আমার শৈশব
প্রকাশিত: নভেম্বর ২০, ২০১৮
লেখকঃ

 25 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

আমার শৈশব
মোঃ সোয়াইব হোসেন

দুরন্তপনা আর অবাধ স্বাধীনতার দিন
শৈশব স্মৃতি ভাসে হৃদয়ে অমলিন।
সারা দিন হৈহুল্লোড়, আর ছুটাছুটি
পড়ালেখায় ছিলাম আমি,বেশ মোটামুটি।
মেতেছি পুকুর জলে, পাড়ার ছেলেগুলো মিলে
খেলেছি ছুঁই ছুঁই খেলা, আমার শৈশব বেলা।
পুকুর পাড়ের গাছে, লাফের মজা আছে
লাফ দিতাম জলে, মনের আনন্দ উচলে।
মাছে সমৃদ্ধ ছিল, বাংলার পুকুড়,খাল- বিল।
মাছ ধরতাম বিলে, ছেলে-মেয়ে মিলে।
পুকুর যখন সেচে, ছেলেরা সব এসে
হৈ চৈ করে পাড়ে, মাছের আমেজ বাড়ে।
সন্ধার কালে বাঁশ বনে, পাখির কোলাহল
হারিয়ে গেছে আজ, সেই পাখির দল।
ঘুড়ি উড়ানোর বিকালে, স্বচ্ছ আকাশ পানে
তাকাতাম একনাগাড়ে, ঘুড়িটা কখন কাটে।
মাটির প্রলেপ পুকুড় পাড়ে, কাদা মাখি,
ভেবে সেই দিনগুলো, এখনও জুড়াই আঁখি।
পাড়ার ফল গাছে, নজর ছিল বেশ
বন্ধুরা সব মিলে, করে দিতাম শেষ!
বাগান জুড়ে পাখির নীড়ে, উঠতাম আমি চড়ে,
সাদা বকের ছা গুলো, নিয়ে আসতাম ধরে।
জাম গাছের মগ ডালে, উঠতাম আমি বেঁয়ে
দাদী আমার রেগে, আসতেন আমায় ধেয়ে।
অবাধ স্বাধীনতার শৈশব, হ্নদয়ে দেয় দোলা
শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো, যায় না তো ভোলা।
মুক্তমনা হৈহুল্লোড়, মিষ্টি মধুর দিন,
আজও হৃদয়ে বাজে, ভূলব না কোনদিন।

সম্পর্কিত পোস্ট

যদি পাশে থাকো

যদি পাশে থাকো

তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন

অনন্যা অনু 'আমিনা বেগম' মেমোরিয়াল এতিমখানার গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই ওমরের বুকটা ধুক ধুক করতে শুরু করে। ওমর ধীর গতিতে ভেতরে প্রবেশ করে। চারদিকে তখন সবেমাত্র ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ওমর গত রাতের ফ্লাইটে আমেরিকা থেকে এসেছে। সে এসেই সোজা আমিনা বেগম মেমোরিয়াল এতিমখানায়...

দাদাভাইকে চিঠি

দাদাভাইকে চিঠি

প্রিয় দাদাভাই, শুরুতে তোকে শরতের শিউলি ফুলের নরম নরম ভালোবাসা। কেমন আছিস দাদাভাই? জানি তুই ভালো নেই, তবুও দাঁতগুলো বের করে বলবি ভালো আছি রে পাগলী! দাদাভাই তুই কেন মিথ্যা ভালো থাকার কথা লেখিস প্রতিবার চিঠিতে? তুই কি মনে করিস আমি তোর মিথ্যা হাসি বুঝি না? তুই ভুলে গেছিস,...

৬ Comments

  1. সুস্মিতা শশী

    ছড়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অন্তমিল। কিছু কিছু লাইনে অন্তমিল ছুটে গেছে।
    ছড়াটি পড়ে আবার শৈশবে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে।

    Reply
  2. Md Rahim Miah

    ভূলব-ভুলবো
    ছড়াটা অনেক ভালো ছিল, তবে অনেক জায়গাতে অন্ত্যমিলের অভাব, আবার ছন্দের অভাব ও মাত্রাও ঠিক নেই অনেক লাইনে। তবে পড়ে অনেক ভালো লেগেছে, শৈশব দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। শুভ কামনা রইল

    Reply
  3. অচেনা আমি

    আসসালামু আলাইকুম। শৈশবের স্মৃতি নিয়ে দারুণ একটা লেখা। মাঝে মাঝে খাপছাড়া হয়ে গেছে, কিছু কিছু ভুলও রয়েছে। তবে সবকিছু মিলিয়ে খারাপ লাগেনি।
    ভূলব – ভুলবো
    ছা গুলো – ছাগুলো

    আগামীর জন্য শুভ কামনা।

    Reply
  4. Halima tus sadia

    অসাধারণ লিখেছেন।
    ছড়াটা পড়ে ছোট বেলার দুরন্তপনার কথা মনে
    পড়ে গেল।
    কতো হৈহুল্লোর, মজা,আনন্দ করেছি।
    খুব মিস করি।

    বানানের কথা অনেকেই কমেন্টে বলেছে।
    আর বলতে চাই না।
    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  5. Tanjina Tania

    ছড়াটা আপনার বেশ চিন্তাপ্রসূত মনের ফসল মনে হচ্ছে। অন্ত্যমিলে অল্প গড়মিল আছে। শুভকামনা।

    Reply
  6. Nafis Intehab Nazmul

    দারুণ একটা ছড়া। একদম শৈশবের কথা মনে পড়ে গেলো। সারাদিন ছোটাছুটি, মাছ ধরা, কাদা মাখামাখি আরও কত কি!
    অনে সুন্দর হয়েছে ছড়া।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *