বয়কার্ট
প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০১৮
লেখকঃ

 87 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখা: রিনা আহসান

,

কাউন্টারে টিকিট কাটার ১০ মিনিট পর বাস চলে এলো। ৮.৩০ এর বাস। বাসে উঠে C2 নং সিট খুজে বসে পড়ল রফিক। বাস চলছে ৫ মিনিট হলো। হঠাৎ একটা শব্দে ফোনটা বেজে উঠল। রফিক ফোনটা রিসিভওও করল।
হ্যাঁ,মা আমি গাড়িতে। আচ্ছা ঠিক আছে, ঠিক আছে। তুমি টেনশন করো না।
কথা বলা শেষে রফিকের চোখে পড়ল তার পাশের সিটের জানালার পাশের লোকটা অদ্ভুত। আসা পর্যন্ত দেখছি এখনও পর্যন্ত জানালায় মুখ গুজে বসে আছে। একটা মানুষ যে তার পাশে এসে বসেছে সে টের পর্যন্ত পায় নি। নাকি মুখ ঘুরিয়ে দেখার প্রয়োজন বোধ করে নি। রফিক লোকটির দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল I am Rafik…. লোকটি এবার একটু নড়াচড়া করল। তারপর রফিকের দিকে তাকিয়ে আবার আগের অবস্থান নিল। তার ব্যবহারে রফিক একটু অস্বস্থিবোধ করল। তারপর হাতটি সরিয়ে নিল । না মানে আমি ভাবলাম লম্বা রাস্তা যেহেতু কথা বলতে বলতে সময়টা কেটে যেত। তাই পরিচিত হতে চাইলাম। অহেতুক ব্যাখ্যা করে রফিক যেন তার অসম্মানটা ঢাকতে চাইল। তবু পাশের সিটের বসে থাকা মানুষটি কোন প্রতিক্রিয়া হল না।
কিছুক্ষন বসে থাকার পর রফিক তার ব্যাগ থেকে একটা বই বের করে নিল। কিন্তু হঠাৎ তার মাথায় একটা চিন্তার উদ্রেগ হল। লোকটা দেখতে ও অদ্ভুত। চুলগুলো বাচ্চা ছেলেদের মতো বয় কাট। পরনে ঢিলা শার্ট। একটু চাহনীতে যতটা দেখলাম মানুষটা কে মনে হল মেয়ে। আচ্ছা এমন অদ্ভুত সাজ কেন মেয়েটার। আমাদের মধ্যবিও সমাজে মেয়েদের চালচলন তো এমন হয় না। নিশ্চই বড়লোকের বকে যাওয়া অবাধ্য মেয়ে। এর থেকে ১০০ হাত দুরে থাকাই ভাল। হঠাৎ একটা ছোট্ট টিউন এ রফিকের ধ্যান ভাঙল। হ্যাঁ মা বল। আমি তো এখন কুমিল্লার পথে ভেবে না।রাস্তায় জ্যাম নেই। তাড়াতাড়ি ফিরতে পারবো বলে মনে হচ্ছে।
ফোন রেখে জানালার দিকে তাকাতেই সেই মানবির দিকে চোখ পড়ল। এবার সে সোজা হয়ে বসে আরো প্রায় ১০ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করার পর হোটেল নুরজাহান এ ব্রেক করল বাসটি। সবাই নামা শুরু করল। কেউ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নেমে গেল।
কেউ বা ক্ষুধার রাজ্যেকে শান্ত করতে।
সেই পুরুষরুপী মানুষটিকে দেখছি না। ব্যাপার টা কি! সিগারেট ধরাল রফিক। নিকোটিনের ধোয়ায় এক প্রশান্তি পাওয়া যায়।হোটেলের পাশে সরু রাস্তাটায় চোখ পড়তে দেখা গেল মেয়েটাকে। কৌতুহল বশত একটু এগোতেই দেখা যাচ্ছে ধোয়া উড়ছে। মেয়েটাকি সিগারেট ও খায় নাকি। আজব মেয়ে। আবার চোখ ঘুড়িয়ে দেখতে মেয়েটি নেই। রফিক এগিয়ে চলল পথে।
সামনে গিয়ে…..একি…মেয়েটি কাকে যেন মারছে। দৌড়ে গেলাম সাথে সাথে অনেক মানুষ জমা। সবাই লোকটিকে ধরে রেখে মারার কারন জানতে চাইছে।
আর বলবেন না ভাই। এই লোকটা কত নিকৃষ্ট। এই অন্ধলোকটা দেখে না বলে যা খুশি তাই করছে। ওদিক ওদিক তাকিয়ে তার টাকাগুলো হাতিয়ে দিচ্ছে। আমি অনেকক্ষন ওকে দেখছিলাম। পাশের লোকটা ওর পকেটে হাত দিয়ে কিছু বের করার চেষ্টা করল। হাতে কিছু মোচরানো এলোমেলে টাকা উঠে এলো। বোঝা যাচ্ছে লোকটা তাড়াহুড়া করে অন্ধের প্লেট সাফাই করেছে।
লেকটাকে কিছু উওম মাধ্যম দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হল। পর পর ভিড় ও কমে গেল। জায়গাটিতে দাড়িয়ে আছে রফিক আর মেয়েটি। তাদের চোখ মাটিতে বসা।
ঐ লোকটির দিকে। লোকটি অন্ধ আাবার পা একটি পঙ্গু। আচ্ছা দাদা আপনি যেহেতু চোখে দেখেন না একা এসেছেন ভিক্ষে করতে। কাউকে সাথে রাখতে পারেন না। ছিল তো মা,,, ও কাছে কোথাও নাস্তা করতে গেছে। রফিক ভাবছে,,লোকটি চোখে না দেখেও গলার স্বরে বুঝে নিল সে একজন মানবী। ভাগ্যিস লোকটির চোখ নেই না হয় দেখলে ছেলে মেয়ে মা কোনটি ভাববে তা নিয়ে চিন্তায় পরে যেতেন। নানা ভাই, নানা ভাই,
ধর, তোমার লাইগ্যা বন আর কলা আনছি। আইজকা সবুর চাচাগো দোকান বন্দ।
আপনাদের গায়ে অনেক রোদ লাগছে আপনি একটা চেয়ার ব্যবহার করতে পারেন না? ঠিক প্রশ্নের ভঙ্গিতে বলে উঠল
মেয়েটি।
কি যে কন!!!হুইল চেয়ার পামু কই। ঐ সব কি আমাগো লগে চলে।
মেয়েটি ঘটাঘট কিছু টাকা অন্ধের নাতনির হাতে গুজেঁ দিল। তোমার আম্মুকে বলো নানু ভাইয়ের জন্য হুইল চেয়ার কিনে দিতে।
বোঝা যাচ্ছে, কয়েকটা হাজার খানেক নোট তার হাতে গুজেঁ দেওয়া হয়েছে। আমার একটা ছাতা দরকার। আপনি কি আমাকে একটা ছাতার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন।
রফিক হ্যাঁ বোধক মাথা নেড়ে, দৌড়ে ছুটে গেল বাসের কাছে। নিজের ব্যাগ থেকে ছাতা বের করে নিয়ে এলো। বাধ্য ছেলের মত।এই যে নিন। ছাতাটা খুলে অন্ধের হেলান দেওয়া রেলিং এ ঘটাঘট বেধে দেওয়া হল। বাহ্ এবার তোমার নানা ভাইয়ের গরমে কষ্ট হবে না। বলে ঐ ছোট্ট মেয়েটি আর ঐ অদ্ভুত মানবীর মুখে হাসি ফুটল।
আর আমার ছাতাটা!!! বলে উঠল রফিক৭
মেয়েটি কথা শুনা মাএ ৫০০ টাকার নোট বের করল পকেট থেকে।
তারপর অন্ধলোকটির বাটি থেকে কিছু টাকা খুচরো করে ৪৫০ টাকা রফিককে ধরিয়ে দিল। এই বিল ছাতার দাম। ছাতাটা এর বেশি দাম হবে না। আমি আপনার কাছ থেকে ছাতাটি কিনে নিলাম।আজব তো!! আমি বিক্রি করলাম কখন। মেয়েটি রফিকের কোন কথার শোনার অপেক্ষায় দাড়িঁয়ে নেই। ‘থ’ হয়ে দাড়িয়ে রফিক। এখন বাসটি চলছে। দুজনে বসে আছে। কারো মুখে কোন কথা নেই।একটি টিউন বেজে উঠল।কোথাও থেকে কানে ভেসে আসছে।
you’re the light, you’re the night.. you’re the colour of my blood….so much, so much….
la.. la.. love me like…
টিউন থামিয়ে দিলো কেউ।পাশ ফিরে দেখলাম মেয়েটি ফোন রিসিভ করেছে।
–বল, মম…
দেখো মম, আমার ওসব ভালো লাগে না।বাড়ির গাড়ি তোমরা ব্যবহার করে।তোমাদের ওসব আদিক্ষেতা আমার পোশায় না।রাখো।
বলে কেরে দিল কলটা।
কিছু একটা বলার চেষ্টায় রফিক আমতা আমতা করছে। আপনি কিছু বলবেন?
জ্বী,মানে,আপনার ব্যাপারটি বলপন তো?
–কোন ব্যাপার..?কথাটা শেষ করে তাকিয়ে রইল রফিকের দিকে।
মেয়েটার মধ্যে কোন মেয়েলীপনা নেই।গলার স্বরেও যেন দাদাগিরী ভাব।তবে মুখের মাঝে অসম্ভব এক মায়া আছে।গায়ের রং টা ও তুলনামূলক ভাবে ফর্সা।সামান্য মেয়েলীপনা থাকলে পরিপূর্না নারী বলেই মনে হত এতক্ষনে সে ও মেয়েটির দিকে তাকিয়ে থেকে যেন এই কথাটি আবিষ্কার করল।
চোখের সামনে হাত নাড়িয়ে বলে উঠল,কি..? কি ভাবছেন?
–না মানে আপনার সব আচরনগুলো আমার কাছে অদ্ভুত বলে মনে হচ্ছে।
কেনটা..!
আমার এই প্যান্ট-শার্ট?
অনেকটা ঠিক ধরেছেন।
আসলে আমি এভাবেই অভ্যস্ত।আর সেই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনী কখনে।আর লোক দেখানো বাহিরের রূপ অর্থ্যাৎ মেয়েলীপনা আমি দেখাতে পারি না।
মেয়েটার কথায় কোন জড়তা নেই।আপনার মায়ের সাথে ওভাবে কথা বললেন কেন?
ঐ যে আপনাকে বললাম না,লোক দেখানো স্বভাব আমার নেই। যারা কিনা কখনো আমার খবর নেওয়ার সময় পায়না।খেয়েছি কিনা কখনো জানতে চায় না। আজ আদিক্ষেতা করে বাসে আসতে কষ্ট হচ্ছে কি না জানতে চেয়ে লোক দেখানো মনে হয়না ব্যাপারটা!এখন দুজনই চুপচাপ।আচ্ছা আমরা দুজন তো বন্ধু হতে পারি।তাই না, রফিক যেন পূর্বের কতাগুলো ঢেকে দিতে বলে উঠল।
হ্যাঁ হতে পারি।তাহলে কিন্তু তুই করে বলব।যেন সব মেঘ সরে গেছে মন থেকে।
–আপনি থেকে ডিরেক্ট তুই।
দেখুন আপনি তে আমি বেশিক্ষন থাকতে পারিনা,সম বয়সীদের সাথে তো কখনোই না।আর তুমি তে আমার এলার্জি আছে।কেমন যেন রোমান্টিকতা কাজ করে।তুই is then better.
ok.. ok..
আচ্ছা তোর গ্রামের বাড়ি কোথায়?
চট্টগ্রামে।ঢাকা চাকরীর ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম।খুব স্মার্টলি উত্তর দিল সে।আর আপনার?
আপনি কেন?
আমি ওতো তাড়াতাড়ি পাড়বো না।
–ok, আমার বাড়ি ঢাকায়। ভার্সিটি শেষ হয়নি এখনো।বাবা -মা চট্টগ্রামে বেড়াতে গেছে নানুর বাড়ি।নানু আমাকে খুব দেখতে চাইছে।তাই যাওয়া।আলাপ জমে উঠেছে।তখন ই বুঝতে পারল বাস এখন শীতাকুন্ড অবস্থান করছে।আর তাই বিদায় নেয়ার পালা।
রফিক বলে উঠল আমাদের কি আবার দেখা হতে পারে?
সে একটু হেসে বাস থেকে নেমে গেল।একটু যেতে বাসটি আবার থেমে গেল।
সবাই অবাক। সেই বয়কার্ট চুল ওয়ালা মেয়েটা উঠে এলো। রফিকের কাছে এসে বলল, আমি চাই আমাদের আবার দেখা হোক।নাম্বার টা বল…
রফিক যেন এটার প্রতিক্ষায় ছিল,হ্যাঁ,নাও
017……..8
আমার নাম বাবলি।বন্ধুরা আমাকে বাবলু ডাকে।এতো আলাপের মাঝে মেয়েটার নাম ও জানা হলো না।রফিক শুধু মৃদু হাসল।
অবশেষে বাড়ি ফিরল রফিক।সবার সাথে কথা বলার পর রফিক নিজের ঘরে এখন একা।বাবলির কথা মনে পড়ছে।সারাটা দিন কত কিছুই না ঘটল।সে মনে মনে হাসছে।এখন পর্যন্ত একটা ফোন ও দিল না মেয়েটা।
২ দিন পর রফিক মা এবং বোনের সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছে।ফোনটা বেজে উঠল।
হ্যালো,কে বলছেন?
কি রে কেমন আছিস তুই?ভুলে গেছিস?আরে আমি বাবলি।
ওহ্,হ্যা।বল কি খবর……..
অবিরাম কথা চলছে..
একমাস পর,
বাবলি কে এখন হাসি খুশি দেখা যায়।অভ্যাসে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।যা বাবার চোখে পড়ল।তবে মেয়ের এই পরিবর্তনে বাবা খুব খুশি।তারা সময় দিতে না পারলে ও মেয়ে ভাল আছে ভেবে তাদের শান্তি।
বাবলি অবাক চোখে জানালায় তাকিয়ে আছে।মনে হচ্ছে কিছু দেখার অপেক্ষায় আছে।আচ্ছা রফিক কে দেখছি অনেক দিন হল।আমাদের কি আর দেখা হবে?সে দিনের কথাগুলো মনে পড়ছে ভীষন।ওকে খুব সুন্দর লাগছিল।শ্যামলা বর্ন, চোখে এক অদ্ভুত মায়া।মনে হয় ওই চোখে অনেক কথা জমা।খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ।আচ্ছা আমি ওর কথা এত ভাবছি কেন?আমার তে আরো অনেক বন্ধু আছে।সবার কথা তো এতো ভাবি না।নিজেই নিজেকে প্রশ্নে জর্জরির করছে বাবলি।তখনই মনটা বেজে উঠল।হাতের কাছে ফোনটা রাখা।ফোনটা তুলে দেখল ‘রফিক’।
হা বল…
–জানিস কাল তোকে স্বপ্নে দেখেছি।
তাই!কি দেখলি..?
দেখলাম,তুই একটা white জামা আর রয়েল ব্লু সেলোয়ার ওড়না পড়ে ওই বয়কার্ট চুল নিয়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে।
–হা হা হা।আমি সেলোয়ার ওড়না…।fool dream..impossible আচ্ছা শোন দু একদিনে আমরা চট্টগ্রামে আসব। তখন দেখা করতে পারবি তো?
–হা পারবো।
তিন দিন পর, দুজনে দেখা করবে ঠিক হল নেভালে।
দুজনই পথে।রফিক ভাবছে, কতদিন পর মেয়েটাকে দেখবো।আচ্ছা ও কি সব সময় এমন জিন্স শার্ট পড়বে।শাড়ি পড়লে ওকে কেমন লাগবপ।আচ্ছা ওকে দেখার জন্য আমি এতো অস্থির হচ্ছি কেন?ওর সাথে কথা বলার জন্য আমার এত আগ্রহ কেন?
তাহলে কি আমি বাবলি কে…. ওহ আজ আসার সময় বলল, ওকে দেখলে আমি চমকে উঠবো।কেন বলল..?অহেতুক প্রশ্ন রফিক নিজেই নিজেকে করে চলেছে। ভাবতে ভাবতে বাসটি জোরে ব্রেক কসল।রফিকের ধ্যান ভাঙ্গল।কি ব্যাপার সামনে এতো ভিড় কেন?এতো হৈ চৈ!কি ভাই এতো ভিড় কেন?একটা মেয়ে নাকি এক্সিডেন্ট হয়েছে।সাথে সাথে মারা গেল।
— ওহ্ এতো ভিড় ঠেলে যাওয়া সম্ভব নয়।বাবলি ও অপেক্ষা করছে।একটু এগিয়ে অন্য গাড়ি রে চলে যাই।
হঠাৎ কানে ভেসে এলো,
মেয়েটা বাইকে চড়ে যাচ্ছিল।বয়কার্ট চুল।রফিকের টনক নড়ে উঠল।সমস্ত ভিড় ঠেলে এগিয়ে গেল ভেতরে।সাদা জামা আর রয়েল ব্লু সেলোয়ার ওড়না পড়া মেয়েটা।দুচোখে যেন স্রোত বয়ে যাচ্ছে।রফিক মাটিতে থ হয়ে বসে গেল।কিন্তু আমিতো স্বপ্নে অত রং দেখি নি।টকটকে লাল।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৫ Comments

  1. Anamika Rimjhim

    রিসিভওও- রিসিভও*
    গুজে -গুঁজে*
    অনেকক্ষন- অনেকক্ষণ*
    কেড়ে দিল -কেটে দিল*
    কসল-কষলো*
    ভাঙ্গল-ভাঙলো*
    আরও কিছু ভুল আছে । লেখার উন্নতি চাই।শুভ কামনা।

    Reply
  2. Learner

    কয়েকটা বিরাম চিহ্ন ঠিক মতো বসেনি মনে হচ্ছে, যেমন: “আচ্ছা এমন অদ্ভুত সাজ কেন মেয়েটার। ” এখানে ! হবে। “তাদের চোখ মাটিতে বসা।
    ঐ লোকটির দিকে। ”
    এখানে “মাটিতা বসা” এর পর কোনো বিরামচিহ্ন হবেনা। আরো কিছু ভুল আছে সব ঠিক থাকলে লেখা পড়তে আরো সাবলীল লাগতো। আর বানানে অনেক ভুল আছে। আশাকরি পরেরবার আরো ভালো হবে। শুভকামনা ♥

    Reply
  3. Jannatul Ferdousi

    খুজে→ খুঁজে

    আসা পর্যন্ত দেখছি→ এখানে রফিকের বক্তব্য তাই দেখছে হবে।

    নি শব্দের সাথে বসে। বসোনি, খাওনি।

    অস্বস্থি→ অস্বস্তি

    চাহনী→ চাহনি

    কিছুক্ষন→ কিছুক্ষণ

    মধ্যবিও→ মধ্যবিত্ত

    টা শব্দের সাথে বসে। যেমন- আমটি, বইটি

    হা→ হ্যাঁ

    মাএ→ মাত্র

    তিন দিন পর→ তিনদিন পর

    হয়ত গল্পটা আরো সাবলীলভাবে লিখলে পড়তে ভালো লাগত। তাছাড়া একের পর এক বাক্য পড়ে মনে হলো লেখক আনাড়ি। তবে এভাবে লিখতে লিখতেই হাত পাকা হয়ে যাবে। সমস্যা নেই।????

    তবে গল্পটা হলো একদম সাদামাটা। একটু টুইস্ট, সাজিয়ে গুছিয়ে লিখলে প্রাণ পেত লেখাটায়।
    রাইটারের আরো উন্নতি করা দরকার। এর জন্য বেশি বেশি গল্প পড়া উচিত।
    শুভ কামনা।

    Reply
  4. Halima Tus Sadia

    ভালো লিখেছেন।
    পড়ে বয়কট চুলের মেয়েটার জন্য খারাপ ও লাগলো।
    কিভাবে জীবনটা চলে গেলো।শেষবারের মতো দেখা হলো না।

    বানানে প্রচুর ভুল

    কিছুক্ষন-কিছুক্ষণ
    মধ্যবিও-মধ্যবিত্ত
    দুরে-দূরে
    ভেবে না-ভেবো না
    লেকটাকে-লোকটাকে
    দাড়িয়ে-দাঁড়িয়ে
    বন্দ-বন্ধ
    মেয়েটি কথা-মেয়েটির কথা
    বরপেনতো -বলবেন তো
    শীতাকুন্ড-সীতাকুন্ড
    গারি রে-গাড়িতে
    আাবার-আবার
    হ্যা-হ্যাঁ
    অস্বস্হি-অস্বস্তি

    লেখার মাঝখানে ইংরেজি লিখেন কেনো?
    এতে গল্পের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়।

    বানানের প্রতি যত্নশীল হবেন।

    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  5. tamanna

    এত্তগুলা বানান ভুল। আর বয়কার্ট না বয়কাট চুল হয়। লেখার সাথে বাস্তবতার সংমিশ্রণ কম।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *