সত্তা
প্রকাশিত: জানুয়ারী ২২, ২০১৯
লেখকঃ

 128 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখা: নিলয় রসুল

মেয়েটা ছিল নিরীহ। প্রতিবাদ কী তা সে জানত না।
এখন সে ওপারে বসে তীব্র প্রতিবাদ করে কিন্তু কেউ শুনতে পায় না। শুধু চোখের সামনে ভেসে উঠে সভ্য সমাজের অসভ্য বর্বরদের খুবলে খাওয়ার চিত্রটি। জীবনটা হয়ত এমনই তার জানা ছিল না। সভ্য সমাজ থেকে তেমন কিছু সে চেয়েছিল না। চেয়েছিল শুধু একটু মুক্তি, আর সৃষ্টিকর্তার সেরা জীব মানুষের প্রতি বিশ্বাস।
বিশ্বাসের মুল্য সবাই দিয়েছে ওকে। আসলে ও একটা কথা ভুলে গিয়েছিল, নিঃশ্বাসের যেখানে বিশ্বাস কম সেখানে মানুষকে বিশ্বাস করা অমূলক।
আদ্রি, বাবা মায়ের ভালোবাসার একমাত্র মেয়ে৷
সবে সে নবম শ্রেণিতে উঠেছে। নিজের শরীর সম্পর্কে কিঞ্চিৎ সচেতন হয়েছে।
সারাদিন পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে। নারী পুরুষ বৈষম্য বলে সমাজে কিছু একটা আছে তা এখনো ওর অজানা।
রোজ বাসে করে সে স্কুল যায় আর ফিরে আসে বিকেলে। বাসায় ফিরেই সে বসে তার ড্রয়িং টেবিলে। প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকতে সে অনেক ভালোবাসে। যতবারই প্রকৃতির ছবি আঁকে ঠিক ততবারই ও সৃষ্টি কর্তার সৃষ্টিতে বিস্মিত না হয়ে পারে না।
আঁকা আঁকি আর পড়াশোনা এই নিয়েই তার সময় চলে যাচ্ছে। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয় না বলে স্কুলে সে “ব্যাকডেটেড মাইয়্যা” হিসাবেই পরিচিত।
কলেজে ওঠার পরও সে তার নিজ সত্তায় বহাল থেকে গেছে। কারো সাথে ডেটিং যায়নি৷ কারণ ডেটিং মানেই চিটিং তা ও খুব ভালো করেই জানে।
কলেজের গণ্ডি যখন সে পার হলো তখন থেকে তার জীবনের মোড় ঘুরতে লাগল। আদ্রি অবশ্য কখনও নিজ সত্তা থেকে সরে দাঁড়ায়নি সরে দাঁড়িয়েছে সভ্য সমাজের প্রাণ অসভ্যরা, তারা তাদের ব্যবহার করা পথ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল।
বারো বছরের কঠোর পরিশ্রম করে পড়াশোনা করার ফলস্বরূপ আদ্রি ভালো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায়।
আদ্রি চেয়েছিল সভ্য সমাজের সুবোধদের মতো নোংরামি না করে পড়াশোনা করে জীবনের পথে এগিয়ে যেতে।
ভার্সিটিতে প্রথম মাস যেতে না যেতেই আদ্রিকে একজন প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল। আদ্রি প্রথমেই তাকে না বলে দেয় আর বলে, তার পক্ষে কারও সাথে কোনো রিলেশনশিপ কন্টিনিউ করা সম্ভব নয়। সে যেন তাকে আর বিরক্ত করতে না আসে।
আদ্রি সেদিনও তার সত্তায় বহাল ছিল। পিছু হাঁটেনি কারও ভয়ে। নিজেকে নিজের মতো করে গড়ে তুলে নিজের মতো করে বাঁচতে চেয়েছিল ও।
আদ্রি যখন অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে তখন অনেক চেষ্টার পর সে দু’টো টিউশনি জোগাড় করেছিল৷
নিজের পড়াশোনা আর টিউশনি সবকিছু মিলে তার দারুণ সময় কেটে যাচ্ছিল।
সময় এক অদ্ভুত জিনিস কখনও কারও কাছে একাধারে থাকতে চায় না।
বড়ই বেয়াড়া সে ঠিক প্রকৃতির মতো। মেঘ হীন রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শেষে সূর্য তার নিজ ঠিকানায় ফিরে যায়৷ নাম না জানা পাখিগুলোও ক্লান্ত দিনের শেষে শূন্য গগনে ডানা মেলে স্বাধীনভাবে তার আপন নীড়ে ফেরে।
মানুষের সাথে পাখির পার্থক্য এখানেই, তারা স্বাধীন! সমস্ত গগন তাদের বিচরণ ক্ষেত্র। আর মানুষ পরাধীন!
গত কয়েকমাস ধরে আদ্রি টিউশনি করিয়ে মেসে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়। মাঝে মাঝে রাস্তায় বখাটেদের ঝামেলা করা ছাড়া ওর তেমন কোনো সমস্যা হয় না।
কিন্তু একটা কথা আছে বিপদ যখন আসে তখন না বলেই আসে। আগে থেকে জানান দেয় না।
তবে জানান না দিলেও কিছু না কিছু সংকেত সে আগে থেকে পাঠায়। আমরা সেটা ধরতে পারি না। ফলে সতর্কও হতে পারি না। কিন্তু যারা ধরতে পেরেছে তারা রক্ষা পেয়েছে যারা ধরতে পারেনি তারা তলিয়ে গিয়েছেন তলানিতে।
বৃহস্পতিবার, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস। তাই এ রাতে বাইরে তেমন লোকজনের চাপ থাকে না। চাপ থাকে শুধু বাংলা মদের বোতল হাতে ঘুরে বেড়ানো মাতাল আর বখাটেদের। এই সময়টা মনে হয় যেন তাদের রাজত্ব।
ক্লাস ফাইভের এক ছাত্রীকে পড়িয়ে আদ্রি মেসে ফিরছে। অনেক্ষণ ধরে ও খেয়াল করেছে কয়েকটা মাতাল ওর পিছু নিয়েছে।
রাতের অন্ধকারে হাজারো ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকা রাতের কালো আকাশে ভেসে বেড়ানো কলঙ্ক যুক্ত চাঁদও আজ জ্বলছে টিম টিম করে। সে সবসময় জ্বল জ্বল করে শুধু নষ্ট তিথীতে নিশি রাতের আঁধারে লুকিয়ে থাকা কালো মেঘ এসে তাকে আচ্ছাদিত করে। তবুও সে অনেক কিছু দেখে, দেখতে পায় সমাজের ধনীক শ্রেণীর নষ্ট গলিতে করে চলা নোংরামী। দেখতে পায় হাজারো সংগঠিত অপরাধ।
“কী মনি এত রাতে কোথা হতে..!”
আদ্রি খেয়াল করল ওর একদম কাছাকাছি চলে এসেছে মাতালগুলো।
আদ্রি জবাব না দিয়ে সামনে হাঁটতে লাগল।
আদ্রির ভয় লাগা শুরু হয়ে গিয়েছে। বুকের ভিতরে হার্ট বিট ক্রামগত বাড়ছে।
আদ্রি এখন জোরে পা চালাতে শুরু করেছে। সামনের এলাকা পুরোটাই ফাঁকা। আর এলাকাটা ব্যবসায়ীদের এলাকা। কাজেই রাতের বেলা এখানে লোকজন আশা করা বোকামী ছাড়া কিছু না। আর তার ওপর বৃহস্পতিবার!
“মণি অতো ঝাঁকাচ্ছ কেন? আস্তে হাঁটো একটু…”
আদ্রি কোনো কথা না বলে যত সম্ভব দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছে। অন্য সময় হলে ঘুরে দাঁড়িয়ে থাপ্পড় মারত গালের ওপর। কিন্তু এখন সময় নেই। আদ্রীকে আরও দ্রুত হাঁটতে হবে।
হঠাৎ অনুভব করল গলার কাছে টান পড়ছে ওর। মুহূর্তেই বুঝতে অসুবিধে হলো না ওর যে বখাটেগুলো ওর ওড়না চেপে ধরেছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওড়না হেঁচকা টান দিয়ে নিয়ে নেয় ওরা। জামার সাথে ওড়না সেফটিপিন দিয়ে আটকানো ছিল ফলে ওরা যখন ওড়না হেঁচকা টান দিয়ে নিয়ে নেয় তখন জামার ওপরের অংশ টান লেগে ছিঁড়ে যায় আর ঘাড়ের কাছে সেফটিপিন গেঁথে যায়।
ঘাড়ের কাছে যেখানে সেফটিপিন গেঁথে গিয়েছে সেখান থেকে রক্ত পড়ছে অনবরত। আর তীব্র যন্ত্রণা হচ্ছে ওর তা ওর মুখের ভাব দেখেই বোঝা যাচ্ছে।
আদ্রির আর এখন এসব ভাববার সময় নেই। ও প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে নিজেকে বাঁচাতে। রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে সে সমাজে সাধরণেরা যেমন টিকতে পারে না, বেশিদিন বাঁচতে পারে না। ঠিক সেরকমই হলো এই নষ্ট তিথীতে আদ্রীর ক্ষেত্রে।
যে পুরুষ মানুষকে সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন জগৎ সংসারে সকল বিপদ আপদ থেকে দূর্বলদের রক্ষার জন্য সেই তারাই যদি রাতের নিকষ কালো আঁধারে নিজের জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে একটা মেয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাহলে এ কথা বলা বাহুল্য যে কিয়ামতের আর বেশি দেরি নেই! পৃথিবী তার অন্তিম সময়ের নিকটে চলে এসেছে।
সেদিনে আবারও আকাশে মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চাঁদটা এক নষ্ট তিথীতে ঘটে যাওয়া মেরুদণ্ডহীন কিছু পুরুষের এক নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজেদের পাশবিক চরিতার্থ করতে থাকার সাক্ষী হয়ে রইল। দেখল মানুষ এখন অমানুষের থেকেও খারাপ। চাঁদটা আরও সাক্ষী হয়ে রইল, মানুষের মনে ঢুকেছে এখন জীবন মানেই যৌনতা!
চাঁদটা সাক্ষী হয়ে রইল পৃথিবীর বুক থেকে এক মেধাকে রাতে অন্ধকারে দাপাদাপি করতে, দেখল দেশের একটা সম্পদকে নষ্ট গলির শেষ মাথায় নষ্ট হতে।
আর চাঁদটা সব থেকে বড় যে জিনিসের সাক্ষী হয়ে রইল তা হলো মহান আল্লাহ তাআ’লা এর সৃষ্টির অন্যতম সৌন্দর্যকে ড্রেনের নোংরা পানির ভিতরে তলিয়ে যেতে।
বাতাসে এখনও তার তীব্র আর্তনাদের শব্দ ভেসে আসে। ভেসে আসে বাঁচার জন্য কাকুতি মিনতি। নিজের সম্ভ্রম বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়া এক তরুণীর কান্না।
যৌন নির্যাতনের স্বীকার এক তরুণীর আর্তনাদ। সেদিনও ল্যামপোস্টের ওই টিম টিম করে জ্বলতে থাকা আলোর আড়ালে ঘটেছিল অনেক কিছু।
আর আজও ঘটছে! ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে শুধু হাফ প্যান্ট পড়ে খালি গায়ে ঘুরে বেড়ানো তিন বছরের শিশুটিও যে এখনো এটা জানে না নারী পুরুষের কী পার্থক্য!
ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে পাড়ার সেই ছেলেটাকে ভাই ভেবে দোকানে চকলেট খেতে যাওয়া অবুঝ শিশুটিও!
তবে কি চলবে এভাবেই! একে একে ধ্বংস হবে আমাদের সমাজের পথ প্রদর্শক গুলো।
আর কত! আর কতবার রাস্তায় দাঁড়িয়ে ওই অবুঝ ছোট্ট বোনের সম্ভ্রম নষ্টের বিচার চাইব আমরা! কতবার বলব, “এ ঘটনায় লজ্জিত আমরা ”
আমার আপনার ওই সামন্য লজ্জিত হওয়াতে কি ফিরে পাবে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করা সেই অবুঝ শিশুটি তার সুস্থ স্বাভাবিক জীবন?
আর কতবার বলতে হবে, জেগে ওঠো বাঙালি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করো!
তবে কী বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধের সকল অঙ্গীকার ভুলতে বসেছে! মাথা নিচু করে নির্লজ্জ কুকুরের মতো বিয়ে বাড়ির শেষ পাতে পড়ে থাকা হাড়ের জন্য অপেক্ষা করতে শিখেছে!
হয়তো আঁধার একদিন কাটবে। প্রভাতের দেখাও একদিন পাবে এ জাতি। কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে যাবে না তো! হারিয়ে ফেলব না তো আমাদের বোনদের, অবুঝ শিশুদের যাদের বলা হয় বেহেস্তের ফুল!
সমাপ্ত।
©নিলয় রসুল

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৩ Comments

  1. Halima tus sadia

    খুব সুন্দর একটি গল্প।
    তবে প্রতিযোগিতায় ধর্ষণ আর বৃদ্ধাশ্রমের গল্প অনেক পড়লাম।
    আদ্রির মতো এভাবেই কতো মেয়ের ইজ্জত শেষ হচ্ছে।
    সে খবর কেউ রাখে না।

    মুল্য–মূল্য
    ক্রামগত–ক্রমাগত
    সাধরণেরা–সাধারনেরা

    Reply
  2. Md Rahim Miah

    হয়ত-হয়তো
    মুল্য-মূল্য
    ওঠার-উঠার
    কখনও-কখনোও
    টিম টিম- জ্বল জ্বল
    কাজেই-কাজি(কিংবা তাই)
    অতো-এত
    সাধরণেরা-সাধারণরা
    প্রদর্শক গুলো-প্রদর্শকগুলো(গুলো শব্দের সাথে বসে)
    ছোট্ট-ছোট

    বাহ্ বেশ ভালো লিখেছেন বলতে গেলে । সমজের বাস্তব চিত্র ফুটে তুলেছেন। তবে আরেকটু লিখলে ভালো হতো। কিন্তু বেশিরভাগ আজকাল গল্প দেখছি ধর্ষণ আর ধষিতা নিয়ে লেখা। আসলে নারী -পুরুষ সবাইকে সচেতন হতে হবে এইসব বন্ধ করতে হলে। যদিও একবারে বন্ধ হবে কি না বলতে পারি না। যখন যৌনতা লোভ পাবে, তখন পুরুষকে ভাবতে হবে তারও বোন আছে। ছিঃ আমি কি করছি, আমার বোনে সাথেও যদি এইরকম হয়। কিন্তু কয়জন বা ভাবে এইসব। যাইহোক পড়ে ভালোই লেগেছ। বানানের দিকে আগামীতে খেয়াল রাখবেন আশা করি আর অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

    Reply
  3. আফরোজা আক্তার ইতি

    কয়েকবারের জন্য মনে হচ্ছিল আমিই আদ্রি,ঘটনাটা আমার সাথেই ঘটছে। মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করি এমন পরিস্থিতি শিকার যদি আমি হতাম তবে আমার কেমন লাগত? আমি কি করতাম? কখনোই জবাব খুঁজে পাই না। কারণ প্রতিদিন কতো মা-বোন নির্বিচারে সয়ে যাচ্ছে এই অপরাধ, কেউ প্রতিবাদ করছে, কেউবা বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করছে। কবে বন্ধ হবে এই ধর্ষণ? কবে পুরুষজাতি বুঝতে পারবে, এই নারী শুধু ভোগের বস্তুই নয়, এমনই একজন নারী আমাকে জন্ম দিয়েছেন, এমনই একজন নারী আমাকে ভাই বলে আবদার করছে, কেউ একজন নারী আমাকে স্বামী বলে সেবা করছে,একজন নারীই আমাকে বাবা বলে জড়িয়ে ধরছে। এই মেয়েটিও হয়তো কারো মা, মেয়ে অথবা বোন বা স্ত্রী। সামান্য কিছু মূহুর্তের জন্য মেয়েটির পুরো জীবন কেন নষ্ট করবো!
    গল্পটা খুবই সুন্দর হয়েছে। বানানে কিছু ভুল।
    মুল্য- মূল্য।
    মেসে- হোস্টেলে। মেয়েরা তো সাধারণত মেসে থাকে না,হোস্টেলে থাকে।
    শুভ কামনা অনেক।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *