নামঃসময়ের বেড়াজাল
~মাহফুজা হক তানজিলা।
:
এই যে দেখো সাগর তীরে,ছোট্ট বালু-ঘর
ঐ যে দেখো মালেক মাঝির নৌকা বাধার চর
ছোট্ট ঢেউয়ের আনাগোনা,স্রোতের সাথে বয়;
টুনটুনিটা গাছে বসে কত্ত কথা কয়!
ওসব অনেক আগের কথা,গল্প বলি এসো;
চুপটি করে আসন পেতে আমার পাশে বসো।
এক যে ছিলো মালেক মাঝি,নৌকা বাইতো রোজ
নদীর সাথে ঢেউয়ের মিলের রাখতো সদা খোঁজ!
মালেক মাঝির নৌকা ছিলো,ছিলো ছোট্ট খুঁকি,
ছোট্ট খুঁকি নদীর তীরে করতো আঁকিবুকি।
খুঁকির যে খুব ইচ্ছে ছিলো, নায়ের সাথে যাবে,
ঢেউয়ের তালে গা হেলিয়ে প্রাণের কথা কবে।
ইন-বিনিয়ে কত কথা! বায়না কতো রোজ,
বাবার সাথে পেতেই হবে সমুদ্দুরের খোঁজ!
ঐ-খানেতে রাজার বেশে রাজপুত্তুর আছে
হিরে মানিক ধন জহরত কতো কি তার পাছে!
ছোট্ট খুঁকি ভাবতে থাকে,ঐ খানেতে যেয়ে-
আনবে সে এক নৌকো বিশাল বাবার জন্য চেয়ে।
মায়ের জন্য তাঁতের শাড়ি,বোনের পুতুল বর
লাল গাইটার জন্য বাসা,গাঁদা গাঁদা খড়।
কিন্ত সেদিন বাবা গেলো,মাঝসাগরে হায়,
বাবার তরে ছোট্ট খুঁকির সময় কেটে যায়।
ঝড় আসে এক,তুফান আসে, লণ্ডভণ্ড সব!
গাছগুলো সব ভেঙে পরে বিভৎস এক রব।
এক পলকে সব ভেসে যায়, সব হয়ে যায় শেষ;
ছোট্ট খুঁকি লুটিয়ে পরে প্রাণের অবশেষ।
সেই যে বাবা নৌকা নিয়ে মাঝসাগরে গেলো,
সেই তো গেলো প্রাণের বাবা আর ফিরে না এলো।
মায়ের জন্য তাঁতের শাড়ি আর হলোনা আনা,
রাজপুত্তুর কোথায় থাকে? তাও হলোনা জানা।
খুঁকি এখন জানে কেবল,বাবা আছে তারায়-
সবটা এখন বিষাদ লাগে, মুমূর্ষু এ ধরায়।
যদি পাশে থাকো
তাসফিয়া শারমিন ** আজকের সকালটা অন্য রকম। সাত সকালে আম্মু বকা দিলো। মানুষের ঘুম একটু দেরিতে ভাঙতেই পারে। তাই বলে এত রাগার কী আছে ?একেবারে যে দোষ আমারও তাও নয়। মানুষ ঘুম থেকে উঠে ফোনে বা দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে। কিন্তু আমি উঠি জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের আলো দেখে।কে জানে...
সত্যিই চমৎকার লিখেছেন।বর্ণনাভঙ্গি ভালো।
পড়ে ভালো লাগলো।
মনোমুগ্ধকর লেখা। ছন্দেরও মিল আছে।
সাগর তীরে ছোট্ট বালুর ঘর ছিলো।কতো স্বপ্ন ছিলো।সব ভেসে গেল।
গেলো–গেল
শুভ কামনা রইলো।
“খুঁকি এখন জানে কেবল,বাবা আছে তারায়-
সবটা এখন বিষাদ লাগে, মুমূর্ষু এ ধরায়।”
এই দুটো লাইনই এখন শিশুটির জন্যে সান্ত্বনা।
চমৎকার ছিলো ছড়াটি।শুভকামনা নিরন্তর
এ পর্যন্ত যে কয়টা কবিতা পড়লাম, সবগুলো থেকে এটা ব্যতিক্রম। বানান ভুলও চোখে পড়লো না তেমন। তবে বর্তমান বানানরীতিতে ঐ না হয়ে বোধহয় ওই লিখতে হয়।
এ পর্যন্ত যে কয়টা ছড়া পড়লাম, সবগুলো থেকে এটা ব্যতিক্রম। বানান ভুলও চোখে পড়লো না তেমন। তবে বর্তমান বানানরীতিতে ঐ না হয়ে বোধহয় ওই লিখতে হয়।
এ পর্যন্ত যে কয়টা ছড়া পড়লাম, সবগুলো থেকে এটা ব্যতিক্রম। বানান ভুলও চোখে পড়লো না তেমন। তবে বর্তমান বানানরীতিতে ঐ না হয়ে বোধহয় ওই লিখতে হয়। শুভকামনা আপনার জন্য।
ছড়ার ছলে সুন্দরভাবে একটি কাহিনী ফুটে উঠেছে। লেখনী খুব ভালো। ছন্দ মিলও বেশ ভালো ছিল। চিহ্ন ব্যবহারেও কোনো ভুল নেই। সবকিছু মিলিয়ে খুব সুন্দর। এভাবেই লিখে যান।
অনেক অনেক শুভ কামনা।
ঐ-ওই
বাধার -বাঁধার
কত্ত-কত
খুঁকি-খুকি
রাজপুত্তর – রাজপুত্র
মাঝসাগরে -মাঝ সাগরে
ছড়াটা ভালো ছিল সবখানে অন্ত্যমিল ঠিক আছে, তবে মাত্রা ঠিক নেই। অনেক জায়গাতে ৮মাত্রা হয়েছে অথচ ছন্দের পাশেরটা মাত্রা ৭টি। আবার অনেক জায়গাতে ৬টা আর তার বিপরীত ৫টা। শেষে দিকে আরেকটা ছন্দের লাইনে মাত্রা ৯টা অথচ তাঁর বিপরীত ৭টা। ছড়াকার অন্ত্যমিল রাখলেও মাত্রা মিল রাখতে পারেনি অনেক জায়গাতে। আগামীতে মাত্রা ঠিক রেখে লিখবেন আশা করি, শুভ কামনা রইল।