রাগীনি
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮
লেখকঃ

 81 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

কবি→চাঁদনী নূর লামিয়া

এমনটা নই,আমি কাঁদি না,
দুঃখের বরফ আমার হৃদয়েও গলতে চাই!
যেমন করে আশা করি;
তোমাকে তেমন পাই না,
তাই বলে কি আমি রাগিনী হবো না?
দুই যুগ ধরে অপেক্ষায় থেকে,
আজ কেবলি আফসোস হয়—
মিছে ভালবাসায় কেন বলেছিলে?
তোমারও ছিলো আমাকে হারানোর ভয়!
তুমি অসুখে জর্জরিত হয়ে,
হেলায় হারিয়েছি জীবনের স্নিগ্ধ বসন্ত,
নইতো আমারও ছিলো ঝলমলে গৌরব,
ছিলো সুভাষ ছড়ানোর তাজা সৌরভ! দিনের পর দিন অবলীলায়;
নিঃসংকোচে থেকেছি,
তোমার প্রতিক্ষায়;
বিলিয়েছি নিজেকে কাঁটার আঘাত সইতে— ধূলিমাখা যাতনায়!
অথছ,
সেই তুমি ছিলে মহাসুখে!
সাঁতার কাটছিলে পদ্মঘেরা সরোবরে;
তোমার চারপাশে ছিলো রঙ মাখনো চিবুক,
নরম ছোঁয়াতে উত্তপ্ত ছিলো,
তোমার লোমশ বুক।
প্রতিটি ক্ষণে তুমি নতুন বসন্তের স্বাদ পানে বিভোর ছিলে,
আর আমি অবলা তোমার নামের অসুখে
নিঃশেষ হচ্ছিলাম ধিরে সয়ে,
তিলে তিলে!
উদাসী আমি,
শুষ্ক মুখে যখন চাঁদকে ধরার স্বপ্নে–
মগ্ন ছিলাম,
বেওয়ারিশ মনে করে কতো আঁখি;
মাপছিল আমার বিলাষিতা,
করছিল আমার আব্রু নিলাম।
হাই আমি অধরা,
তবুও উর্বর মস্তিষ্কের চিন্তাকে অগ্রাহ্য করেছি,
তুমি নামের অসুখে জ্বলেপুড়ে অঙ্গার হয়েছি!
অথছ,
দেখোনি তুমি একটি বারের জন্য পিছু ফিরে,
ভাব নি কেউ অপেক্ষা করছিল,
তোমার তরে পথ ছেয়ে,
বসে ছিল নীড়ে!
অবশেষে এই আমি আজ পাথরসম,
দুই যুগের প্রতিক্ষার ফসল,
তুমি অসুখে এখনো জর্জরিত মম,
মুছে যায়নি বিশুদ্ধ সেই চাওয়া,
কষ্টি পাথর ঘষে ছিলো যা আসল।
এমনটা নই,আমি কাঁদি না!
দুঃখের বরফ আমার হৃদয়েও গলতে চাই,
তাই বলে কি,আমি রাগিণী হব না?

সম্পর্কিত পোস্ট

তুলসী বনের বাঘ

তুলসী বনের বাঘ --আল-মুনতাসির। চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! ছদ্মবেশে ছড়িয়ে দিলো বিষম বিষের নাগ। ইচ্ছে করে কামড় খেলে, ভরলে হৃদয় বিষের নীলে কী করে আর দেখবে প্রিয় কৃষ্ণচুড়ার বাগ ? চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! চোখে তোমার বিষের তেজে পর্দা এলো নেমে, জগত...

ভালোবাসা রং বদলায়

: ভালোবাসা রং বদলায় লেখা: অদ্রিতা জান্নাত ছোট মেয়েটা খুব করে কেঁদে কেঁদে অনুরোধ করেছিল আমি যেন একটি হলেও তার কাছ থেকে ফুল কিনে নেই, ঠিক যতবার আমি তাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলাম সে যেন ঠিক ততটাই আমার পিছু ছুটতে লাগল। আচ্ছা, এই যে শিশুটা যে কিছু টাকার বিনিময়ে আমাকে...

গোপন আর্তনাদ

কবিতা - গোপন আর্তনাদ #জয়নাল_আবেদীন মনে পড়ে কাজল চোখে মুগ্ধ করে রাখতে আমায়। কখনো নির্মল হাসিতে ভরিয়ে দিতে চারপাশ। ভুলে গেছো সেদিন ঘাটের পাশে নূপুর পায়ে নৃত্যের তালে এসেছিলে। লাল শাড়িটা এলোমেলো জড়িয়ে, মুখটা কেমন গম্ভীর ও করুণ দেখেছিলাম। বারবার আকাশে মেঘের গর্জন, বৃষ্টির...

৪ Comments

  1. আখলাকুর রহমান

    কেবলি – কেবলই

    অথছ – অথচ

    ধিরে – ধীরে

    ভাব নি – ভাবনি (স্পেস হবে না)

    সুন্দর লিখেছেন।
    ছন্দ এবং বিরামচিহ্নের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।
    আগামীর জন্য শুভ কামনা রইল।

    Reply
  2. আফরোজা আক্তার ইতি

    অত্যন্ত সুন্দর একটি কবিতা। শব্দচয়ন আর ছন্দমিল উভয়ই সুন্দর। ভাবাবেগও খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তবে বানানে এত্ত ভুল! সংশোধন করে দেই।
    নই, চাই এগুলো নয় চায় হবে ই এবং য় এর মাঝে প্রচুর গড়মিল হয়েছে।
    কেবলি- কেবলই।
    নইতো- নয়তো।
    সুভাষ- সুভাস/সুবাস।
    অথছ- অথচ।
    ধিরে- ধীরে।
    বিলাষিতা- বিলাসিতা।
    হাই- হায়।
    ছেয়ে- চেয়ে।
    শুভ কামনা রইল অনেক।

    Reply
  3. Halima tus sadia

    মিথ্যে ভালোবাসার জন্য অপেক্ষা করে কষ্ট ছাড়া কিছু পাওয়া যায় না।প্রিয়জনের জন্য অপেক্ষা করে হয়তো নিজেের মনে বড্ড অভিমান জমে,কিন্তু সেই প্রিয়জনই যদি অভিমান না বুঝে তাহলে ব্যর্থ ভালোবাসা,ব্যর্থ প্রেম, ব্যর্থ জীবন।
    দুই যুগ ধরে অপেক্ষা কেনো সারা জীবন অপেক্ষা করলেও জীবনে আসবে না।

    প্রিয়জনকে ঘিরে কবিতা।পড়ে ভালো লাগলো।

    বানানে ভুল আছে
    মাখনো–মাখানো
    ধিরে–ধীরে
    বিলাষিতা–বিলাসিতা
    নইতো–নয়তো
    ভাব নি–ভাবনি(নি মূল শব্দের সাথে বসে।

    বানানের প্রতি যত্নশীল হবেন।
    শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  4. মাহফুজা সালওয়া

    কবিতায় যে তৃপ্তি পাওয়াটা পাঠকের জন্য আবশ্যক, সেটার অনুপস্থিতি ছিলো।
    শব্দচয়নে আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
    আরও সময় নিয়ে, যত্ন করে কবিতা লিখবেন।
    মনে রাখবেন,কবিকে ভাবতে হয়।
    শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *