সৎ মা
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮
লেখকঃ

 265 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখিকা : তাসফিয়া তানহা ঝুম
,,
>কি ব্যাপার তুমি নিচে বিছানা করছো কেনো তাসফিয়া।
>আমি নিচে ঘুমাবো তাই,,
>নিচে ঘুমাবে(ভ্রু কুচকে)নিচে ঘুমাবে কেনো। আজ আমাদের বাসর রাত আর তুমি আমাদের বাসায় প্রথম এসছো তোমার কি নিচে শোয়া মানায়।
>কি মানায় আর কি মানায় না সেটা আমি দেখে নিবো।আমি নিচেই ঘুমাবো আমাকে এক দম বিরক্ত করবেন না।আর হ্যা ভুলেও আমি ঘুমিয়ে যাবার পর আমার দিকে হাত বাড়াবেন না।কথাটা যেন মনে থাকে।
,,,
তাসফিয়ার কথায় যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পরার অবস্থা সজিবের।পরিবারের এবং তাসফিয়ার সম্মতিতেই তাসফিয়া কে বিয়ে করেছে সজিব।সজিব ও কিছুটা চিন্তিত ছিল তাসফিয়া কে নিয়ে।যে মেয়ে তাকে বিয়ে করার চেয়ে মরতে রাজি ছিলো হঠাৎ এক দিনের মধ্যে কি।এমন হলো যে সে সজিব কে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেলো,,,
চলুন ঘুরে আসি কিছু দিন পিছে,,
>অনু বাজার গুলো ধরো।(এজাজ তাসফিয়ার বাবা)
>এতো বাজার সদাই দিয়ে কি হবে।(অনু তাসফিয়ার সৎ মা)
>আজ তাসফিয়া কে দেখতে আসবে ছেলে পক্ষ।তেমন ভালো হলে বিয়ে দিয়ে দিবো। (এজাজ)
>তোমার ওই নেকিসরি মেয়ে কে বিয়ে করবে শুনি।নড়তে নড়ে যা অলসের ঢেঁকি। (অনু)
>এভাবে বলছো কেনো অনু।আমার মা মরা মেয়ে টা বিদায় হলে তুমিও তো বাঁচো। (এজাজ)
>এএএই বাচি মানে বাচি মানে কি হ্যা।কি বুঝাতে চাইছো কি তুমি।আরে যখন পাত্রপক্ষ শুনবে যে তোমার মেয়ে বাজা কোনো দিন মা হতে পারবে না তখন কি আর বিয়ে করবে।শুধু রুপ থাকলেই হয়না বুঝলে।অযথা এতো টাকা খরচ করে বাজার করে টাকা নষ্ট করলে।(অনু)
>আহ তনু, (হালকা ধমকের সুরে)তুমি আজ কাল বড্ড বেশি কথা বলো।আমি ছেলে আর ছেলের পরিবার কে সব কিছু বলেছি তাসফিয়ার ব্যাপারে।(এজাজ)
>সব শুনার পরেও তারা মেয়ে দেখতে আসবে।তাহলে নিশ্চয় কিছু ঘাপলা আছে এর ভেতরে(অনু)
>হ্যা আসবে।কারণ ছেলের ও একটু সমস্যা আছে(এজাজ)
>কি সমস্যা(অনু)
>ছেলের আগে একবার বিয়ে হয়েছিলো।বউ মারা গেছে আর আগের বউয়ের দুইটা বাচ্চা আছে ২ বছরের একটা আর ৫ বছরের একটা।যেহেতু তাসফিয়ার বাচ্চা হবে না কোনো দিন সেহেতু ওখানেই বিয়ে দিলে ভালো হবে এতিম বাচ্চাদের মানুষ করবে।তাছাড়া ছেলেও ভালো আর ভালো চাকরি করে।(এজাজ)
>কিন্তু তাসফিয়া কি রাজি হবে এই বিয়েতে,,(অনু)
>রাজি অকে হতেই হবে।যাও রান্না করো তাড়াতাড়ি (এজাজ)
,,
তাসফিয়া এতোক্ষণ আড়াল থেকে বাবা মায়ের সব কথা শুনছিলো আর চুপি চুপি কাঁদছিল। তাসফিয়ার এখন ১৮ বছর বয়স।যখন তাসফিয়ার ১০ বছর বয়স তখন একটা রোড এক্সিডেন্ট হয় তাসফিয়া আর তাসফিয়ার মায়ের।ঘটনাস্থলেই মারা যায় তাসফিয়ার মা আর তাসফিয়া প্রাণে বেচে গেলেও সারা জীবনের খাত নিয়ে বেচে গেলো। মানে ডাক্তার সেদিন বলে দিয়েছিলো তাসফিয়া কোনো দিন মা হতে পারবেনা। তাই ওর যখন বিয়ে হবে তখন যেন কোনো কিছু না লুকায়।এই কথা শুনে তাসফিয়ার অনেক ভালো ভালো বিয়ে এসেও ঘুরে গেছে ছেলে পক্ষ।
,,
রাত ৮ টা বাজে।ছেলে পক্ষ দেখতে এসছে তাসফিয়া কে।৪ জন লোক সহ ২ টা ছোট বাচ্চাও এসেছে। তাসফিয়া কে উনাদের সামনে এনে বসালেন অনু।তাসফিয়া এসে বসার সাথে সাথেই ছোট বাচ্চা দুটো ছুটে এসে তাসফিয়া কে জড়িয়ে ধরলো।
,,
>তুমি আমাদের নতুন আম্মু হবে,,(সুমি)
>তুমি আমাদের ভালোবাসবে তো,,(লামহা)
>তুমি চলো না এখনি আমাদের সাথে। আমরা তোমাকে একটুও বিরক্ত করবো না promise,, (সুমি)
,,,
তাসফিয়া একটা শুষ্ক হাসি দিয়ে বাচ্চা দুটার গাল দুই হাত দিয়ে ছুঁয়ে দিলো কিন্তু মুখে কিছু বললো না।সজিব সাহেব উঠে এসে বাচ্চাদের নিয়ে গিয়ে বসালো।এই বিয়েতে সবারি মত।শুধু দ্বিমত করলো তাসফিয়া।তাসফিয়া সবার সামনে বলে দিলো এই বিয়েতে সে রাজি না।তাসফিয়ার না শব্দটাতে সব চেয়ে বেশি কষ্ট পেলো যেন সুমি আর লামহা।প্রায় কেঁদেই ফেললো। নিজের জন্য না হোক বাচ্চাদের জন্য সজিব সাহেব একবার একা কথা বলতে চাইলো তাসফিয়ার সাথে।সবার অনুমতি পেয়ে সজিব তাসফিয়ার রুমে গেলো। গিয়ে দেখে জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে কাঁদছে তাসফিয়া।
,,
>আমাকে বিয়ে না করার কারণ টা কি আমি জানতে পারি,,(সজিব)
>,,,,(তাসফিয়া)
>আমার জন্য না হোক আমার ছোট দুইটা বাচ্চার জন্য কি আপনি আমাকে বিয়ে করতে পারবেনা তাসফিয়া,,(সজিব)
>,,,,,(তাসফিয়া)
>আচ্ছা ঠিক আছে। ভালো থাকুন আপনি,,, আমরা তাহলে আসছি।(সজিব)
,,
সজিব সাহেব তাসফিয়ার রুম থেকে বের হতেই সুমি আর লামহা ছুটে এলো সজিব সাহেবের কাছে।
,,
>আব্বু আব্বু, আম্মু কি রাজি হলো যেতে।(সুমি)
>,,,,(সজিব)
>ও আব্বু বলো না আম্মু কি যাবে না আমাদের সাথে,,,,(লামহা)
>না মামুনি,, চলো বাসায় চলো(সজিব)
,,
মনের অজান্তেই যেন চোখের কোণে পানি চলে এলো সজিব সাহেবের।সবাই কে নিয়ে চলে গেলো বাড়ি। উনারা যাবার পর তাসফিয়ার উপর যেন নেমে এলো জাহান্নামের আজাব।অনু লাঠি রেখে খুন্তি, খুন্তি রেখে ঝাড়ু, যা পাচ্ছে তাই দিয়েই মারতে শুরু করলো তাসফিয়া কে।আজ এজাজ সাহেব ও মেয়ের মার ধরতে এলো না।আজ এজাজ সাহেব ও ক্ষিপ্ত মেয়ের উপর।অনুর ছোট ৫ বছরের মেয়ে তনু তাসফিয়ার মাইর দেখে ভয়ে কাঁদছে। কিন্তু তাসফিয়া কোনো প্রতিবাদ করছে না। করছেনা নিজেকে মাইরের হাত থেকে বাচানোর চেষ্টা।
রাত ১২ টা বেজে গেছে।সবাই যে যার মত ঘুমিয়ে গেছে কিন্তু ঘুম নেই তাসফিয়ার চোখে।এখনো ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে বিছানায় পরে।এজাজ সাহেব প্লেটে কিছু খাবার নিয়ে আসলো তাসফিয়ার রুমে।
,,
>আর কাঁদিস না মা।দেখ আমরা তোর খারাপ চাইনি।
উঠ মা খেয়েনে কিছু,(এজাজ)
>আমি খাবো না তুমি নিয়ে যাও এগুলো(ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে) (তাসফিয়া)
>ভেবে দেখ মা ছেলেটা অনেক ভা,,,(এজাজ)
,,
এজাজ সাহেবের কথা শেষ না হতেই পেছন থেকে অনু এসে খাবারের প্লেট ফেলে দিলো।
,,
>ওর খাওয়া বন্ধ যদি ও এই বিয়ে না করে।ওরে ও হারামজাদি ভয় পাচ্ছিস তাই না ভয় ভয়।এইটাই ভাবছিস যে তুই যেমন আমার হাড় মাংস জ্বালিয়ে খাস তেমনি ওখানে বিয়ে হলে তোর হাড় মাংস জ্বালাবে সতিনের বাচ্চা সেই ভয়ে বিয়ে করবি না।আমি তো ভয় করেছিলাম না বিয়ের সময় যে আমার সতিনের মেয়ে আছে।তাহলে তুই কেনো রাজি হচ্ছিস না।এই চলে আসো তো (এজাজের উদ্দেশ্যে)কাল সকালেই ওদের ডেকে এনে আপদ বিদায় করবো।(অনু)
,,
অনু কথা গুলো বলেই চলে গেলো। তাসফিয়ার কান্না যেন আরো বেড়ে গেলো।
,,
>মারে কিছু মনে করিস না তোর মায়ের কথায়।তুই সজিব কে বিয়ে করে ওর বাচ্চাদের মা হয়ে দেখিয়ে দে যে সৎ মা খারাপ না।আমার বিশ্বাস আছে যে তুই ওদের ভালোবাসবি আদর করবি।কারণ তুই ও ওদের মতই এতিম রে মা।(এজাজ)
,,
এজাজ সাহেব নিজের রুমে চলে গেলো।
সকাল বেলা উঠে তাসফিয়া এজাজ সাহেবের কাছে গেলো,,,
>বাবা আমি রাজি বিয়েতে(তাসফিয়া)
>সত্যি,,,তাহলে আমি এখনি সজিব সাহেব কে কল করে জানাচ্ছি (এজাজ)
,,
এজাজ সাহেব সজিব সাহেব কে কল দিয়ে সব জানালো।
আজ শুক্রবার আগামীকাল শনিবারে বিয়ে।তাসফিয়া কে বিয়ে করে বাড়ি আনার পর সুমি আর লামহার আনন্দ আর দেখে কে।
,,
সকাল বেলা সজিব আর তানহার ঘুম ভাংলো সুমি আর লামহার ডাকে।বাইরে থেকে দরজা ধাক্কাচ্ছে দুজন আর আম্মু আব্বু বলে এক নাগাড়ে ডেকে চলেছে।তাসফিয়া তাড়াতাড়ি উঠে মেঝে থেকে বিছানা তুলে দরজা খুলে দিলো।
,,
>গুড মর্নিং আম্মু (এক সাথে সুমি লামহা)
>শুভ সকাল সুমি, লামহা(তাসফিয়া)
,,
নিজের কাছে টেনে নিলো লামহা আর সুমিকে তাসফিয়া।বাচ্চা মানুষ করার অভিজ্ঞতা কিছু টা তাসফিয়ার আছে কারণ তাসফিয়া সৎ বোন তনু কে ছোট থেকে পালন করেছে।সেই অভিজ্ঞতায় এখন কাজে দিবে।তাসফিয়া ফ্রেশ হয়ে সবার জন্য নাস্তা রেডি করলো।সজিব সাহেব ও ফ্রেশ হয়ে নাস্তার টেবিলে এসে দেখে তাসফিয়া লামহা আর সুমিকে মুখে তুলে খাওয়াই দিচ্ছে আর মজা করছে।কিছুক্ষণের জন্য সজিবের মনে হচ্ছিলো যেন লতা (সজিবের আগের বউ)খাওয়াই দিচ্ছে বাচ্চাদের।লামহার ডাকে বাস্তবে ফিরে এলো সজিব।সবাই নাস্তা শেষ করলো।সজিব অফিসের জন্য আর আর লামহা স্কুলের জন্য রেডি হলো।লামহা কে বের হবার আগে একটা চুমু দিলো কপালে তাসফিয়া।সেটা দেখে সুমিও ছুটে এলো।
>আমার চুমু কই হু,(সুমি)
>ওলে সোনা তুমিও নিবা(তাসফিয়া)
,,
তাসফিয়া সুমি কেও একটা চুমু দিলো।
,,
>আমার টা কই(সজিব)
,,
আমারটা কই বলেই সজিব আর এক সেকেন্ড ও দেড়ি করেনি সেখানে লামহা কে নিয়ে বেরিয়ে পরে।তাসফিয়া অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। সারা বেলা গল্প,খেলা,ঘুম, রান্না করে পার করলো সুমির সাথে তাসফিয়া।লামহা ফিরেছে স্কুল থেকে।দুই মেয়ে কে নিয়ে অনেক খুশি তাসফিয়া।মনে মনে ভাবতে লাগলো তাসফিয়া,,
,
>আমি নিজে যতোটা অবহেলা অনাদরে বড় হয়েছি সৎ মায়ের কাছে আমি আমার দুই মেয়ে কে তার কিঞ্চিৎপরিমাণ অবহেলা তোদের পেতে দিবো না।আর কাউ কে দিয়ে না হোক আমি নিজেকে দিয়ে বদলে দিবো সৎ মা শব্দ টা অত্যাচারী না মমতাময়ী করে,,,,
,,,
,,
(পৃথিবীর বুকে এমন অনেক আছে যারা সৎ মা হয়ে হয় অত্যাচারী মা(তবে সবাই এক না)মা তো মা ই হয়। তাই মা হারা বাচ্চাদের না হয় একটু ভালোবাসুন।দেখবেন আপনি যদি তাদের এক গুণ ভালোবাসেন তারা আপনাকে শত গুণ ভালোবাসবে কারণ তারা মা হারানোর কষ্ট টা জানে তাই দ্বিতীয় বার হারানোর ইচ্ছে তাদের হবে না।)
,,
সমাপ্ত

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৯ Comments

  1. Tasfiya Sharmin

    really nice

    Reply
    • Tasfiya Tanha Jhum

      thank u apu

      Reply
  2. আখলাকুর রহমান

    উল্লেখকৃত ভুল দেখে নিন।

    করছো কেনো তাসফিয়া। – কেন তাসফিয়া?

    হ্যা – হ্যাঁ

    ভেঙে পরার – পড়ার

    তাসফিয়া কে – তাসফিয়াকে (“কে” শব্দের সাথে বসবে এক্ষেত্রে)

    বাজার গুলো – বাজারগুলো

    বাচি – বাঁচি

    রাজি অকে – ওকে

    বিছানায় পরে – পড়ে

    বিরামচিহ্নের প্রচুর অপব্যবহার হয়েছে। লেখা মার্জিত রাখার চেষ্টা করবেন। যেন সহজেই পাঠক হৃদয় আকৃষ্ট করতে পারে।
    আরো ভালো লেখা পাওয়ার অপেক্ষায়।
    শুভ কামনা রইল।

    Reply
    • Tasfiya Tanha Jhum

      thanks for your comment

      Reply
  3. আফরোজা আক্তার ইতি

    গল্পের মূল বার্তা ও থিম খুবই সুন্দর। কাহিনীও সুন্দর। তবে তা বর্ণনাভঙ্গির কাছে মার খেয়ে গেছে। মনে হচ্ছে লেখার হাত খুবই কাঁচা।
    আমাদের সমাজে এমন সৎ মা নামক অনেক ডাইনিই আছেন, যারা মাতৃত্বের নামে সন্তানের অমঙ্গল করার চেষ্টা করেন সর্বদাই। তাদের এরূপ ব্যাবহারের কারণে মানুষ ভাবে সৎ মা মাত্রই একজন দজ্জাল নারী। অথচ তারাও সন্তানদের ভালোবেসে নিজের সন্তান হিসেবে আপন করে নেয়ার কথা ভাবে কতজন?
    বানানে প্রচুর ভুল আছে। আর কথোপকথনের শেষে চরিত্রের নাম না দেয়াই ভালো। উক্তিগুলো “_” এর মধ্যে রাখবেন। বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার হয় নি।
    শুভ কামনা রইল।

    Reply
    • Tasfiya Tanha Jhum

      thanks for your comment

      Reply
  4. রেজাউল করিম

    সু্ন্দর প্রকাশ।

    Reply
  5. মাহফুজা সালওয়া

    অনেক ভালো থিম।
    গল্পের মেসেজ টাও দারুণ।
    তবে,বর্ণণাভঙ্গি,বানান-ভূল,বিরামচিহ্নের অপপ্রয়োগ ইত্যাদি প্রমাণ করে,আপনি লিখালিখিতে নিতান্তই নতুন।
    দোয়া রইল সামনে আরো ভালো কিছু উপহার দিবেন।
    ধন্যবাদ????

    Reply
  6. মাহফুজা সালওয়া

    অনেক ভালো থিম।
    গল্পের মেসেজ টাও দারুণ।
    তবে,বর্ণণাভঙ্গি,বানান-ভূল,বিরামচিহ্নের অপপ্রয়োগ ইত্যাদি প্রমাণ করে,আপনি লিখালিখিতে নিতান্তই নতুন।
    দোয়া রইল সামনে আরো ভালো কিছু উপহার দিবেন।
    ধন্যবাদ????

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *