মায়াবিনী
প্রকাশিত: জানুয়ারী ২২, ২০১৯
লেখকঃ আওয়ার ক্যানভাস

আওয়ার ক্যানভাস বই প্রেমীদের মিলন মেলা। লেখকদের লেখা পাঠকের কাছে বই আকারে পৌঁছে দেওয়া, আওয়ার ক্যানভাসের সাথে জড়িতদের সম্মানজনক জীবিকার ব্যবস্থা করার স্বপ্ন নিয়েই আমাদের পথ চলা।

 104 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ আওয়ার ক্যানভাস

কবিতা: মায়াবিনী
লেখা: ফারহা নূর

শেষ বিকালের কোন এক রোদ্র ছায়ায় হেঁটে যাব তোমার বুকের তপ্ত বালুচরে,
যদি রেখে যাই পদচিহ্ন তোমার বুকে তবে মনে রাখবে মায়াবিনী?
আমি চাই মনে রাখো আমায় আজীবন,
তার জন্যই তো আমার এত আয়োজন।
এই যে দেখছো, তোমার বুকে রক্তিম কাঁটা পদচিহ্ন;
যতবার দেখবে মনে পড়বে তোমার পিছু পিছু ছুটে যেতে রক্তাক্ত পথিক হওয়া।
সে কথা তোমায় বলিনি কোনদিন মায়াবিনী!
যদি ফিরে চাও করুণার জল চোখে সে চোখে আমি তাকাতে পারব না।
ওই যে কৃষ্ণচূড়া গাছটা তোমার পথের সৃষ্টি
সে সৃষ্টিতে আমার নামটা খোদাই করে রেখেছি,
যতবার দেখবে ততবার মনে পড়ুক আমায়।
শশীকান্তের মন্দিরের দেয়ালে যেদিন আড়চোখে তাকিয়েছিলে আমি সেদিন ঠায় দাঁড়িয়েছিলাম তুমি অদৃষ্টে যাওয়া পর্যন্ত।
শেষমেশ আমার ভালোবাসার দূরত্ব মাপতে দেয়ালটায় দিয়ে গেলে!
মায়াবিনী! তোমার মায়ায় আমায় বন্দী না করলে কি হতো না বলো?
করেছ তো করেছোই এই বন্দীর জবান বন্দীও নিলে না, ছাড়পত্রও দিলে না যাবজ্জীবন বন্দী রাখলে!
এ কেমন তুমি? মায়াবিনী!
মুচকি হেসে যখন চোখের তারায় শব্দ বুনতে আমি তখন কত কি বলতে চেয়েছি সে কথা তোমায় বলা হয়নি।
যে ঠোঁটে আমার হৃদস্পন্দন নাড়িয়ে দিতে সে ঠোঁটে এখন নিকোটিনে জ্বালিয়ে দিচ্ছে হৃদস্পন্দন!
এই যে দেখছো, হেসে হেসে কথা বলছি
বুঝলে না বেশ আছি!

সম্পর্কিত পোস্ট

তুলসী বনের বাঘ

তুলসী বনের বাঘ --আল-মুনতাসির। চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! ছদ্মবেশে ছড়িয়ে দিলো বিষম বিষের নাগ। ইচ্ছে করে কামড় খেলে, ভরলে হৃদয় বিষের নীলে কী করে আর দেখবে প্রিয় কৃষ্ণচুড়ার বাগ ? চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! চোখে তোমার বিষের তেজে পর্দা এলো নেমে, জগত...

ভালোবাসা রং বদলায়

: ভালোবাসা রং বদলায় লেখা: অদ্রিতা জান্নাত ছোট মেয়েটা খুব করে কেঁদে কেঁদে অনুরোধ করেছিল আমি যেন একটি হলেও তার কাছ থেকে ফুল কিনে নেই, ঠিক যতবার আমি তাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলাম সে যেন ঠিক ততটাই আমার পিছু ছুটতে লাগল। আচ্ছা, এই যে শিশুটা যে কিছু টাকার বিনিময়ে আমাকে...

গোপন আর্তনাদ

কবিতা - গোপন আর্তনাদ #জয়নাল_আবেদীন মনে পড়ে কাজল চোখে মুগ্ধ করে রাখতে আমায়। কখনো নির্মল হাসিতে ভরিয়ে দিতে চারপাশ। ভুলে গেছো সেদিন ঘাটের পাশে নূপুর পায়ে নৃত্যের তালে এসেছিলে। লাল শাড়িটা এলোমেলো জড়িয়ে, মুখটা কেমন গম্ভীর ও করুণ দেখেছিলাম। বারবার আকাশে মেঘের গর্জন, বৃষ্টির...

৪ Comments

  1. আফরোজা আক্তার ইতি

    বাহ বা! অসাধারণ। মনের মাঝে হানা দিল কবিতাটা।
    যে ঠোঁটে আমার হৃদস্পন্দন নাড়িয়ে দিতে সে ঠোঁটে এখন নিকোটিনে নাড়িয়ে দিচ্ছে আমার হৃদস্পন্দন। কি সুন্দর করে সাজালেন কথাটা! এই চরণটা যেন পুরো কবিতার ভাবার্থ প্রকাশ করছে। এককথায় মন ছুঁয়ে গেছে কবিতাটি।
    জবান বন্দীও- জবানবন্দীও। একসাথে হবে।
    এছাড়া আর কোনো বানানে ভুল পাই নি।
    আপনাকে অনেক শুভ কামনা।

    Reply
  2. Halima tus Sadia

    অনেক সুন্দর লিখেছেন আপু।
    প্রতিটি লাইন হ্নদয়ে বেজে উঠে।

    আমি চাই মনে রেখো আজীবন।
    তাই তোমার জন্য এতো আয়োজন।
    তোমার জন্য রক্তিম কাটা পদচূন্য।

    প্রিয়জনের জন্য কতো কিছুর আয়োজন।

    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  3. আসিফুর রহমান ফারাবী

    কবিতাটা এক কথায় অসাধারণ হয়েছে ফারাপু। আসলেই তুমি অনেক ক্রিয়েটিভ। তোমার ক্রিয়েটিভিটি লেভেল অনেক। ভবিষ্যতের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।

    Reply
  4. Md Rahim Miah

    কোন-কোনো (কোন দিয়ে প্রশ্ন বুঝায়)
    যাব-যাবো(যেহেতু তুমি বলেছে)
    কোনদিন-কোনোদিন
    ঠায়-ঠাঁয়
    এ কেমন তুমি? মায়াবিনী! -এ কেমন তুমি মায়াবিনী?(প্রশ্নবোধক চিহ্ন শুধু শেষে হবে)
    বাহ্ অসাধারণ লিখেছেন, আপনে মেয়ে হয়ে ছেলেদের অনুভূতি নিয়ে আর উপস্থাপক হয়ে ভালো লিখেন দেখছি। আপনার যেমন একটা চিঠিও পড়েছি যার মাঝেও ছেলেদের অনুভূতি উল্লেখ। যাইহোক ভুলের দিকে আগামীতে খেয়াল রাখবেন আশা করি আর অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

    Reply

Leave a Reply to Halima tus Sadia Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *