সময়
প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০১৮
লেখকঃ

 202 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

 

গল্পঃ সময়
লেখাঃ নবনী আহমেদ

হাতে মাঝারি সাইজের একটি চটের ব্যাগ। ব্যাগের ভেতর থেকে কয়েকটা পুঁইশাকের ডাটা উঁকি দিচ্ছে। ভেতরে আর কী আছে বোঝা যাচ্ছে না। সম্ভবত তেমন ভারী কিছু নেই। কারণ ব্যাগ হাতের মানুষটি যথেষ্ট বয়স্ক হলেও বেশ সাবলীল ভঙ্গিতেই হেঁটে যাচ্ছেন। তেমন ভার সম্পন্ন কিছু হলে বৃদ্ধ মানুষটির হাঁটার মাঝে জড়তা দেখা যেত। মানুষটির বয়স আনুমানিক ৬৭ এর কাছেপিঠে। নাম রশীদ আলী। রশীদ আলী একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক।

রশীদ মাস্টার ফিরছেন বাজার থেকে। যদিও এখন সন্ধ্যা ছুঁই-ছুঁই আর এমন অসময়ে বাজারে যাওয়া তার অভ্যাসের মাঝে পড়ে না, তবুও তিনি বাজারে গিয়েছিলেন ছোট মাছ কিনতে। গিন্নি সাথে লালশাক নিতে বললেও তা না পেয়ে কয়েকটা পুঁইশাক নিয়ে নিয়েছেন। তার একমাত্র পুত্র রায়হান গ্রামে আসবে স্বপরিবারে। আজ সাত-আট দিন থেকেই তাই রশীদ আলী ও তার স্ত্রী জমিলা প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহাসমারোহে। ঘরদোর সাজানো,ছেলে,ছেলের বউ আর ছোট্ট নাতনী রুকুর সব পছন্দের খাবারদাবার এর আয়োজন করতে করতেই দিন যে কোন দিক দিয়ে চলে যাচ্ছে বোঝা যায় না।

রশীদ আলীর দুই মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়ে দুটি বড়। সবশেষে কোল আলো করে এসেছিলো একমাত্র পুত্র সন্তান রায়হান। নিজে শিক্ষক হবার কারণে সন্তানদের পড়াশোনার ব্যাপারে রশীদ আলী ছিলেন প্রচন্ড সচেতন। এমনকি বড় দুই কন্যা সন্তানকেও তিনি পড়াশোনা শিখিয়েছেন সাধ্যমত। বড় মেয়েটি নিজে এখন স্কুলের শিক্ষিকা,বিয়ে দিয়েছেন কলেজের প্রফেসর এর সাথে। স্বামী,সন্তান নিয়ে বেশ সুখের দিন কাটাচ্ছে বড় মেয়ে রুমা। ছোট মেয়ে রুমি ছিলো পড়াশোনার প্রতি উদাসীন। মেরে কেটে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর আর পড়লোই না। তাই বাধ্য হয়ে বিয়ে দিয়ে দিয়েছিলেন। অবশ্য ছোট মেয়ের জন্য ভালো পাত্র পেয়েছিলেন ভাগ্যক্রমে। ঢাকায় এক কোম্পানিতে চাকরি করা জামাই নিয়ে এই মেয়েটিও সুখেই আছে।

আর সবশেষের জন একমাত্র ছেলে রায়হান। সে ছোট থেকেই অত্যন্ত বাধ্য আর শান্তশিষ্ট। সেই সাথে অতিরিক্ত মেধাবী। আর তাই কোলের এই সন্তানের প্রতি রশীদ আলীর টান ছিলো একটু বেশিই। তিনি নিজে রায়হান এর পড়াশোনার তদারকি করতেন। আর তার পরিশ্রম বৃথা যায়নি। তার সন্তানের পরিচয়েই তিনি এখন পরিচিত। এখন আর কেউ বলে না – রশীদ মাস্টার এর পোলা রায়হান। বরং বলে এই গ্রামের প্রথম ডাক্তার রায়হান আলীর পিতা রশীদ। পিতার পরিচয়ে সব সন্তান পরিচিত হয় কিন্তু যে পিতা সন্তানের পরিচয়ে পরিচিত হতে পারে তার মত সৌভাগ্যবান আর কজন আছে? তাইতো রশীদ আলী তার ডাক্তার পুত্রের পরিচয়েই সমাজে প্রশংসিত হন প্রতিধাপে।

কিন্তু এত সাফল্য, প্রশংসা আর সুখের ভীড়ে একটিই দুঃখ কাঁটার মত বিঁধে থাকে প্রতিক্ষণ। ছেলে আর গ্রামে আসে না। যখন মেডিকেল কলেজে পড়তো,কলেজ বন্ধ হলেই ছুটে আসতো গ্রামে। আর ফেরার সময় মন খারাপ করে বলতো- গ্রাম ছাড়া,বাবা-মাকে ছাড়া তার একদম ভালো লাগে না। তারপর সময় গড়ালো, ছেলে পাশ করে বের হয়ে বড় ডাক্তার হলো, সেই সাথে ছেলের ভালো লাগায় পরিবর্তন এলো। ছেলের এখন আর গ্রাম ভালো লাগে না। রশীদ আলী যখন এক বুক আশা নিয়ে সদ্য পাশ করা ডাক্তার ছেলের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন গ্রামের হাসপাতালে যোগদানের, ডাক্তার রায়হান বাবার মুখের ওপর না করতে দ্বিধা করেনি। সে জানিয়েছিলো, এই অজ পাড়া গাঁয়ে ডাক্তারি করতে এসে সে তার ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার মত বোকামি করতে আগ্রহী নয়।

পরবর্তীতে রশীদ আলীও ভেবে দেখেছেন – ছেলের সিদ্ধান্ত সঠিক। তিনি নিজে তো সারাটা জীবন এই গ্রামেই কাটালেন। কত শত বাচ্চাকে পড়াশোনা শেখালেন,কিন্তু জীবনে তেমন উন্নতি করতে পারলেন কই! অর্থ-সম্পদ,ক্ষমতা,জশ-খ্যাতিতে পিছিয়ে রইলেন অন্যদের চেয়ে পুরো জীবন ভর। শুধু পেয়েছেন সম্মান আর ভালবাসা। তার ছাত্রদের অনেকেই আজ বড় ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,ব্যাংকার,আইনজীবী,অধ্যাপক। এখনো হুটহাট তাদের কারোর সামনে পড়লে স্যার স্যার করে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। আর অত্র এলাকায় রশীদ মাস্টারকে সম্মান করে না এমন লোক হাতে গোণা। থানার দারোগা থেকে শুরু করে মাছ বাজারের মকবুল মিয়াও তাকে দেখলে হাসিমুখে কুশলাদি বিনিময় করে। কারোর সাথেই তার শত্রুতা নেই। আর থাকবেই বা কেন? তার মত নিরীহ,বিনয়ী আর পরোপকারী মানুষ খুব কম আছে। সাধ্য অনুযায়ী সবার বিপদেই তিনি সাহায্য করেন। আর বিনিময়ে ওই শ্রদ্ধাটুকুই তার প্রাপ্তি। কিন্তু এই সামান্য প্রাপ্তিতে ডাক্তার রায়হান এর মন না ভরলে তাতে দোষের কিছু নেই। বর্তমান যুগটাই তো অনেক অগ্রসর। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারাও এক ধরনের সফলতা। আবেগের বশে বিবেকের তাড়নায় চলে সুখ নামের সোনার হরিণের সন্ধান পাওয়া দায়। আর স্কুল মাস্টার রশীদের ছেলে ডাক্তার রায়হানও যুগের সাথে খাপ খাওয়াতে যুক্তির কাছে মনুষ্যত্ব বিকিয়ে দিয়েছেন।

তবে স্রোতের টানে গা ভাসাতে গিয়ে ব্যস্ততা তাকে এতোটাই গ্রাস করেছে যে,বছরে একবারও মা-বাবার কাছে আসার সুযোগ হয় না। মা-বাবা প্রতি ঈদে চাতক পাখির মত পথ চেয়ে বসে থাকে ছেলে আসবে ফুটফুটে নাতনী আর ডাক্তার বউমাকে সঙ্গে করে। কিন্তু চেয়ে থাকা পথে তাদের দেখা আর মেলে না। সময় পায় না,ছুটি মেলে না। দিন কাটে,পথ চেয়ে থাকা বৃদ্ধ-বৃদ্ধার চোখের আশার প্রদীপ নিভুনিভু হয়।

গত তিন বছর যাবত রায়হান গ্রামে আসেনি। এরমাঝে কয়েকবার রশীদ আলী নিজেই ঢাকায় গিয়ে ওদের দেখে এসেছেন। কিন্তু কোন বারেই সস্ত্রীক যেতে পারেননি। জমিলা এতদূরের পথ যেতে রাজি হয়নি। সে গাড়িঘোড়া বড্ড ভয় পায়। সারাটা জীবন গ্রামের এই ছোট্ট গন্ডিতে কাটানো জমিলাকে অবশ্য এ কারণে দোষারোপ করা যায় না। রশীদ আলী তাই একাই গিয়েছেন। পুকুরের বড় মাছ,দেশি মুরগির ডিম,গাছের ডাব,বাগানের আম-পেয়ারা,লাউ-কুমড়া আর নাতনীর জন্য নারিকেল আলু আর পিঠা নিয়ে গিয়ে হাজির হয়েছেন ছেলের বাড়ি। তবে ছেলের বাড়িতে কখনোই বেশিদিন থাকেননি। বড় বেশি বড়লোকি চাল-চলনের সে ঘরে গ্রাম্য মাস্টার রশীদ খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি। কৃত্রিম ওইসব আলো-বাতাসে তার দম আটকে আসে। আর তাইতো কোন মতে এক-দুই রাত কাটিয়েই পালিয়ে এসেছেন নিজের ছোট কুটিরে।

রায়হানের মা ভীষণ কষ্ট পায়। হাজার হলেও সবচেয়ে ছোট আর আদরের একটাই মাত্র ছেলে। মেয়ে দুটি তবু বছর অন্তর একবার জামাই,বাচ্চা সহ এসে ঘুরে যায়। ছেলেটা যে একবারও আসে না। এতোই কাজ,এতোই দূরের পথ নাকি? পাঁচ বছরের নাতনীটাকে শেষবার দেখেছেন সেই দুই বছর বয়সে। ফুটফুট ফুলের মত বাচ্চাটার জন্য মনটা কেমন কাঁদে। দুই-তিন দিন অন্তর ছেলে অবশ্য মোবাইল করে। কথা হয় বউমা আর নাতনীর সাথেও। তবুও কি আর দুধের সাধ ঘোলে মেটে? চোখে দেখার,ছুঁয়ে দেখার আকুলতা কি আর কণ্ঠস্বর মেটাতে পারে?

অবশেষে এবারের শীতের ছুটিতে রায়হান গ্রামে আসবে বলে জানিয়েছে। আর তারই প্রস্তুতি চলছে সপ্তাহ ব্যাপী। রশীদ আলী ব্যাগ হাতে বাড়িতে ঢুকলেন। স্ত্রীর হাতে ব্যাগ ধরিয়ে দিয়েই তাড়াতাড়ি ছুটলেন মসজিদের দিকে। মাগরিবের ওয়াক্ত হয়ে গেছে। ছেলের আগমনী আনন্দে তো আর ইবাদতে গাফিলতি করা মানায় না। পড়িমরি করে তিনি ছুটলেন জামায়াতে সালাত আদায় করতে।
…..
অতঃপর সেই কাঙ্খিত দিন চলে এলো। রায়হান রওনা দিয়েছে পরিবারকে সাথে নিয়ে। মোবাইলে জানিয়েছে সব ঠিক থাকলে বিকেলের মাঝেই চলে আসবে তারা। সকাল থেকেই রশীদ মাস্টার ছুটোছুটি করছেন এখানে-সেখানে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা আর একবার যাচাই করে দেখছেন। আর জমিলা সেই ভোরবেলা থেকে পাকঘরে। কত কী যে রান্না করছে,শেষ-ই হয় না। রশীদ আলী কয়েকবার গিয়ে বলে এসেছেন- “এবার রাখো। শেষ কর সব। একটু নিজের গোছগাছ করো। এতদিন পর বউমা আসবে আর এসে শাশুড়ির এই বেহাল দশা দেখবে তা ঠিক না।” জমিলা কথা শোনেনি।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলো,বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা ঘনালো। রায়হানরা এখনো এসে পৌঁছালো না। জমিলা বেশ কিছুক্ষণ হলো বারান্দায় বসে আছে। পাশে রশীদ আলীও আছেন। জমিলা হঠাৎ করে বলে উঠলো, ” আমার কেমন বুক ধড়ফড় করতেছে। আমারে একটু ধরবা? ঘরে যামু। ”
রশীদ আলী স্ত্রীর হাত ধরে দাঁড় করাতে গেলেন। জমিলা ধপ করে মেঝেতে পড়ে গেল।

মাস্টার রশীদ আলীর টিনের বাড়ির সামনে একটি কালো গাড়ি দাঁড় করানো। গাড়ির রং প্রকৃত কালো নাকি আবছা অন্ধকারে কালো দেখাচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে না।

তিন ঘরের বাড়ির মাঝের বড় ঘরের মেঝেতে রশীদ আলী বসে আছে পা ছড়িয়ে। তার হাতে জমিলার শীতল হাত। মাস্টার সাহেব স্থির চোখে তাকিয়ে আছেন সারা শরীর কাপড়ে ঢাকা জমিলার মুখাবয়ব এর দিকে। তিনি কি আর কখনো ঐ মুখের ক্লান্ত হাসি দেখতে পাবেন না? তাকে ছেড়ে জমিলা এভাবে চলে যেতে পারলো? জমিলা তার ছেলের মুখ না দেখেই চলে গেল? এতদিনের অপেক্ষার অবসান হলো এভাবে? এ যাওয়া কি অভিমানের নাকি ক্রোধের নাকি বুকভাঙ্গা কষ্টের?
ঘরভর্তি মানুষ এর কারোর কাছে এই প্রশ্নের জবাব আছে কি?

ঘরের মাঝে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে ডাক্তার রায়হান আলী। সস্ত্রীক কন্যাসহ তিন বছর পর যখন তার গ্রামে আসার সময় হলো তখনই কিনা তার মায়ের সময় হলো ইহলোক ত্যাগের? যে ডাক্তার রায়হান শ’য়ে শ’য়ে মানুষের জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়,তারই মা কিনা তার পথ চেয়ে বসে থাকতে থাকতে হার্ট এ্যাটাক করে দুম করে মরে গেল! হয়তো এরই নাম নিয়তি। কিংবা হয়তো একেই বলে ভুলের মাশুল।

রাত গভীর হচ্ছে,স্কুল মাস্টার রশীদের চোখের জল গড়াচ্ছে আর তার ডাক্তার পুত্রের মনে অনুশোচনার পোকারা বাসা বাঁধছে। যে অনুশোচনার কোন সীমা নেই,নেই কোন প্রায়শ্চিত্ত। সময় এর কাছে মাথা নুইয়ে থাকতে থাকতে এভাবেই একদিন সময়ের কাছে হেরে যেতে হয়। তেমনি ডাক্তার রায়হান সময়ের কাছে হার মানা এক পরাজিত সৈনিক। যার বাকি জীবন কাটবে এক বিশাল আক্ষেপ নিয়ে-কেন আর একটু আগে সময় হলো না?

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৫ Comments

  1. সুস্মিতা শশী

    হায়রে সময়!
    বাস্তবতাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

    Reply
  2. Md Rahim Miah

    এত কষ্টের গল্প লিখলেন কীভাবে? চোখে পানি এসে গেল। অসাধারণ হয়েছে গল্পটা। একদম বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে আর বানানের ভুলের দিকে চোখ পড়েনি। তবে অনেক অনেক ভালো লেগেছে। শুভ কামনা রইল অনেক।

    Reply
  3. Halima tus sadia

    অসাধারণ লিখেছেন।
    চমৎকার লেখনি।
    বাস্তবতার সাথে মিল রয়েছে।
    আমাদের সমাজে অহরহ এমন হচ্ছে।
    গল্পটা পড়ে খারাপ লাগলো।
    শুভ কামনা রইলো।
    লেখার হাত ভালো।এগিয়ে যান।

    Reply
  4. অচেনা আমি

    আসসালামু আলাইকুম। গল্প প্রসঙ্গে কিছু কথা :
    গল্পটা বেশ ভালো লেগেছে। তবে একটা কথা –
    মানুষ দুঃশ্চিন্তায় হার্ট এটাক করে জানতাম। কিন্তু খুশির আনন্দেও হার্ট এটাক হয় জানতাম না। তবে লেখনী বেশ ভালো। সামান্য কিছু ভুল রয়েছে। নিচে লক্ষণীয় :
    মত – মতো (মত মানে মতামত বোঝায়। আর মতো মানে সরূপ বোঝায়)
    কজন – ক’জন
    এত – এতো
    জশ – যশ
    এরমাঝে – এর মাঝে
    এতদূরের – এতো দূরের
    বেশিদিন – বেশি দিন
    কোন মতে – কোনো মতে
    ফুটফুট – ফুটফুটে
    কর – করো
    আর স্কুল মাস্টার রশীদের ছেলে…..বিকিয়ে দিয়েছেন.. – আর স্কুল মাস্টার রশীদের ছেলে….. বিকিয়ে দিয়েছে ( ছেলের ক্ষেত্রে তুমি সম্বোধন হবে।)

    সবকিছু মিলিয়ে ভালোই লেগেছে। আগামীর জন্য শুভ কামনা।

    Reply
  5. Nafis Intehab Nazmul

    মৃত্যু টা কি অপেক্ষার কারনে হলো?

    বাবা মা সন্তান কে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করায়, মানুষ করে। অথচ, তারা বড় হয়ে টাকার নেশায় মেতে ও। ভুলে যায় বাবা মা কে। এমন ঘটনার অভাব নাই সমাজে।
    একটা কথা আছে না, ফকির ধনী হলে তার আগের অবস্থা ভুলে যায়।
    বানানে ভুল নাই

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *