ছাত্র আন্দোলন
প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০১৮
লেখকঃ আওয়ার ক্যানভাস

আওয়ার ক্যানভাস বই প্রেমীদের মিলন মেলা। লেখকদের লেখা পাঠকের কাছে বই আকারে পৌঁছে দেওয়া, আওয়ার ক্যানভাসের সাথে জড়িতদের সম্মানজনক জীবিকার ব্যবস্থা করার স্বপ্ন নিয়েই আমাদের পথ চলা।

 227 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ আওয়ার ক্যানভাস

writer: Nafis Intehab Nazmul (উন্মাদ এলিয়েন)
প্রত্যেকটা দেশের মত আমাদেরও ইতিহাসে দখল আছে। আছে কিংবদন্তী। এ দেশের ইতিহাস গড়ার প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য অংশ ছাত্র আন্দোলন । যে দৃষ্টিকোণ থেকেই হোক ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা অস্বীকার করে কেউ ইতিহাস লিখতে পারবে না। দেশ স্বাধীনের আগে–পরে সর্বক্ষেত্রেই ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
শুধু আমাদের দেশেই নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছাত্র আন্দোলনের সফলতার ইতিহাস আছে— ১৯৪৮ সালে জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার বিপ্লবের মূলশক্তি ছিল ছাত্র সমাজ। ‘জার’ আমলে রাশিয়ায় ছাত্ররাই বিভিন্ন বিপ্লবী আন্দোলনের সূচনা ঘটায়। ১৯৫৫ সালে আর্জেন্টিনায়, ১৯৫৮ সালে ভেনিজুয়েলায়, ১৯৬০ সালে কোরিয়ায় ছাত্র সমাজ পালন করে ঐতিহাসিক ভূমিকা। ১৯৬৪ সালে দ. ভিয়েতনাম ও বলিভিয়ার ক্ষেত্রেও জাতীয় সংকটে ছাত্র সমাজের অবদান ইতিহাসে ছাত্র আন্দোলনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবেই বিবেচিত হয়।
আমাদের দেশে ছাত্র আন্দোলনের সূচনা হয় ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে। তখনকার আন্দোলন শুধু ছাত্রদের প্রয়োজনেই সীমাবদ্ধ ছিলো। ১৯৪৭ সালে ভারত–পাকিস্তান স্বাধীনের পর থেকে আন্দোলনের ধারা উপরে উঠতে থাকে।
প্রকাশ্য আন্দোলনের সূচনা হয় ১৯৫২ ‘র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার এক ভাষণে বলেন “urdu and only urdu will be the state language of pakistan”। জিন্নাহ সাহেবের মৃত্যুর পর লিয়াকত আলী খান ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার এক জনসভায় বলেন ” উর্দূই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”। এতে রাজপথ উত্তপ্ত হয়। ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়। ‘ সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ‘ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাস্তায় নামে। পুলিশ গুলি চালালে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ অনেকেই শহীদ হয়।
রফিক জব্বারদের মত ছাত্রদের জীবনের বিনিময়ে এ দেশে সফল আন্দোলনের সূচনা হয়।
সালামদের আন্দোলন এ দেশে দাবি আদায়ের একটা পথ তৈরী করে দেয়। ৫২’র রেশ ধরে আজ অব্দি আন্দোলনের ধারা চালু রয়েছে।
৫২’র পর থেকে এই পর্যন্ত ছাত্রদের সর্বাধিক আলোচিত আন্দোলনগুলো হলো—
১৯৬২ সালে পাকিস্তানি শাসনতন্ত্র বাতিল, পূর্ণ গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং হোসেন সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিব সহ অন্যান্য রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্র আন্দোলন চাঙ্গা হয়ে উঠে।
একই বছর শিক্ষা আন্দোলনেও বাংলার ছাত্র–সমাজের ভূমিকা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৬৮ সালে জানুয়ারি মাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিব সহ ৩৫ জনকে আসামি করে গ্রেফতার করে। এতে ছাত্রসমাজ ১১ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করলে তা গনঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রামেও ছাত্ররা যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে।
১৯৯০ সালে সৈরাচার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা আন্দোলনে নামে। অবশেষে সরকার পদত্যাগ করে।
২০০২ সালের ২২ জুলাই দিবাগত রাত ১ টায় শামসুন্নাহার হলে ছাত্রীদের ওপর রাতের অন্ধকারে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলনে উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন৷
২০০৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় চার শিক্ষক ও আট শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আটক হন আট শিক্ষক, এক কর্মকর্তা। ২০০৮ সালে ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে সকল ছাত্র শিক্ষককে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
২০১০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত বেতন প্রত্যাহারের জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।
২০১৪ সালে বর্ধিত ফি প্রত্যাহার ও চালুকৃত সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্স বন্ধের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন শুরু হয়।
২ রা ফেব্রুয়ারী পুলিশ আন্দোলনকারীদের উপর গুলি ছোড়ে এবং অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়।
২০১৫ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্ধিত ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবীতে আন্দোলন।
টিউশন ফি এর উপর ৭% ভ্যাট প্রত্যাহারে আন্দোলন বেগবান হলে সরকার ভ্যাট প্রত্যাহারে বাধ্য হয়।
চলতি বছরে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়ে চলতেই আছে। হয়তোবা সফলতা আসবে!
দেশ স্বাধীনের পর যে কয়টা আন্দোলন হয়েছে, তন্মধ্যে চলতি বছরের “নিরাপদ সড়ক চাই” আন্দোলন ছিলো চোখ ধাঁধানো। এইচএসসি লেভেলের ছাত্ররা ঝড়–বৃষ্টির মধ্যেও ছাতা মাথায় সুষ্ঠু আন্দোলন করে গেছে।
প্রশাসনের দুর্বলতা গুলোকে আঙুল তুলে দেখিয়ে গেছে।
ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর থেকে রাজধানীজুড়ে এবং রাজধানীর বাইরেও শিক্ষার্থীরাআন্দোলন করেছে। সাধারন চালকদের পাশাপাশি সরকারের আমলা, এমপি, মন্ত্রী, পুলিশসহ বহু সরকারি কর্মকর্তাকে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও ৯ দফা দাবি নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে খবর প্রকাশ করা হয়। এখানেও ছাত্ররা সফল হয়।
এগুলো ছিলো ছাত্র সমাজের সফল আন্দোলন। এ সমস্ত আন্দোলনে কারা নেতৃত্বের আসনে ছিল, তাদের বৈশিষ্ট্য কী ছিলো— তা জানা দরকার।
আরো একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, শুরু থেকেই আন্দোলনের পাশাপাশি ছাত্ররা রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিল।
বিশেষ করে আন্দোলন শুরুর সময়ে ছাত্র রাজনীতির উন্মেষ ঘটেছিল প্রগতিশীল দর্শন হিসেবে, জীবনবোধ ও সৃজনশীলতা তৈরির অনুঘটক হিসেবে কাজ করার জন্য। সেই আমলে ছাত্রদের রাজনীতি ও আন্দোলন করার মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় স্বার্থরক্ষা এবং অধিকার সচেতনতা ছিল। দেশ ও দেশের মানুষের স্বাধিকার ও অধিকার আদায়ের তীব্র বাসনা কাজ করত ছাত্রদের মধ্যে। বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে তাদের মধ্যে তীব্র আবেগ কাজ করত। যেই আবেগ দিয়ে তারা পরবর্তীতেও তথাকথিত পশ্চিমা শিক্ষিতদের কূটকৌশল, সশস্ত্র পাকিস্তানিদের শোষণ আর স্বৈরাচার সামরিক শাসকের হুংকারকে পরাজিত করতে পেরেছিল।
দেশ স্বাধীনের পর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতিতে চাঁদাবাজি-টেন্ড
ারবাজি ও দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নের দূষণ পরিলক্ষিত হয়নি। সবচেয়ে মেধাবী ছাত্ররাই নেতৃত্বে আসতেন এবং তারা সমাজে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা ও সম্মান পেতেন। ব্যক্তিস্বার্থ বা আর্থিক সুবিধার জন্য কেউ ছাত্র রাজনীতি করতেন না।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ছাত্র রাজনীতি আমাদের দেশ ও জনগণের সামনে দেখা দিয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে। জনগণ এখন আর ছাত্র নেতাদের আগের মতো সম্মান করে না। ছাত্র রাজনীতিকেও জনগণ সহজভাবে ও ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে না। জনগণ ছাত্র রাজনীতির প্রতি ভীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠেছে। এর কারণ কী?
৯০’র পর থেকে দেশে বহুদলীয় রাজনীতির প্রভাব পড়লে ছাত্রসমাজ হয়ে পড়ে লেজুড়ভিত্তিক অঙ্গসংগঠন। ছাত্রদের মধ্যে দেখা দেয় মতানৈক্য আর শুরু হয় প্রতিহিংসার রাজনীতি।
সালাম বরকতদের অন্তরে ছিলো দেশপ্রেম।আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিলো দেশকে শোষণমুক্তকরন। হাতিয়ার ছিলো বই–খাতা।
কিন্তু, ৯০’র পর থেকে এই পর্যন্ত ছাত্রদের অন্তরে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল। উদ্দেশ্য নিজের স্বার্থ হাসিল করা। আর হাতিয়ার হল— মদ-গাঁজা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ভাড়ায় শক্তি প্রদর্শন, মাদক বাণিজ্য, ভর্তি বাণিজ্য, হলে সিট বাণিজ্য, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, কাটা রাইফেল, রিভলবার। এগুলোর পরে যদি সম্ভব হয় তাহলে কিছুটা লেখাপড়া আর নামকাওয়াস্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শুধু ছাত্রত্ব ধরে রাখার জন্য। তাও নাকি বর্তমান সময়ের ছাত্রনেতারা নিয়মিত করেন না। যথাসময়ে পাস করে বের হয়ে গেলে নাকি পদ-পদবিপ্রাপ্ত নেতা হওয়া যায় না। যারা বর্তমান ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্বে রয়েছে, তাদের প্রথমেই হতে হবে অপেক্ষাকৃত মেধাশূন্য অথবা ভান করতে হবে কিছুই জানে না এমন, হতে হবে ভালো চামচা, থাকতে হবে পেশিশক্তি ও সন্ত্রাস সৃষ্টির সামর্থ্য। এগুলো থাকলেই উপরের আশীর্বাদ পাওয়া যাবে এবং ‘উজ্জ্বল’ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা মিলবে।
বর্তমানে যে সমস্ত আন্দোলন গুলো চলছে, সেগুলোর অধিকাংশই চলছে কোন একটা দল কে কেন্দ্র করে। দেশের স্বার্থে নয়। আজকের ছাত্ররা ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্রশিবির সহ বিভিন্ন দলে বিভক্ত । ঐ সব দল আবার বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত । এই দলে দলে,আবার কখনো উপদলে উপদলে দন্দ, মারামারি, খুনাখুনিতে লিপ্ত হয় । পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায়, ‘’আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে শিবিরের দুই কর্মী নিহত, অথবা লীগের দুই কর্মী নিহত।‘’ কারন কি? আধিপত্য বিস্তার । খুব সম্প্রতি যে চিত্রটা চোখে পড়ছে তা হল,ব্যাক্তিগত ঝগড়ার সুত্র ধরে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অন্যটির সংঘর্ষ । প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রায় একই চিত্র চোখে পড়ে । যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করবে। সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি, কালোবাজারিসহ সকল অন্ধকার থেকে মুক্তির পথ দেখাবে সাধারণ মানুষকে । জাগিয়ে তুলবে মাথা উচু করার স্পর্ধা, বিশ্বের দরবারে । সেখানে তারা ব্যাক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধি করতে— ক্ষমতা দখলের খেলায় উন্মাদ হয়ে আছে ।
এটাই কারন, যার জন্য ছাত্ররা সম্মান হারিয়েছে। আস্থা – ভরসা সব হারিয়েছে।
তবে, ছাত্রদের এমন অস্থিতিশীল অবস্থার পরেও ২০১৮ এর “কোটা আন্দোলন” এবং “নিরাপদ সড়ক চাই” আন্দোলনের দিকে তাকালে বুঝা যায়— ছাত্রসমাজ একেবারেই ধ্বংস হয়ে যায়নি। প্রয়োজনে আবারও গর্জে উঠবে বরকতদের মত।
কিন্ত, তিন দশক ধরে ছাত্ররা অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করে নিজেদের সম্মান যেভাবে হারিয়েছে, সেটা অর্জন করা এতটা সহজ নয়।
৫২, ৬২, ৬৮, এবং ৭১’র ছাত্র সৈনিকদের মত সম্মান মর্যাদা অর্জন করতে হলে ফিরে যেতে হবে তাদের আদর্শে। আন্দোলন গুলো কোন দল কেন্দ্রিক নয়— ছাত্রদের আন্দোলন হবে একমাত্র দেশের স্বার্থে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য।
এই দেশ সাফল্যের মুখ দেখেছে ছাত্রদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এই দেশ প্রতিটা সংকটে তাকিয়ে থাকবে ছাত্রদের দিকে।
কিন্তু জাতির ভবিষ্যৎ এই ছাত্ররা যদি নিজেরাই সংকট তৈরী করে, তাহলে……….
..।

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৩ Comments

  1. Naeemul Islam Gulzar

    চমৎকার তথ্যবহুল প্রবন্ধ।তবে অসম্পূর্ণ মনে হয়েছে।শেষের লাইন দ্বারা লেখক কি বুঝিয়েছেন সেটা আমি বুঝি নি????।শুভকামনা♥

    Reply
  2. Parvej Mosharof

    ছাত্ররা হচ্ছে ছাত্র। তারা শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করছে। রাজনীতি সম্পূর্ণ আলাদা ব্যপার। ছাত্ররা কেনো রাজনীতিতে অংশ নিবে?

    Reply
  3. Rifat

    দন্দ — দ্বন্দ
    সুত্র — সূত্র
    ছাত্র আন্দোলনের গুরুত্ব দেখিয়ে খুব সুন্দরভাবে প্রবন্ধটি লেখা হয়েছে। আজকের ছাত্ররাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।
    ইতিহাস সাক্ষী আছে দেশের খারাপ সময়গুলোতে ছাত্রারাই এগিয়ে এসেছে।
    শুভ কামনা।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *