চেনা চেনা মুখ
প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০১৮
লেখকঃ

 43 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখক : জাকারিয়া আল হোসাইন।  জুলাই, ১৮।

আজ সকাল থেকেই আকাশটা মেঘ মেঘ
কিন্তু বৃষ্টি নেই। প্রতিদিনের মত আজও
স্কুল ছুটি হলো। গাড়ি নিয়ে শহরের ভিতর
দিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন কক্সবাজার জেলা
মডেল কলেজের সাংস্কৃতিক বিভাগের
শিক্ষক ড. ইকবাল কবির। ‘ভাই দ্রুত একটু
গাড়িটা ড্রাইভ কর কেননা একটু পরেই
জ্যাম লেগে যেতে পারে’ ড্রাইভারকে
লক্ষ করে বললেন ড. ইকবাল কবির। সামনে
এগুতেই পড়ে গেলো জ্যামের মধ্যে। এদিক
ওদিক তাঁকিয়ে দেখলেন ড. কবির। যে
জ্যাম বোধ হয় তিন ঘণ্টা যাবে আজ বাড়ি
পৌঁছতে। গাড়ি ব্যাক করারও কোন উপায়
নেই। তাই আর কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে
ব্যাগ থেকে একটা ম্যাগাজিন বের করে
চোখ বুলাতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর তার
চোখ পড়লো বাইরে দুরের এক বড় কাপড়ের
দোকানের দিকে। কিন্তু একি! ১২-১৩
বছরের একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে
দোকানটির দিকে। কি যেন দেখছে। ঘাড়ে
একটা ছোট্ট টোপলা আর পড়নে একটা লাল
প্যান্ট ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে হয়
শহরের টোকাই বাচ্চাদের কেউ হবে। মনে
মনে ভাবলেন ড. ইকবাল কবির। সামনের
গাড়িগুলো একটু এগিয়ে যাওয়া ড্রাইভারও
গাড়িটা একটু সামনে নিলো। চোখ উপরে
তুলতেই ড. কবির সাহেব এখন ছেলেটিকে খুব
কাছ থেকে দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু
ছেলেটি তাঁকিয়ে আছে দোকানের
দিকে। কি দেখছে? এবার ভালো করে
বোঝা যাচ্ছে। দোকানের সামনে
রাবারের তৈরি মানুষের মত যে পুতুল গুলো
দেখা যাচ্ছে। ছেলেটি সেই পুতুলগুলোর
দিকে তাঁকাচ্ছে। পুতুলগুলো দেখতে বেশ
মানুষের মত। শার্ট ও প্যাণ্ট আছে সেগুলোর
পড়নে।
পাশের একটা গাড়ি হুইচেল দেওয়াতে
ছেলেটা এদিকে তাঁকালো। এখন স্পষ্ট
দেখা যাচ্ছে ছেলেটার চেহারা।
ছেলেটা চেহারার গড়ন দেকে তো টোকাই
টোকাই মনে হচ্ছে না। কোথায় যেন
দেখেছি। ডাকবো কী? না থাক। অযথা
ডেকে লাভ কী, যদি টাকা পয়সা চেয়ে
বসে, বেকার টাকা খরচ। মনে মনে চিন্তা
করতে লাগলেন ড. ইকবাল কবির।
ততক্ষণে বিকেল ৩টা বেঁজে গেছে।
ছেলেটা কে? কোথায় দেখেছি? এ
চিন্তাই যেন বারবার খোরপাক খাচ্ছে
তার মাথায়। জ্যামের যে অবস্থা গাড়ি
ছাড়ার সম্ভাবনাও খুব কম। কি যে করি –
আবার একবার ওদিকে তাঁকাতেই দেখে
ছেলেটি নেই। ওহ্ সিট! বলে হাতের
ম্যাগাজিনটা দিলো এক আছাড়। সামনের
একটু জ্যাম খুলতেই গাড়িটি টান দিলো
ড্রাইভার। কিন্তু না! আবারও জ্যাম। কি
যেন একটা পঁচা পঁচা গন্ধ আসছে। হয়তো
কোন ময়লার স্তুব থেকে। একবারে অসহ্য।
তাই জানালার কাঁচটা উপরে উঠে নিলেন।
এয়ার ফ্রেস দিয়ে গাড়ির ভিতরটাও
গন্ধমুক্ত করলেন ড. ইকবাল কবির। কিন্তু এ
কি! বাইরে তাঁকাতেই চোখ পড়লো স্তুবের
দিকে। সেখানে বসে আছে ঐ ছেলেটি। কি যেন কুড়াচ্ছে আর মুখে
দিচ্ছে। , জ্যামের অবস্থা খুব খারাব।
সবাই গাড়ির স্টার্ড বন্ধ করছে।এখন কী
করবো? পাশ থেকে বলল গাড়ির ড্রাইভার।
তাহলে বন্ধ কর। কি আর করার। সবার যা
হবে আমাদেরও তাই হবে। শান্ত গলায়
বললেন ড. কবির সাহেব।
ড. ইকবাল কবির যদিও অনেক ব্যস্ত এবং
অর্থ সম্পদের মালিক তবু তার মনে একটুও
ক্লান্তি আর অহংকার বোধ নেই। খুব
সাদাসিধে বললেও ভুল হবে না। দয়ালু এবং
দানবীরও বটে।
ছেলেটিকে একটা ডাক দেই। দেখিতো কী
হয়। ছেলেটিকে দেখে খুব যেন মায়া
লাগছে তার।গাড়ির কাঁচটাও নেমে
নিলো।অবশেষে মনের জড়তা ঝেড়ে ফেলে
শান্ত গলায় ‘এই যে বাবু, শুনছো কী?’ বলে
ছেলেটিকে ডাক দিলো। অমনি ছেলেটি
চট করে দাড়িয়ে গেলো। এই দিকে একটু
আস তো। ছেলেটি তখন আস্তে আস্তে তার
দিকে আসতে লাগলো। ছেলেটার হাঁটন
ভঙ্গি দেখে যেন মনে হচ্ছে কোথাও
দেখেছি। কিন্তু কোথায় ? কিছুই মনে
পড়ছে না তার। ততক্ষণে ছেলেটি গাড়ির
কাছে পৌঁছে গেছে। মাথা ঘুরাতেই
ছেলেটি সালাম দিলো।
: আচ্ছালামু আলাইকুম। স্যার, আমারে
ডাকিছেন?
: ওয়া আলাইকুম আচ্ছালাম। হ্যা,
তোমাকেই ডেকেছি।
এত স্টানডার একটা ছেলে।সালাম দিচ্ছে।
আবার এভাবে ঘুরাঘুরি করছে। তাহলে
সমস্যাটা কী? আর সালামটাও কেন যেন
চেনা চেনা লাগছে। ভাবনায় পড়ে গেলেন
ড. কবির সাহেব। না, এভাবে ভাবলে তো
আর চলবে না। ছেলেটি কে এবং কেন
এখানে? জানতে হবে। দেখি কয়েকটা
প্রশ্ন করা যাক।
: তোমার নাম কী বাবু?
: খালিদ ইমরান।কিন্তু পাড়ার সবাই ইমরান
নামে চিনতো।
: পাড়ার সবাই ইমরান নামে চিনতো।
মানেটা কী? সত্যিই তো দেখছি ভাবার ও
জানার বিষয়, মনে মনে ড. ইমরান কবির।
তো এখানে কী করছো?
: কি আর করার, একটু ঘুরাঘুরি করছি।
কথাগুলো যেন অনেক বড়লোকের
ছেলেমেয়েদের মত।
: এভাবে কেউ ঘুরাঘুরি করে?
: কেন করে না। সবাই তো করছে। আমিও
করছি।
‘কেন করে না।’ কথাটা যেন ড. কবিরের
মনে দোল খেয়ে গেলো। ঠিক এই ছেলেটির
মত বয়সের এক ছেলের মুখে অতীতে কোন
একদিন এরকম একটি কথা শুনেছিলেন
তিনি। তবে কথাটা ঠিক এরকম নয় একটু
আলাদা কিন্তু কথার সুরটা একই।
: তোমার বাসা কোথায়?
: পাশের একটা বিল্ডিংগের দিকে
তাঁকিয়ে বলল, বাসা ছিলো স্যার। এখন
নেই।
: এখন নেই মানে। তোমার আব্বা আম্মা
নেই।
: ছিলো স্যার, এখন নেই।
: এখন নেই, এখন নেই কী বলতে চাচ্ছো তুমি?
: কেন স্যার, যা সত্যি তাই। জীবনে
কোনদিন মিথ্যা কথা বলিনি।হয়তো
কোনদিন বলবোও না।
এতটুকু ছেলে। আর এত কথা জানে। কে এই
ছেলেটি? ছেলেটি যেন ভাবনায় ফেলে
দিলো ড. ইমরান কবিরকে।
কী খবর ড্রাইভার ভাই, জ্যামের অবস্থা
কী? অবস্থা ভালো না স্যার, বলল গাড়ির
ড্রাইভার।এখনো কেউ গাড়ি স্টার্ট
করেছেই না। আচ্ছা ঠিক আছে।
ছেলেটার কথাবার্তা আর কণ্ঠ

শুনে মনে হচ্ছে ছেলেটা যেন খুব কাছের
কেউ। হঠাৎ তার মনে হলো যে, তিনি
একবার এক প্রতিযোগিতামূলক ইসলামী
সাঃস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
ছিলো। সেখানে ছোট্ট একটা ছেলেকে
বলেছিলো যে, তুমি কী পারবে ? ছেলেটি
হাসিমুখে বলেছিলো, ‘জি, পারবো
ইনশাআল্লাহ্। কেন পারবো না।’
পরে ঐ ছেলেটিই সেই অনুষ্ঠানের
চ্যাম্পিয়ান এবং সেরাদের সেরা
হয়েছিলো। এ কি সেই ছেলেটা। না, এ
কেমন করে হবে। অনুষ্ঠানটা তো ছিলো
মিয়ানমারে। আর এটা তো বাংলাদেশ।
ততক্ষণে ঘড়িতে প্রায় ৪.৩০ বাঁজে।
কিন্তু তার কথার ভোকাল্ড শুনে মনে হচ্ছে
এটি যেন সেই ছেলেটি। যে গান গেয়ে
চ্যাম্পিয়ান হয়েছিলো। আবেক আর
কৌতহল মন নিয়ে আবার ছেলেটির দিকে।
: তুমি যে কিছুক্ষণ আগে বলেছিলা ‘ছিলো
স্যার, এখন নেই।’ এই কথাদুটোর অর্থটা কী?
একটু বলবা?
: অনেকেই তো বলি। আপনাক বললে আর কী
সমস্যা। জাস্ট একটু সময় লস। তো স্যার
শুনেন তাহলে,
এই যে বিল্ডিংটা দেখিতেছেন। ঠিক
এরকম একটা বাড়ি আছিলো আমাগো।
সেখানে আব্বু, আম্মি, বোন আর আমি
থাকতাম। বোনটা একটু একটু হাটতে
শিখেছে।আম্মি গৃহিনী। আর আব্বু ছোট
একটা চাকুরী করছিলো। সেদিন আব্বু একটু
অসুস্থ্য ছিলো। যার কারণে অফিসে
যাইতে পারে নাই। আমি পঞ্চম শ্রেনীতে
পড়ি। সকালে স্কুলে গেছিলাম। কিন্তু
বাড়ি এসে দেখি, শুধু আগুন আর আগুন।
এলাকার সবাই ছুটাছুটি করছে। কেউ একজন
বলল, ইমরান দ্রুত পালাও। আরোও আগুন
আসছে। তখন কোন কুল না পেয়ে ওদের
সাথে পালিয়ে আসি। দীর্ঘ ৯দিন
লেগেছে আসতে।
কোথায় এসেছি তাও জানি না। পরে
জানতে পারলাম যে, আমরা বাংলাদেশে
এসেছি।
: তোমার আব্বু, আম্মু, বোন?
: জানি না স্যার, বাড়িতে শুধু আগুন আর
আগুন দেখেছি। আর এদিকে অনেক খুঁজেছি
কিন্তু দেখা পাই নি।
বলতে বলতে কান্না শুরু করলো ছেলেটি।
: অর্থ্যাৎ তুমি তাহলে মিয়ানমার থেকে
এসেছো।
: জি স্যার।
সূত্র তো দেখছি মিলে যাচ্ছে। এই
ছেলেটি কি তাহলে সেই ছেলেটি যে
চেম্পিয়ান হয়েছিলো। মনে মনে ভাবতে
লাগলেন ড. ইমরান কবির সাহেব।
: তুমি কি গান বলতে পারো?
: জি স্যার। আমি ক্লাস যখন থ্রিতে, তখন
একবার বাংলা ইসলামী গান গেয়ে
চ্যাম্পিয়ান এবং সেরাদের সেরা
হয়েছিলাম।
ক্লাস থ্রিতে…এর মানে এখন সে পঞ্চম
শ্রেনীতে পড়ে। অর্থ্যাৎ দুই বছর আগে। দুই
বছর আগেই তো সেই অনুষ্ঠানটি হয়েছিলো।
: সেখানে বাংলাদেশের একজন বড়
ব্যক্তি গিয়েছিলেন।যিনি প্রধান অতিথি
ছিলেন। আমি তেনার খুব কাছ থেকে
পুরস্কার নিয়েছিলাম।
: টুকটুকে একটা লাল পাঞ্জাবী পড়ে গান
গেয়েছিলে?
: জি স্যার। কিন্তু-
: আর সেই অতিথি তোমাকে টুকটুকে ইমরান
বলে ডেকেছিলো?
: জি স্যার। কিন্তু আপনি জানেন কেমন
করে?
: (আনন্দে আত্মহারা হয়ে) আরে বোকা,
আমি সেই অতিথি ড. ইমরান কবির। আমি
অনেক আগেই তোমাকে চিনে ফেলেছি।
অমনি মাইক্রো থেকে বের হয়ে জড়ি ধরে
ছেলেটিকে ড. ইমরান সাহেব। ওদিকে
ড্রাইভার তো হতবাক। এ কি আজব কান্ড!
আর বলতে লাগলো, আমি তোমাকে অনেক
মিস করেছি। তোমার গানটি এখনো আমি
মনে মনে গাই। মনে মনে ভেবেছিলাম আর
যদি কোনদিন মিয়ানমারে যাই তাহলে
তোমাকে খুঁজে বের করে নেবো। কিন্তু
আল্লাহ্ আমাকে নিজ দেশেই তোমাকে
খুঁজে পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ্
তুমি আজ থেকে আমার কাছে আমাদের
বাড়িতে থাকবে। তোমার মত আমারও
দুইটা ছেলে আছে। আজ থেকে তাদের
সাথে হাসবে, খেলবে, গাইবে, ঘুরবে আর
আনন্দ করবে।
স্যার, তারাতারি গাড়িতে উঠেন জ্যাম
খুলেছে। ডেকে ডেকে বলল ড্রাইভার।
ওঠো ইমরান গাড়িতে ওঠো। দ্রুত বাসা
যেতে হবে। খুব খিদে পেয়েছে। কি আর
করার! কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে
গাড়িতে উঠলো চেনা চেনা মুখের সেই
লাল প্যান্ট আর ছোট্ট টোপলাওয়ালা
ছেলেটি।

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৫ Comments

  1. Parvej Mosharof

    গল্পটার গুছানোর ভঙ্গিটা ভালো লেগেছে। গুছানো পরিপাটি গল্প।

    Reply
  2. robiul hossain

    গল্পটা ভাল লেগেছে।

    Reply
  3. Anamika Rimjhim

    খারাব-খারাপ*
    হুইচেল-হুইসেল*
    স্টাড-স্টার্ট*
    চেম্পিয়ন-চ্যাম্পিয়ন*
    অসুস্থ্য-অসুস্থ
    ইত্যাদি বানান ভুল ও যতিচিহ্নের দিকে নজর দিতে হবে।গল্প ভাল ছিল।শুভ কামনা।

    Reply
  4. Jannatul Ferdousi

    মত→ মতো
    তাকিয়ে ববানানে চন্দ্রবিন্দু হবে না।

    তিন ঘন্টা যাবে→ ঘন্টা লাগবে।

    কি দেখছে? কী দেখছে?
    প্যাণ্ট→ ন হবে।

    পড়নে→ পরনে( পরিধানে র হয়)

    হাটতে→ হাঁটতে।

    অসুস্থ্য→ অসুস্থ

    পাই নি→ পাইনি।

    অর্থ্যাত→ অর্থাৎ

    বিল্ডিংগের→ বিল্ডিং-এর

    জি→ জ্বি

    চেম্পিয়ান→ চ্যাম্পিয়ন

    ….
    গল্পটা ভালোই তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু প্রাঞ্জলতা ছিল না। তবে আপননি যদি এভাবে লিখার চর্চা করে যান তবে ভালো লিখতে পারবেন একদিন। সে দিনের জন্য শুভ কামনা।

    Reply
  5. Halima Tus Sadia

    ভালোই লিখেছেন।
    তবে ছেলেটার জন্য খারাপ ও লাগলো।

    কোথায় থেকে কোথায় চলে আসছে।সময় কখন কাউকে কোথায় নিয়ে যায় বলতে পারে না।
    ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে, তবে ভালো হয়েছে।থাকার মতো জায়গা পেয়েছে।

    বানানে প্রচুর ভুল

    খারাব–খারাপ
    জি–জ্বী
    বিল্ডিংগের-বিল্ডিং
    তাঁকিয়ে–তাকিয়ে
    অসুস্হ্য–অসুস্থ্য
    চেম্পিয়ান–চ্যাম্পিয়ন
    স্টাড–স্টার্ট
    খোরপাক–ঘোরপাক
    কৌতহল–কৌতুহল
    আপনাক–আপনাকে
    জড়ি ধরে–জড়িয়ে ধরে
    দাড়িয়ে-দাঁড়িয়ে
    স্তব–স্তুুপ
    হ্যা–হ্যাঁ
    মত–মতো
    পাই নি–পাইনি

    জ্যামে বোধ হয় হয় তিন ঘন্টা যাবে—তিন ঘন্টা লাগবে হবে।

    এতো বানান ভুল হলে পাঠক পড়তে বিরক্তবোধ করে।
    গল্পের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
    শুভ কামনা রইলো।
    আরো ভালো গল্প দিবেন।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *