ভ্রমণকাহিনী: দরিয়া
প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০১৮
লেখকঃ

 85 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখকঃ SHAFIUR RAHMAN
(০১)
“তোমরা কেউ বলতে পারবে পানির মধ্য ওইটা কি?”
পিতা মহাশয়ের নিকট হইতে এমন প্রশ্ন শুনিয়া কনিষ্ঠ ভ্রাতার চাহিতে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করিবার জন্য জলের উপরে ক্রমাগত লাফাইয়া উঠা প্রাণীটির নাম বলিবার চেষ্টা করিতে লাগিলাম। কিছুতেই সিয়ামকে আমার পূর্বে উহার নাম বলিতে দেওয়া যাইবেনা। ততক্ষণাত প্রাণীটির আকৃতি দেখিয়াই বুঝিয়া লইলাম উহা কি। তাই বেশ জোর দিয়া বলিলাম,”আব্বু এটা বানর।” আমার বচন শুনিয়া পিতা মহাশয় শব্দহীনভাবে একগাল হাঁসিয়া লইলেন কিন্তু আমাকে তাহা বুঝিতে দিলেন না। এতক্ষণে আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা মহাশয় তাহার উত্তর বলিবার সিদ্ধান্ত লইয়া ফেলিয়াছেন। সে কহিলো,”আব্বু ওটা নিশ্চয় তিমি মাছ।”
ওর অভিব্যক্ত শুনিয়া আমি বেশ বিরোধিতা করিলাম। আমি বলিতেছি উহা বানরই কিন্তু সে বলিতেছে উহা তিমি মাছই। ইহা লইয়াই আমাদের মধ্য বেশ কর্কশ তর্ক লাগিয়া গিয়াছে। এমতাবস্থায় সে যুক্তি প্রদান করিলো যে,”এটা অবশ্যই তিমি মাছ। কারণ আমি বইয়ে পড়েছি,তিমি মাছ বেশি পানিতে থাকে। আর বুদ্ধু, বানর কি কখনো পানিতে থাকে?”
আমার চাহিতে বৎসর দু’য়েকের কনিষ্ঠ ভ্রাতার নিকট হইতে এরূপ বিচক্ষণতা এবং নিজের অজ্ঞতার পরিচয় পাইয়া মনে মনে বেশ লজ্জিত হইলাম। প্রত্যেকে সিয়ামকে কেনো অকালপক্ব ও বুদ্ধিমান বলিয়া উল্লেখ করিয়া থাকে তাহাও দেখিতে পারিলাম। এতক্ষণ যাবত পিতা মহাশয় আমাদের কার্যকলাপগুলো বেশ মনোযোগ দিয়া পর্যবেক্ষণ করতেছিলেন। কিন্তু আমি এমন নিষ্প্রভ হইয়া যাওয়ায় তিনি আমাদিগকে তাহার নিকট ডাকিয়া লইলেন। অতঃপর আমাদের ভ্রান্ত ধারণা ভাঙ্গিয়া দিতে রুক্ষ কেশে হাত বুলিয়া দিয়া কিঞ্চিত আদরের স্বরে বলিলেন,”ওটা বাদরও নয় আবার তিমিও নয়। ওটার নাম শুশুক। তবে দেখতে অনেকটা ডলফিন বা তিমির মতই। পার্থক্য হলো তিমিরা সাগরের লোনা পানিতে থাকলেও শুশুককে স্বাদু পানিতেও দেখা যায়।”
পিতার মুখ হইতে এমন তথ্য পাওয়ার পরে আমি খুশিতে চিৎকার দিয়া উঠিলাম। যতই উহা তিমির স্বজাতি হোউক না কেন, উহা তো আর তিমি নহে। যাইহোউক,সিয়ামের উত্তর যে ভুল প্রমাণিত হইয়াছে ইহাই আমার নিকটে বিজয়সম।
(০২)
কনকনে শীতের মধ্য মোরা ভ্রাতৃদ্বয় মাতার কঠোর ধমকের তৎপরতায় একগাদা শীতের বস্ত্র পরিধান করিয়া পুস্তক লইয়া পড়িতে বসিয়াছি মাত্রই। এমতাবস্থায় পিতা মহাশয় বাজার হইতে বাড়িতে আসিয়া বলিলেন যে আগামী পরশু পিতামহ ও পিতামহীর সহিত সাক্ষাৎ করিবার জন্য আমরা ময়মনসিংহে যাচ্ছি। এ তথ্য শ্রবণ করা মাত্রই আমরা ভ্রাতৃদ্বয় উল্লাসে মাতিয়া উঠিলাম। শেষবার কবে এবং কোথায় বেড়াইতে গিয়েছি তাহা কিছুতেই স্মরণ করিতে পারিলাম না। দিবারাত্রি শুধু স্কুল হইতে ঘর আর ঘর হইতে স্কুলে যাওয়াআসা ব্যতীত আর কখনো আমাদের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন পরে না। বলিতে পারা যাহে, ইহাতে পিতা মহাশয়ের কঠোর আদেশ প্রয়োগ করা রহিয়াছে। তাই, বেড়াতে যাওয়ার সংবাদে মোরা পুস্তক ফেলিয়া রাখিয়া শয়নকক্ষ চলিয়া গেলাম। আগামীকালের করণীয় কার্যাবলী ভাবিতে, ভাবিতে নিদ্রায় আচ্ছন্ন হইলাম।
পরদিবসে প্রভাতে নিদ্রা হইতে জাগ্রত হইয়া আমরা নিজ নিজ কার্যগুলো সম্পাদন করিয়া লইলাম। অতঃপর বেলা ৭:৪০ মিনিটে ঘটিকায় রেলওয়ে স্টেশনে উদ্দেশ্যে যাত্রা করিলাম। স্টেশনে পৌছাইয়াও ট্রেনের দর্শন মিলিলো না। যথাসময় হইতেও ৫ মিনিট লেট করিয়া আসিয়াছে। বোনারপাড়া রেলওয়ে স্টেশন এখান হইতে ৮ কি.মি দূরত্বে মাত্র, তাই অল্প সময়ের মধ্যই আমরা সেথায় পৌছাইলাম। সেথা হইতেই আমরা ফুলছড়ি নদীবন্দরের উদ্দেশ্যে অটোয় চড়িয়া রওয়ানা দিলাম। ফুলছড়ি নদীবন্দরে পৌছাইয়া দেখিলাম ততক্ষণাৎ ৯টা বাজিয়া গিয়াছে তাই বেশিরভাগ নৌকাগুলোই তাহাদের গন্তব্যর উদ্দেশ্যে যাত্রা করিয়াছে। পিতা মহাশয় আমাদের যাত্রার জন্য একটা নৌকা ঠিক করিয়া শুকনা খাদ্য কিনিবার চলিয়া গেলো। ময়মনসিংহ পৌছাইতে, পৌছাইতে নাকি অপরাহ্ন হইয়া যাইবে তাই নৌকার ভিতরই মধ্যাহৃভোজ সারিতে হইবে।
(৩)
দু’তলা বিশিষ্ট এই যান্ত্রিক তরীটি ভট,ভট শব্দ করিয়া ছুটিয়া চলিতেছে তাহার আপন গতিতে। ধীরে ধীরে হারিয়ে যাইতেছে কূলহীন যমুনানদীর গহ্বরে। আমরা তরীটির উপরের ফ্লোরে অবস্থান করিতেছি তাই বোধহয় পারিপার্শ্বিকের সব কিছুই নিজ চক্ষু দ্বারা দেখিতে পারিতেছি। এত দূরে চলিয়া আসিয়াছি যে ফুলছড়ি বন্দরের আর কোনো চিহ্ন দেখা যাইতেছে না। তবে এই মেঘাচ্ছন্ন ও শীতল পরিবেশকে উত্তরের হাওয়া আরো তীব্র শীতলে পরিণত করিলো। শীতের কবজ হইতে রক্ষার জন্য মাতা মহাশয়া লাগেজ হইতে শীতবস্ত্র বাহির করিয়া আমাদের পরিধান করিয়া দিলেন। ধীরে ধীরে কুয়াশা বিলীন হইয়া সূর্যরশ্মি উদিত হইলো। আমাদের সহিত একঝাঁক তরুণ-তরুণীর দলও নদী ভ্রমন করিতেছে তাহাদের মধ্য বেশ উত্তেজনা লক্ষ করিলাম। গান বাজনায় তাহারা বেশ প্রফুল্লতায় রহিয়াছে। তবে কিছু কিছু লোকজনকে উচ্চকণ্ঠে সূরা পড়িতে দেখিলাম; তাহাদের দিকে তাকাইলেই বোধগম্য হয় তাহারা চাহে যেনো আমরা বিপদহীন যাত্রা সম্পূর্ণ করিতে পারি।
আমাদের পিতা মহাশয় আমার জন্মপূর্বক একজন পেশাজীবী হিসেবে ‘জাহাজচালক’ ছিলেন। কিন্তু আমার জন্মের পর তিনি আমাকে ছাড়িয়া দূরে গিয়া কার্যকর্মে মনোযোগ দিতে পারেন নি, তাই সে কার্য ছাড়িয়া দিয়া তিনি ব্যবসার কার্যে যুক্ত হন। তবে তিনি সে সময়ের অতীত স্মৃতিগুলে স্মরণ করিয়া নিত্যদিন আমাদের ঢের গল্প শুনাইয়া থাকেন। তথাপি অদ্যও এ নদীতে তাহার স্মরণীয় বেশ কিছু ঘটনা বলিতেছেন, তাহার অভিযান অঞ্চলের কিছু অংশ স্বচক্ষে দর্শন করিতে পারিয়া বেশ উত্তেজনা অনুভব করিতেছি।
(০৪)
সকাল গড়িয়া মধ্যাহ্ন আসিয়া পড়িয়াছে। সূর্যরশ্মির তেজও কিছুটা বাড়িয়াছে তবে তাহা শীত নিয়ন্ত্রিত নহে। আমারা মধ্যাহৃভোজ ইতিমধ্যে সারিয়া লইলাম। এখনও আমরা মাঝ-নদীতে রহিয়াছি কোনো কূল দেখা যাহে না। কেবলই মনে হইতে থাকে মোরা তরীসহ যাত্রীগন এক অজানা দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করিয়াছি যাহার কোনো দ্বীপ নেই। তবে যখন মোরা দূরে কোনো অন্য তরী দেখিতে পারি তখন প্রত্যকে এক একটি নিশ্বাস শেষ আশা হিসেবে বাঁচিয়া রহে। নৌভ্রমনে আমি সব চাহিতে মজার ও হৃদয়ে প্রেরণা হিসেবে এই ঘটনাকে জীবনের স্মরণীয় বলিয়া সর্বদা স্মরণ করিয়া রাখিয়াছি।
সময় বহিয়া চলে কিন্তু পথের সমাপ্তি ঘটে না।
তবে ইহার চাহিতেও যে ভয়ঙ্কর নৌভ্রমনের অভিজ্ঞা হইবে তাহা তখনো আমি ঠিক ঠাওর করিতে পারছিলাম না। আমার প্রায় চক্ষুতে নিদ্রাভাব চলিয়া আসিয়াছে এমতাবস্থায় হৈচৈ শুনিয়া আমার নিদ্রাভাব ভঙ্গ হইলো। সবাই চেঁচামেচি করিতে লাগিলো, তরীটির নাকি মেশিন বন্ধ হইয়া গিয়াছে তাই এটি মাঝ-নদীতে আটকা পড়িয়া রহিলো। কিন্তু আমার তাহা মনে হইলো না,কারন তরী বন্ধ অবস্থায় যেরূপ মনে হয় আমরা স্থির রহিয়াছি তেমনি সচল থাকা অবস্থায়ও সেরূপ স্থির মনে হয়। যখন জানা গেলো তরীরে যাহা তৈল ছিলো তাহা সবই শেষ হইয়া গিয়াছে তখন সবাই চিৎকার চেঁচামেচি করিতে লাগিলো। সবার মুখে চিন্তার ভাজ দেখিতে পাইলাম,এমনকি যুবক-যুবতীদের ঐ পিকনিকের দলটিরও।
অপরাহ্ন চলিয়া আসিলো কিন্তু আমাদের উদ্ধারের কোনো হদিস মিলিলো না। তখন আমাদের অনত্র যোগাযোগ করিবার একমাত্র উপাই ছিলো মোবাইল ফোন, কিন্তু তাহাতে নেটওয়ার্কস খুজিয়া পাওয়া গেলো না। এমতাবস্থায় দেখিলাম সবাই থমথমে পরিবেশ সৃষ্টি করিলো।
এরূপ সময় পিতামহ আমাদের শুশুক নামক প্রাণীটিতে দেখিয়া উহার নাম জিজ্ঞাস করিলো। সাধারনত আমাদের ভ্রাতৃদয়ের ভীতি কাটানোর জন্য।
(০৫)
সন্ধা হইয়া আসিতেছে এমন সময় মেশিনের ভটভট শব্দ কর্ণগোচর হইলো। বিপদ হইতে মুক্তির উপায় পাইয়া প্রত্যকে চিৎকার করিয়া উঠিল। দেখিলাম,আমাদের নিকটে অবস্থান করা বয়স্ক মুরুব্বিটি এতো খুশি হইয়াছিলো যে আনন্দে মুখমন্ডল রক্তবর্ণ ধারণ করিলো। আমার কি যে আনন্দ লাগিতেছিলো মনে হইলো হরানো জীবন ফিরিয়া পাইলাম। অতঃপর সেই তরীকে অনেক সংকেত প্রেরণ করিয়া আমাদের নিকট আনিতে হইলো। তবে ঐ তরীটি ময়মনসিংহের দিকেই তবে অনত্র বন্দরে গমন করতেছিলো। শেষে সিদ্ধান্ত হইলো ঐ তরীটির সহিত আমাদের তরী রশি দিয়া বাধিয়া তাহাদের যাত্রাপথে গমন করিতে হইবে অতঃপর সেথায় তৈল ক্রয় করিয়া আমাদের ময়মনসিংহ রওয়ানা দিতে হইবে। সবার দুশ্চিন্তা কাটিয়া গেলো,তবে প্রবলেম হইলো এতো দূর ঘুরিয়া যাইতে যাইতে অনেক রাত্রি হইয়া যাইবে। তবুও তো আর গভীর নদীর গহ্বরে পরিয়া থাকিতে হইবে না ইহাই ভালো।
আমি পিতা মহাশয়ের কোলে এবং কনিষ্ঠ ভ্রাতা, মাতা মহাশয়ার কোলে ঘুমিয়া পরিলো।
ঘুম যখন ভাঙ্গিলো তখন দেখি ময়মনসিংহের নদী বন্দরে পৌছাইয়া গিয়েছি। আমাদের দেরি হওয়ায় পিতামহ রিক্সা পাঠাইয়া দিয়েছিলেন,আমরা তাহাতে চড়িয়া তাহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।
সে রাত্রে এতো ক্লান্ত ছিলাম যে দাদু বাড়িতে পৌছাইয়া ততক্ষণাৎ নিদ্রায় আচ্ছন্ন হইয়াছিলাম। পরদিবসে নদীর কলকল শব্দে নিদ্রা ভাঙ্গিয়া গেলো। তথাপি দৌড়াইয়া তাহার উৎস অনুসন্ধান করিতে গেলাম। বেশি বেগ পাইতে হইলো না, বাড়ির পশ্চাৎ পার্শে বাঁশঝাড়ের নিকট দরিয়া অবস্থান করিতেছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৫ Comments

  1. Tasnim Rime

    গুরুচণ্ডালী দোষে ভরপুর একটা লেখা। সাধু ভাষায় লেখার চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই তবে মধ্যে মধ্যে চলিত রূপ দিয়ে গন্ডগোল হয়ে গেল। ভ্রমণকাহিনীর তেমন স্বাদ পেলাম না। প্রথম স্তবকের কাহিনী কোন ভ্রমণের কিনা তা বুঝি নাই। বানানের প্রতি যত্নশীল হবেন।
    হাঁসিয়া- হাসিয়া
    সন্ধা- সন্ধ্যা

    Reply
    • SHAFIUR RAHMAN

      গুরুচাণ্ডালী দোষটা কোথায়, ধরে দিলে খুশি হবো।

      Reply
  2. Tasnim Rime

    বইয়ে পড়েছি – বইয়ে পড়িয়াছি
    চাহিতে- হইতে
    দেখতে- দেখিতে
    হলো- হইলো
    থাকলেও- থাকিলেও
    কখনও অামরা অাবার কখনও মোরা দৃষ্টিকটু

    Reply
    • SHAFIUR RAHMAN

      যেগুলো উদ্ধিতি চিহ্নর ভিতর আছে সেগুলো ব্যক্তির সাধারণ বচন। এবং এগুলো চলিত ভাষায়ই লেখা হয়েছে।
      চাহিতে~হইতে এটা ঠিকই আছে।
      তবে আমরা, মোরা দৃষ্টিকটু লাগতে পারে। একদিনের ভিতর লেখা তাই এডিট করার সময় পাইনি।

      Reply
  3. Rifat

    পারবে — পারিবে
    এরকম আরও কিছু ভুল আছে। লেখটা সাধু ভাষায় লিখতে গিয়ে গুরুচণ্ডালীর দোষ করে ফেলেছেন।
    তবুও অনেক সুন্দর হয়েছে। কাহিনীর মধ্যে চাঞ্চল্যতা আছে।
    শুভ কামনা।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *