যে তেষ্টা জলে মেটে না
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৮
লেখকঃ vickycherry05

 168 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ vickycherry05

লেখা-রোকসানা রশিদ লিলি
(ফেব্রুয়ারী’১৮)
………………

তোমায় আমার পথটা এক হবার কথা ছিলো না। তুমি আর আমি দুজন ভিন্ন জগতের অধিপতি। দুজনের মধ্যে এমন কি আর মিল ছিলো? বলো। তুমি ছিলে কলেজের ফাস্ট বয়। শুধু ওই পড়াশোনাতেই। আমরা এক বাড়িতেই থাকতাম তুমি পাচঁতালায় আর আমি দোতালায়। যখনই তোমায় দেখতাম তখনই তোমার হাতে থাকতো বই। তুমি দেখতেও অনেক মজার ছিলে। স্টিভ জবসের মত গোল গোল ফ্রেমের চশমা পড়তে। তোমার চশমার পাওয়ার শুনলে যে কেউ আৎকে উঠত। নিচু গলায় বলত “এই বয়সেই এই অবস্থা”।
চশমা ছাড়া তুমি ছিলে অন্ধ প্রায়। ও হ্যাঁ তোমার মাথার কোকড়া চুলগুলো কাকের বাসার মত দেখতে লাগত। শুধুমাত্র তোমার এই চুলের কারণে তোমার দিকে আমার চোখ যেতো বারবার………বহুবা­র………..!

বামদিক যেমন ডানদিকের বিপরীত তেমনি তোমার বিপরীত আমি।

কলেজে এক নামে সবাই চিনত তবে পড়াশোনার জন্য নয় খেলাধুলার জন্য, তুখোর বিতার্কিকও ছিলাম। এই খেলা সেই খেলার নামে কলেজ ফাঁকি দেয়াটা আমার নিত্যদিনে রুটিন ছিলো। অন্যান্য মেয়েরা শুধুমাত্র খেলার আগের দিন গুলোতেই প্র্যাকটিস করতে আসত, কিন্তু আমাকে রোদ কি বৃষ্টি সবসময় মাঠে পাওয়া যেতো।
মেয়েদের সাথে মিশতে আমার তেমন ভালো লাগতো না। ছেলেদের সাথেই বেশী মিশতাম, প্র্যাকটিসও করতাম ওদের সাথে। আমার পোশাক-আশাক হাবভাবও অনেকটা ছেলেদের মত ছিলো। এই নিয়ে অবশ্য কলেজ কর্তৃপক্ষ খুব একটা মাথা ঘামাতো না কারণ যেকোনো খেলায় কলেজের ছেলেরা বাছাই পর্ব থেকে ফিরে আসলেও মেয়েরা যে ফাইনাল খেলে আসবে সেটা চোখ বন্ধ করে সবাই বলে দিতে পারতো। জেতার কারণ ঘুরে ফিরে একটাই “এনি”। এই খাতিরে কলেজে পরিচিতি বাড় ছিলো। আমি বিভিন্ন ক্লাবের হয়েও খেলতাম।
আর বাড়ি থেকে তেমন একটা বাধা আসতো না। মা-বাবা তো আর দেশে থাকে না। আমার ছোট ভাইটা হবার পর মা একা সেখানে আমাকে আর ভাইটাকে সামলাতে পারছিলো না তাই কয়েক বছরের জন্য নানা বাড়িতে রেখে যায়। তখন বয়স তিন কি চার। আমার আর ফেরা হয় নি। নানুও গত হয়েছ অনেক বছর। আমার আপন বলতে ওই নানাই সম্বল। হুইল চেয়ারই তার ভাগ্য………..

একদিন বিকেলে সিঁড়িতে বসে বসে ভিডিও গেম খেলছিলাম। হঠ্যাৎ দেখি তুমি নামছো। হাতে একটা বই। কি জেনো একটা পড়ছো,খুব মনোযোগ দিয়ে। আর অসতর্কভাবে সিঁড়িতে পা ফেলছো। তোমায় থেকে চোখ ফিরিয়ে আবার সেই পরিচিত কবিতাটা ধরলাম
“ওই দেখা যায় আতেল।
চুলে দেন না তেল।
সব খেলাতে ফেল।
আধ কানা দুটো চোখ নিয়ে চলছে জীবন রেল”
কবিতাটা শেষ হবার আগেই
অদ্ভূত একটা আর্তনাত কানে এলো। পেছনো ফিরে দেখি তুমি একটার পর একটা সিঁড়ি গড়িয়ে গড়িয়ে নিচে পড়ে যাচ্ছো। আমি দৌড়ে কয়েক সিঁড়ি উঠে গিয়ে তোমায় থামালাম। এই প্রথম মনে হলো আমি ভয় পাচ্ছি। তোমার জ্ঞান নেই চশমাটায় ফাটল ধরেছে। কাপালের কোন এক প্রান্ত হতে রঙ্গিন স্রোত বইছে।টকটকে লাল। কি করবো বুঝতে আমি সময় নিয়েছিলাম। “আবির” “আবির” বলে অনেক ডেকেছি। তুমি সাড়া দেও নি। বাড়ির দারোয়ান, কেয়ার টেকার সবাইকে ডেকে আনলাম। তোমাকে ধরাধরি করে দোরোয়ানের রুমে নিয়ে শোয়ানো হলো।

কেউ বোধ হয় তোমার বাবা মাকে খবরটা দিয়েছিলো। একটা লোককে দেখলাম মধ্যবয়স্ক। দেহে সর্ব শক্তি দিয়ে ছুটে আসছে। চোখে রিমলেস চশমা। আমি সবচেয়ে অবাক হয়েছিলাম তোমার মাকে দেখে। কি অদ্ভুতভাবে তোমাকে জড়িয়ে ধরেছিল যেনো দুনিয়ার কোনো শক্তির সাহস নেই তার কাছ থেকে তোমাকে ছিনিয়ে নেওয়ার……….

তুমি সুস্থ হয়ে উঠতে বেশী সময় নেওনি।
তবে তোমার মা স্বাভাবিক হতে অনেক সময় নিয়েছিলো। তুমি কি এমন আর যার জন্য এই ভদ্র মহিলা কেঁদে কেঁদে আস্ত একটা দিন পার করে দিলেন? এই ব্যাপারটা কোনো ভাবেই আমার মাথায় ঢোকে নি। মা ব্যাপারটা তখন একেবারেই নতুন আমার কাছে।

সবার কাছে যখন তিনি শুনলেন-আমি না থাকলে হয়তো আরো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো তখন তিনি আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন। আমার গালে কপালে পাগলের মত চুমু দিতে লাগলেন……. এই প্রথম যেনো আমি আমার মাকে ভীষন মিস করলাম, নিজেকে মা ছাড়া খুব অসহায় লাগলো।
এরপর থেকে আমি প্রায় প্রতিদিন তোমাদের বাড়িতে যেতাম। একদিন না গেলেই পরদিন আন্টি কান মলে দিতেন। তুমি তাতে উৎসাহ যোগাতে। একদিন আমি আবিষ্কার করলাম শুধু তোমার মায়ের জন্য না আমি তোমার জন্যও এই বাড়িতে আসি। তোমার প্রতি কিসের যেনো একটা টান কাজ করত। মনে হতো তোমার দৃষ্টিহীন প্রায় চোখগুলোর দিকে তাকিয়ে একটা জীবন পার করা যায়। তুমি চোখের সামনে না থাকলে বুকের মাঝে অদ্ভূত একটা চাপ তৈরি হতো এই চাপটা আমার বেড়েই চলেছিলো……….। তো­মার আশেপাশে সারাক্ষণ ঘুরঘুর করাটা আমার অলিখিত কাজ হয়ে দাড়ালো।

তুমি দিনের বেশীর ভাগ সময় কলেজে থাকতে। যেকোনো মূল্যে তোমার খুব কাছাকাছি থাকা চাই আমার।

মাঠ ছাড়লাম। ক্লাসরুমে ঢুকলাম। শিক্ষকরা অবাক হলো। ক্লাসের সাবাই এমন আড় চোখে তাকাতো যেনো আমি মঙ্গল গ্রহ হতে সদ্য আসা এলিয়েন। পরীক্ষার আগের রাত ছাড়া কখনো বই ছুঁই নি। তোমার সামনে টিচাররা কথা শোনাবে……নাহ। ব্যা­ট ছাড়লাম কলম ধরলাম। এখন আমি তোমার আরো কাছে এলাম। পড়া না বোঝার বায়নায় যখন তখন তোমার খুব কাছাকাছি। দিন দিন তোমার একমাত্র বন্ধু হয়ে উঠলাম আমি। ঝগড়া, মারামারি, ভালোবাসা, বোঝাপড়া……..কিসে­র অভাব! আমাদের অবাধ মেলামেশার ব্যাপারটা চোখে লাগার মতো হলেও আন্টি আংকেল কখনো পাত্তা দিতো না।
তোমার আশেপাশে অন্য মেয়েকে দেখলে মাথায় খুন চেপে যেতো আমার। হাত পা অসম্ভব কাঁপত। তোমার মাথার কোঁকড়া চুল গুলো টেনে ছেঁড়ার অব্যার্থ চেষ্টা করতাম, আর তুমি ছাড়িয়ে নেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করতে।

আচ্ছা তোমার মনে আছে একদিন মধ্য রাতে তোমাকে ফোন করে বললাম বারান্দায় আসার জন্য। তুমি এলে ঘুম ঘুম চোখে। ঘুম ভাঙ্গানোর বিরক্তি নিয়ে। আমি বাসার নিচে দাড়িয়ে,হাতে হরেক রঙের গ্যাস বেলুন। সুতা দিয়ে এক সাথে বাধা। সুতাটা আস্তে আস্তে ছাড়লাম একতালা দোলাতা করে বেলুন গুলো তোমার হাতে নাগালে গিয়ে পৌছালো। বেলুনগুলোর সাথে লাল টকটকে গোলাপ বাধা সঙ্গে বিশাল একটা টেডি বিয়ার। ততক্ষণে তোমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। আশেপাশে শয়েক প্রদীপ জ্বলছে। প্রদীপের শিখাগুলো জানান দিচ্ছে আজ তোমার জন্মদিন।

তুমি আমার দেয়া টেডি বিয়ার টার মানে বুঝেছিলে ঠিকই। কিন্তু লাল গোলাপটার মানে বোঝো নি! কিছুদিন পর
তোমাকে এক বাক্যের একটা চিরকুট দিলাম-
“আমাকে তোর কাকের বাসার কাক বানাবি।”
বোকা তুমি! বাক্যটার মানে বোঝো নি।
অদরকারি ভেবে বইয়ের ভেতর ফেলে রেখেছিলে অবহেলায়!
তোমার বই ঘাটতে গিয়ে চিঠিটা আংকেলের হাতে পড়ে। বাক্যের মানেটা বুঝেছিলো তোমার বাবা!
সেদিন বিকেলে আমার মাথার হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল “”সব জায়গায় সাবাইকে মানায় না মা।”” তোমাদের বাড়িতে আসতেও বারণ করে দিলো। আমি কিছু একটা বলতে চাইলাম, তিনি শুনলেন না। তোমার মায়ের সাথে ভীষণ খারাপ ব্যবহার করলেন। তার ধারণা আন্টির কারণেই আমাদের অবাধ মেলামেশার সুযোগ হয়েছে। আমার ধারণা তোমার আমার যোগাযোগ বন্ধ হওয়ায় আমার থেকে তোমারই বেশী কষ্ট হচ্ছিলো। আংকেল না থাকলে আমি তোমাদের বাসায় যেতাম। প্রথমে আন্টি কিছু না বললেও পরে তিনিও সরাসরি বাসায় আসতে না করেন। অবশ্য তার দোষ নেই। আমিই তো তার বিশ্বাস ভেঙ্গেছি।

এরপর থেকে লুকিয়ে দেখা করতাম। এবার আর কাগজ নয় কন্ঠ দিয়ে জানালাম আমি তোমায় কত বেশী ভালোবাসি। তুমি বললে আমায় কখনো ওই চোখে দেখো না বন্ধুর চোখে দেখো। কিন্তু তোমার চোখ বলছে এটা তোমার মনের কথা না। হয়তো ঘাবড়ে গিয়েছিলে। আমি খুব করে সেদিন বায়না করছিলাম “”প্লিজ একবার বলো আমায় ভালোবাসো””। তুমি কিছুতেই বললে না। মনে হচ্ছিলো বারবার বলতে গিয়েও থেমে যাচ্ছো। রীতিমত ব্ল্যাক মেইল শুরু করলাম “যদি না বলো ছাদ থেকে ফেলে দেব” হাতাহাতি শুরু হলো। আমি ঘুরণাক্ষরেও টের পাই নি আমি কি করছি…….বিশ্বাস কর আমি সত্যি সত্যি তোমায় ফেলতে চাই নি, চাই নি তো ……

তুমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে। সবাই সব জানে। দু জন প্রত্যক্ষদোষীও আছে।
তোমার বাবা “হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত” আইনে মামলা দায় করেছে। পুলিশ বললো তুমি আমার বিরুদ্ধে জবানবন্ধীও দিয়েছো………..

আমাকে জামিন করাতে অনেক কষ্ট হয়েছিলো। এই কষ্টটা করেছিলেন আমাদের কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক।

হাতাহাতির সময়ের তোমার বলা কিছু কথা আমার কানে বাজছে…..

“তোমার বাবা মা থেকেও তো না থাকার মতো। বাবা মার কষ্ট তুমি কি বুঝবা….তোমার কারনে অনেক কষ্ট পেয়েছে আব্বু আম্মু”।
“ভুলেও আমার ছায়া মারাবা না।”
“তোমার সমস্যা কি? চলা ফেরা ছেলেদের মত। মেয়ে হলে কবে থেকে?”
“কি করছো? ছাড়ো…..আব্বু­ ঠিকই বলছে তুমি একটা নষ্ট মেয়ে”।

আমি আস্তে আস্তে আগাচ্ছি …….. সাথে কিছুই নেই।
নদীর ঘাটে গেলাম অনেক নৌকা বাধা। একটা নিলেই হলো। মাঝ নদীতে গিয়ে বসে ছিলাম অনেকক্ষণ। মৃত্যুর সময়টা ঘনিয়ে আসছে। আমি তৈরি প্রায়…..অনাকাঙ্খি­ত ভাবে ফোনটা বেজে উঠল…….এটা যে সাথে আছে জানা ছিলো না। ফোনটা হাতে নিলাম তোমার ছবিটা ভাসছে ক্রীনে। চোখ দিয়ে টপটপ করে কয়েক ফোটা মূল্যহীন তরল পদার্থ ঝড়ে গেলো।
ভালই হলো মরার সময় তোমার কন্ঠের প্রতিধ্বনি শুনতে পাব!
ফোনটা রিসিভ করে পাশে রাখলাম। লাউড স্পিকার। আমি কোন শব্দ করি নি তুমিই তো ওপাশ থেকে সর্বস্ব দিয়ে চিৎকার করছিলে

“হ্যালো হ্যালো
হ্যালো এনি প্লিজ কথা বলো প্লিজ।
তোমার সাথে জরুরি কথা আছে।
ততক্ষণে আমার দেহটাকে জল ধীরে ধীরে গ্রাস করে নিচ্ছে।
তোমার কন্ঠ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে
“হ্যালো কথা বলো প্লিজ। আমার কিছু বলার আছে।”
হুমম এখন শুধু নৌকাটা থেকে হাত সরাবার পালা। ছাড়তে গিয়েও একবার ভুল করে আকড়ে ধরেছিলাম। হাত দুটো সরিয়ে নিলাম……

প্রথম কয়েক সেকেন্ড তেমন কষ্ট হয় নি আমার। তবে সময়ের ব্যবধানে হাত পা ঝাপটানো শুরু করলাম বাঁচার জন্য কিন্তু আমার মন একবারও ঝাপটায় নি বাঁচার জন্য।
আমার ডুবতে বোধয় মুহূর্ত কয়েক বাকি।
নৌকাটা ধীরে ধীরে মৃদু ধুলতে ধুলতে অনেক দূর চলে গেছে। তুমি তখনও চিৎকার করছো…..

শূন্যে আমার কন্ঠস্বর খুচ্ছো।
হঠ্যাৎ একটা বাক্য ভাসা ভাসা আমার কানে এলো “” তুই আমার কাক হবি? প্লিজ বল না……আমি তোকে খুব ভালোবাসিরে …..ওরা সবাই তোকে মিথ্যা বলেছে….আমি তোর নামে জবাববন্ধী দেই নি। তুই তো আমায় ভালোবাসিস….তুই কেনো আমাকে খুন করবি?””
বাক্যগুলো অর্ধ মৃত মস্তিষ্কে ঘুরপাক খাচ্ছে। আমার বাঁচতে ইচ্ছে করছে…… ভীষণ! কখনো তো এতো বাঁচতে ইচ্ছে করেনি!
শেষবারের মতো দেহের সর্বশক্তি দিয়ে বাঁচতে চেয়ে ছিলাম। নৌকাটা আমার দিকে ভীড়বে এই মরিচিকার টানে ভেসে যাওয়া নৌকাটার দিকে হাত বাড়িয়েছিলাম…..নৌ­কাটা শুধু দূরেই চলে গেল………..

তোমার সাথে প্রতি বছর এখানো আমার দেখা হয়। কেন আস? কেন এই মাটির স্তুপটার দিকে এভাবে তাকাও? কই আমার দিকে তো এভাবে কখন তাকাও নি। কেনো চোখের জলে স্নান করো?

আমার হাজার আহাজারি আজ আর তোমার কানে পৌঁছাবে না।

যমুনার কালো জলে আমার প্রেম তেষ্টা মেটে নি। কখনো মিটবেও না।

সম্পর্কিত পোস্ট

অঘোষিত মায়া

অঘোষিত মায়া

বইয়ের প্রিভিউ ,, বই : অঘোষিত মায়া লেখক :মাহবুবা শাওলীন স্বপ্নিল . ১.প্রিয়জনের মায়ায় আটকানোর ক্ষমতা সবার থাকে না। ২.মানুষ কখনো প্রয়োজনীয় কথা অন্যদের জানাতে ভুল করে না। তবে অপ্রয়োজনীয় কথা মানুষ না জানাতে চাইলেও কীভাবে যেন কেউ না কেউ জেনে যায়। ৩. জগতে দুই ধরণের মানুষ...

আমার জামি

আমার জামি

জান্নাতুল না'ঈমা জীবনের খাতায় রোজ রোজ হাজারো গল্প জমা হয়। কিছু গল্প ব্যর্থতার,কিছু গল্প সফলতার। কিছু আনন্দের,কিছু বা হতাশার। গল্প যেমনই হোক,আমরা ইরেজার দিয়ে সেটা মুছে ফেলতে পারি না। চলার পথে ফ্ল্যাশব্যাক হয়। অতীতটা মুহূর্তেই জোনাই পরীর ডানার মতো জ্বলজ্বলিয়ে নাচতে...

ভাইয়া

ভাইয়া

ভাইয়া! আবেগের এক সিক্ত ছোঁয়া, ভালবাসার এক উদ্দীপনা, ভাইয়া! ভুলের মাঝে ভুল কে খোঁজা, আর ভালবাসার মাঝে ভাইকে খোঁজা, দুটোই এক কথা! ভুল তো ভুল ই তার মাঝে ভুল কে খোঁজা যেমন মূর্খতা বা বোকামি। ঠিক তেমনি ভালবাসার মাঝে ভাইকে খোজাও মূর্খতা! আমার কাছে ভাইয়া শব্দটাই ভালবাসার...

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *