আমি জমিদারের বংশধর
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৭
লেখকঃ vickycherry05

 75 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ vickycherry05

মোহাম্মদ জুনায়েদ

 

বাবা পড়া লেখাও করতেছিস না, কোন কাজও করতেছিস না। এইভাবে চললে খাবো কি বলতো? উফ! মা, আমরা জমিদারের বংশধর। আমাদের কাজ করা চলে নাকি? আর চাকুরী করা কি আমাদের সাথে যায়? তাহলে কি করবি বলে ঠিক করেছিস? কেনো কিছু করবো কেনো, আমাদের এখনো একটা চারতলা বিশিষ্ট বাড়ি আছে সেটা ভাড়া দিয়ে চলবো। তোর বাবাও একি কাজ করতেন। তোর দাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বিক্রি করে করে তোকে পড়িয়েছেন, আর সেই সম্পত্তির অবশিষ্টাংশ হিসেবে এই বাড়িটা আছে। এই শেষ সম্বলটুকুও কি রাখতে দিবি না। অন্তত তোর ভবিষ্যতের জন্য কিছু একটা কর। ওহ হো, বিরক্ত করো নাতো। আমাদের রক্ত জমিদারের রক্ত, কোথাও কাজ কিংবা চাকুরী করা আমাদের সাজে না। একদিন ভিক্ষে করে খেতে হবে মনে রাখিস। এই আমি বলে রাখলাম। মায়ের কথা কর্ণপাত করেনি সে। মা বাবা মারা যাওয়ার পর বসে বসে খাওয়া আর ডায়ালগ বাজি ছাড়া কিছুই করে নাই সে। বিয়ে করেছে, তার ঘরে আজ দুই সন্তান। বউ এর ভরণপোষণ আর সন্তানদের নানান চাহিদা মেটাতে গিয়ে বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বল সেই চারতলা বাড়িটাও বিক্রি করে দিয়েছে। অতঃপর সে আজ সত্যিই ভিক্ষুক। ভিক্ষা করার সময় এক ভদ্রলোক তাকে একটা দুই টাকার নোট ভিক্ষা দিলো। কিন্তু তার মুখ ফসকে বেড়িয়ে আসলো___ ” আমি জমিদার বংশের ছেলে, দুই টাকা ভিক্ষা আমাকে মানায় না”!!

সম্পর্কিত পোস্ট

মা

মা

ইশু মণি বাহিরে ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে তাসবিহ্ ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ করে ঘরের এক কোণে গুটিসুটি মেরে বসে আছে।টিনের চালে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ায় অনবরত শব্দ হচ্ছে, বাসার সাথে লাগানো পেয়ারা গাছটার বিশাল বড় ডালপালা গুলো চালের উপর চলে এসেছে বারবার সেগুলো বারি খাচ্ছে যার কারণে শব্দ...

শখের পাখি

শখের পাখি

লেখিকা-উম্মে কুলসুম সুবর্ণা এই তো সেদিন মেলা থেকে বাসার ছোট্ট ছেলেটা আমাকে কিনে এনেছিলো। তখন তো ছানা পাখি ছিলাম এখন বুড়ো হয়েছি। বাসায় মোট ছয়জন থাকে। আগে ভাবতাম দুই রুমের ক্ষুদ্র ফ্ল্যাট এ এত গুলো মানুষ কিভাবে থাকতে পারে। পরে বুঝলাম এই সব কিছু ছেলের বউয়ের চমৎকার। অনেক...

নীল কমলিনী

নীল কমলিনী

অনুগল্প: নীল কমলিনী লেখা: অনুষ্কা সাহা ঋতু . চন্দনের শেষ ফোঁটাটা দিয়েই মা ঝরঝর করে কেঁদে ফেললেন। ছোট বেলায় এমন কত সাজিয়েছেন আমাকে। তখন মুচকি মুচকি হাসতেন, আর আজ কাঁদছেন। মা টাও ভারি অদ্ভুত। আচ্ছা, তবে কি দুটো সাজের অর্থ ভিন্ন! কি জানি? . হঠাৎ শঙ্খ আর উলুধ্বনি ভেসে...

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *