জাফলং ভ্রমন
প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০১৮
লেখকঃ

 183 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

কাজী_মো :_আব্দুল্লাহ

বাংলাদেশ আমার দেশ । প্রিয় জন্মভূমি। এ দেশের প্রতিটা ফসলের সবুজ ভূমি যেনো চোখ জুরিয়ে যায় , ঢেউ খেলানো নদী আর উঁচু উঁচু পাহার , গ্রামের মাঝ দিয়ে চলে গেছে আঁকাবাকা মেঠো পথ , এই সব মিলিয়েই হয়েছে আমার প্রিয় মাতৃভূমি । এ দেশের যে দিকেই তাকাই যেনো মুগ্ধতায় চুখ ফেরাতে পারি না । তাই আমি মাঝে মাঝে ভ্রমণ সঙ্গী নিয়ে বেরিয়ে পরি এই দেশের সৌন্দর্যটাকে উপভোগ করতে । তখন ২০১৭ সালের শীতকাল । আমি আমার ক্লাসের এক বন্ধুর সাথে পরামর্শ করে ঠিক করলাম জাফলং যাবো এবং খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা আমি করবো। আগামীকাল সকাল ০৭:০০ মধ্যেই বেরিয়ে পরবো জাফলং এর উদ্যাশে এই বলেই ওই দিনের মতো মুফিজ এর সাথে কথা শেষ হলো । হ্যাঁ, মুফিজ ই আমার ভ্রমণ সঙ্গী । কথা মতো সকাল ০৬:৩০ এ আমার মোবাইলে কল এসেছে, অপাশ থেকে মুফিজ বলে উঠলো কোথায় তুমি বেরিয়ে পরেছো কী ? আমি বললাম এইতো প্রস্তুত বেরিয়ে পরছি , বলে মোবাইলটা রাখলাম , ঠিক ০৭:০০ টার ভিতরে রাস্তায় পৌছে গেলাম , ইতিমধ্যেই মুফিজ ও এসে পৌছালো । আমরা দুজনেই বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, সামান্য কিছু সময়ের মধ্যেই বাস পেয়ে গেলাম জাফলং এর ।যেতে সময় সারি নদী এবং রাজা গরগবিন্দ এর বিচার কার্যালয়টা পরিদর্শন করে গেলাম। জৈন্তা বাজার পারি দেওয়ার পর শুরু হলো সিলেটের ঐতিহ্যবাহি চা বাগান। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে দেখতে পৌছে গেলাম গন্তব্যস্থলে। আমাদের পৌছাতে সময় লাগলো প্রায় ০২:০০ ঘন্টার মতো । পৌছেই সামান্য নাস্তা করে নিলাম , এরপর হাটতে শুরু করলাম জাফলং জিরো পয়েন্টের উদ্যেশে , পথিমধ্যে ১ জনকে জিজ্ঞাসা করলাম কোন দিকে গেলে ভালো হবে। সেই অনুযায়ী চলতে লাগলাম প্রায় ১৫ মিনিট পর জিরো পয়েন্ট পৌছালাম । গিয়ে দেখলাম মানুষের অনেক ভির কিন্তু সেখানকার দৃশ্যটা দেখে খুব বেশি মুগ্ধ হয়েছিলাম এবং মনে মনে আল্লাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললাম । মুফিজ বললছিলো যে তার ও খুব ভালো লাগছিলো এরকম জায়গায় এসে । সেখানকার এক স্থানীয় ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করে জানলাম ভারত থেকে আসা নদীটির নাম পিয়াইন নদী । আমরা দুজনেই নৌকাযোগে নদীর ঐ পাশের গ্রামটাতে ঘুরতে যাই , আগে শুনেছিলাম যে ঐখানে চাকমারা থাকে তাই একটু বেশি আগ্রহ নিয়েই গিয়েছিলাম দেখতে। যাওয়ার পর দেখি তাদের চলাফেরা কাপড় সবই ভিন্ন রকমের, যদিও চাকমাদের সম্পর্কে বইয়ে পড়েছি । তাদের বাশের দুতলা ঘর খুব বেশি মুগ্ধ হই আমি আর মুফিজ । তাদের ঐ গ্রামে কিছু ফটো ফ্রেমে আবদ্ধ হই আমরা দুজনে । এরপর আমরা ফিরে আসি বাজারে । বাজারে আসার পর একসাথে যোহর ও আসর এর নামাজ কছর করে আদায় করি । এরপর আমার এক ভাইয়ের বাসায় গিয়ে আমাদের খাওয়ার পর্ব শেষ করি । সেখান থেকে মাগরিব এর নামাজ আদায় করে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পরি । এরপর আমরা আমাদের সেই চিরচেনা শহরের দিকে রওয়ানা দেই যদি মন চাইছিলো না তবে কিছু করার ও ছিলোনা । আমাদের কে তো ফিরতে হবেই । অবশেষে রাত ১০:০০ টায় বাড়িতে ফিরলাম । এই ভ্রমণের মূহুর্তগুলো সারাজীবন স্মৃতির পাতায় ভেসে থাকবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৪ Comments

  1. আফরোজা আক্তার ইতি

    ভালো লিখেছেন। তবে কাহিনীটা আরেকটু বড় করলে ভালো হত। মূল যেই গন্তব্য সেই জাফলংকে নিয়ে আরো কিছু বর্ণনা দিলে ভালো হত, তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সেখানকার খাবার, মানুষ তাদের চালচলন এসব নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত থাকলে আমরাও ধারণা পেতাম। আপনি অন্যান্য দিকে হাইলাইট বেশি করে ফেলেছেন।
    তবুও অনেক সুন্দর হয়েছে। ভালো লাগল পড়ে। আমাদের দেশটা কতই না সুন্দর!
    বানানে বেশ কিছু ভুল আছে, সংশোধন করে দেই।
    চুখ- চোখ।
    উদ্যাশে- উদ্দেশ্যে।
    পৌছে- পৌঁছে।
    পারি- পাড়ি।
    ঐতিহ্যবাহি- ঐতিহ্যবাহী।
    ভির- ভিড়।
    বললছিলো- বলছিলো
    তার ও- তারও।
    দুতলা- দোতলা/দু’তলা।
    দুতলা ঘর খুব বেশি মুগ্ধ হই।- দোতলা ঘর দেখে* খুব বেশি মুগ্ধ হই।
    অশেষ শুভ কামনা রইল।

    Reply
  2. Tasnim Rime

    বর্ণনা খুব সাবলীল ছিল কিন্তু বেশ কিছু বাক্য গঠনে সমস্যা দেখা গেছে যার জন্য মনের ভাবটা ঠিক মতো প্রকাশ পায় নাই। অার বানান ভুলের প্রতি সতর্ক থাকা উচিত। অামি যেগুলো ভুল মনে করেছি তার কয়েকটা এখানে তুলে ধরেছি দেখে নিবেন,
    জুরিয়ে-জুড়িয়ে
    পাহার- পাহাড়
    অাঁকাবাকা – অাঁকাবাঁকা
    চুখ- চোখ
    উদ্যাশে- উদ্দেশ্যে
    অপাশ- ওপাশ
    ……প্রস্তুত বেরিয়ে পরছি ( লাইনটা সামঞ্জস্যহীন)
    পৌছে, পৌছাল- পৌঁছান জাতীয় শব্দে ঁ হয়।
    যেতে সময়- যাবার সময়
    ঐতিহ্যবাহি- ঐতিহ্যবাহী
    হাটতে- হাঁটতে
    বাশের দুতলা- বাঁশের দোতলা
    ঘর খুব বেশি- ঘর দেখে খুব বেশি ( বাক্য গঠনে কিছুটা সমস্যা অাছে)
    যদি মন চাইছিল না- যদিও মন চাইছিল না।

    Reply
  3. Naeemul Islam Gulzar

    খুব সুন্দর সরল বর্ণনা।ভালো লেগেছে।শুভকামনা♥

    Reply
  4. shahrulislamsayem@gmail.com

    গল্পটা কেমন যেন অসম্পুরন মনে হল, আর কাহিনির কিছু কিছু জায়গা অস্পষ্টও রয়েছে আর সেই সাথে আছে বানান ভুল আছে
    জুরিয়ে -জুড়িয়ে/পাহার -পাহাড়/চুখ -চোখ/পরি -পরি/অপাশ -ওপাশ/পরেছো -পড়েছ/পারি- পাড়ি/ঐতিহ্যবাহি – ঐতিহ্যবাহী/ভির -ভিড়/বাশের -বাঁশের

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *