে। আর তখন থেকেই রহমত আলীও গন্ধ পেতে লাগলো। ঠিক এখন সে রকম গন্ধটা ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামের বাতাসে। অথচ আশ্চর্য ব্যাপার রহমত আলী এখন আর গন্ধটা পাচ্ছে না।কিন্তু সে জানে -মিথ্যা কথা বলা মহাপাপ।
(সমাপ্ত)

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৩ Comments

  1. Learner

    বিরাম চিহ্নে বেশ কিছু ভুল লক্ষ করেছি যেমন: “হতে থাকে। এবং” এখনে এবং দিয়ে দুটি বাক্যাংশ যোড়া দেয়া হয়েছে আর দাড়ি বাক্যের মধ্যখানে বসেনা আর এই ভুলটি একাধিক বার করেছেন।

    বানানে আরো সতর্ক হতে হবে যেমন:
    সিধান্ত→সিদ্ধান্ত
    ধইর্যা→ধরে / ধইরা(আঞ্চলিক)
    কীমু→করমু(আঞ্চলিক)
    এলোপাতাড়ি→এলোপাথাড়ি
    এছাড়াও বেশ কিছু বানান ভুল আছে।

    পাশাপাশি শব্দের ভুল:
    আল্লাহর পাকের ইশারা→ আল্লাহ্‌র ইশারা /আল্লাহ্‌ পাকের ইশারা

    থিমটা ভালো ছিলো, লেখানাটা সাজানো গুছানো হলেও লেখার সুন্দর্য খুব বেশী ফুটেনি। সব মিলিয়ে ভালো চেষ্টা শুভকামনা রইলো ♥

    Reply
  2. Jannatul Ferdousi

    কিছুক্ষন→ কিছুক্ষণ

    নির্জণ→ ন হবে।

    ষ্টেশনে→ স্টেশনে।

    খাওয়ান আসে→ খাওয়ন আসে
    সিধান্ত→ সিদ্ধান্ত

    ধইর্যা→ ধইরা

    কি কীমু→ কী কমু

    করনুমপ→ করনুমে

    পড়নে→ পরনে (পরিধানে র হয়)

    কুপিয়ে হত্যা → হত্যা করে। আপনার বাক্যে করে মিসিং।

    দোখান→ দোকান।

    অনেক টাইপিং মিসিং আছে। এরকম করলে গল্পের মান কমে যায়; তাছাড়া প্রতিযোগিতা বলে কথা! গল্পটা ভালো করে সাজিয়ে তুলতে পারেননি। থিমটা দারুণ ছিল। একটা গল্পে বানান ভুল, সাবলীলতা, থিম, এভং তা অনুযায়ী গল্প ফুটিয়ে তোলাই হলো রাইটারের সার্থকতা। পরেরবার এসব দিক খেয়াল রাখবেন। যতিচিহ্নের প্রতি যত্নবান হোন।
    আপনি মোটামুটি ভালো লেখেন। আগামীর জন্য শুভ কামনা।

    Reply
  3. Halima Tus Sadia

    ভালো লিখেছেন।
    গল্পটা বেশ বড়।
    পড়তেছি পড়তেছি শেষ আর হয় না।
    তবও খারাপ লাগেনি।

    বানানে ভুল আছে

    কিছুক্ষন-কিছুক্ষণ

    আল্লাহ্র–আল্লাহ

    সিধান্ত—সিন্ধান্ত

    করনমুপ–করনুমে

    ধইর্যা—ধইরা

    নির্জণ-নির্জন

    বানানের প্রতি যত্নশীল হবেন।
    অনেক ভুল আছে।
    যথাস্থানে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেননি।

    আপনার জন্য শুভ কামনা।
    এগিয়ে যান।
    আরো ভালো গল্প পাঠকদের উপহার দেন।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *