দুমুখী কণ্ঠস্বর
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮
লেখকঃ

 146 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

তাহসিন আহমেদ

তুমি বলতে, পতিদেবতা সবার একান্ত,
খুবই ব্যক্তিগত এবং নিজস্ব সম্পদ;
আমিও গলা মিলিয়ে বলতাম–
কোনো সন্দেহ নেই।
তবে আজ তুমি বলো,
পতিদেবতা আরো অনেকের হতে পারে।
আমি আবার কেমন করে তোমার সাথে,
দোনালা গলাটাকে মিলাতে পারি?
সে কী আমার বড্ড অপরাধ হয়ে যায় না?
তাই তো আর গলা মিলালাম না।
অনেকদিন পর ফিরে এসেছো,
উরুর ওপরে দখল নিতে চেয়েছিলে;
আমি প্রতিবাদ করেছি, বলেছি–
কাঠঠোকরা যেদিন আমাকে ঠুঁকড়ালো,
সেদিন তুমি কোথায় ছিলে?
আজকে আবার বাঁচাতে এসেছ কেনো?
সেদিন তো সব নিজের করেই নিলে।
আজ অনেকদিন পরে মনে পরে গেলো,
তুমি ছিলে জাতিগতভাবে ভাস্কর;
কল্পনার মূর্তি এঁকেছ নিখুঁতভাবে,
আর তৈরী করেছ দুমুখী কণ্ঠস্বর।

সম্পর্কিত পোস্ট

তুলসী বনের বাঘ

তুলসী বনের বাঘ --আল-মুনতাসির। চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! ছদ্মবেশে ছড়িয়ে দিলো বিষম বিষের নাগ। ইচ্ছে করে কামড় খেলে, ভরলে হৃদয় বিষের নীলে কী করে আর দেখবে প্রিয় কৃষ্ণচুড়ার বাগ ? চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! চোখে তোমার বিষের তেজে পর্দা এলো নেমে, জগত...

ভালোবাসা রং বদলায়

: ভালোবাসা রং বদলায় লেখা: অদ্রিতা জান্নাত ছোট মেয়েটা খুব করে কেঁদে কেঁদে অনুরোধ করেছিল আমি যেন একটি হলেও তার কাছ থেকে ফুল কিনে নেই, ঠিক যতবার আমি তাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলাম সে যেন ঠিক ততটাই আমার পিছু ছুটতে লাগল। আচ্ছা, এই যে শিশুটা যে কিছু টাকার বিনিময়ে আমাকে...

গোপন আর্তনাদ

কবিতা - গোপন আর্তনাদ #জয়নাল_আবেদীন মনে পড়ে কাজল চোখে মুগ্ধ করে রাখতে আমায়। কখনো নির্মল হাসিতে ভরিয়ে দিতে চারপাশ। ভুলে গেছো সেদিন ঘাটের পাশে নূপুর পায়ে নৃত্যের তালে এসেছিলে। লাল শাড়িটা এলোমেলো জড়িয়ে, মুখটা কেমন গম্ভীর ও করুণ দেখেছিলাম। বারবার আকাশে মেঘের গর্জন, বৃষ্টির...

৭ Comments

  1. বুনোহাঁস

    কবিতায় আপনার প্রতিভা আছেবেশ। টের পেলাম। অনেক ভালো লিখেছেন।পাঠেও বেশ তৃপ্তি পেলাম। বেশ বাস্তবিক একটি লেখা।
    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  2. আফরোজা আক্তার ইতি

    বেশ ভালো হয়েছে। কবিতার চরণে প্রিয় সঙ্গীর প্রতি অভিমান এবং তার অন্যায়ের প্রতিবাদ একই সাথে ফুটে উঠেছে। শব্দচয়নগুলো অসাধারণ।
    ঠুঁকড়ালো শব্দটা ঠোঁকড়ালো হবে।

    Reply
  3. Halima tus sadia

    ভালো লেগেছে।কবিতার বর্ণনাভঙ্গী খুবই ভালো ছিলো।
    বেশ গুছিয়ে লিখেছেন।

    পতিদেবতা সবার একান্ত,
    এই পতিদেবতাটা বুঝলাম না।
    কবি এখানে কি বুঝাতে চেয়েছেন?
    শুভ কামনা।

    Reply
  4. তাহসিন আহমেদ

    আপনাকে ধন্যবাদ ও ভালোবাসা @বুঁনোহাস

    Reply
  5. তাহসিন আহমেদ

    ঠুঁকরালো?????? আসলে আমি শিওর নই। ঠুঁকড়ালো মানিয়ে যাচ্ছে বলেই হয়তো ঠুঁকড়ালো লিখেছি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। @আফরোজা আক্তার ইতি

    Reply
  6. তাহসিন আহমেদ

    ভারতবর্ষে খুব সম্ভবত স্বামীকে পতিদেব বলা হতো। আমি এখানে পতিদেবতা বলতে স্বামীকেই বুঝিয়েছি। এটা কে কি মেটাফোর বলা যায় কি না ঠিক বলতে পারছি না। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। @halima tus sadia

    Reply
  7. মাহফুজা সালওয়া

    খুব সুন্দর ভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন কবি।
    সাবলীল ভঙ্গি আর অসাধারণ শব্দচয়ন কবিতার সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে দিয়েছে।
    চাপা অভিমান,প্রিয়জন থেকে ঠকা, অতঃপর নিজেকে শক্ত করে তোলা।সবমিলিয়ে মনমুগ্ধকর একটি কবিতা উপহার দিয়েছেন আমাদের।
    কবিকে জানাই শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা।।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *