ভালোবাসার ছোট গল্প
প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০১৮
লেখকঃ vickycherry05

 170 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ vickycherry05

গল্প লেখকঃ
AB Ibrahim Rahel
( এপ্রিল – ২০১৮)
………………

সে ঃ ঘাসফুল
আমিঃ বাহ! আলাদা সৌন্দর্য ও আছে।
ঘাসফুলঃ বুনো গন্ধও আছে।
আমিঃ জল রঙের শাড়ীতে আপনাকে অপার্থিব সুন্দর লাগে। আচ্ছা ঘাসফুলের ঝুড়ি চুড়ি পড়তে নেই?
ঘাসফুলঃ এই ললনার চুড়ির সুরে মুগ্ধ হবার কেও নেই যে তাই।
– কেও হয়ত অভিভূত হবার অপেক্ষা করছে?
– সেটা তো আমি জানি না। শুধু এটাই জানি এই ললনার সুরে কেও মুগ্ধ হয় না।
– আচ্ছা ঘাসফুল তুমি আমারে থেকে কি চাও?
– কিছুই না শুধু মনেতে মনেতে মনের আলিঙ্গন চাই।
– নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে চাও?
– হ্যা, সাথে বিশ্বাসের ও ঘ্রাণ।
– আচ্ছা, বুঝবে কি করে খাঁটি কিনা?
ঘাসফুলঃ খাঁটি ভালোবাসার ঘ্রাণে নেশা থাকে। অনুভূতি গুলো দোল খায় মাতাল হাওয়ায়।।
আমি ঃ আচ্ছা দিলাম হৃদয়, বিশ্বাস,ভরসা সব। কি করবে এগুলা দিয়ে?
– ভালোবাসার চাষ করবো,শীতল কোমল ভালোবাসা।
– জানো,তুমি আমার ভালোবাসা নামক স্কুল, যেখানে আমি রোজ হাজিরা দেবো।।

ঘাসফুলঃ আর তুমি আমার ভালোবাসা নামক ভাইরাস, যার কোনো এন্টি ভাইরাস নাই!
আমিঃ তুমি আমার মনের দেয়ালে টাঙানো দেয়াল ঘড়ি, সারাক্ষণ শুধু টিক টিক করো!

ঘাসফুলঃ তুমি আমার সরষে ইলিশ,পান্তা ইলিশ,ঝালমুড়িতে ঝোল, তুমি আমার মনের বালিশ, জৈষ্ঠে পাকা চৈত্রৈ আমের বোল!
আমি ঃ তুমি আমার সন্ধ্যেতে ভোর, স্বপ্নে বেঘোর,তালপাতাতে সুখ, তুমি আমার জোয়ার পাশা, কেঁদেও হাসা রংতুলিতে মুখ!

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *