পারফিউম‌ওয়ালী
প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০১৮
লেখকঃ

 194 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখিকা ; তাসফিয়া শারমিন
…..
-এই ওঠ আর কত ঘুমাবি
-উম মা যাও তো এতো রাতে ডাকছো কেন।(ঘুম ঘুম চোখে মেজবা)
-রাত না।দেখাচ্ছি তোকে রাত না দিন এখন।দিন দিন তো বিগ মটু হয়ে যাচ্ছিস। সকালে একটু হাটাহাটি করলেও তো শরীর ভালো থাকে।
এখনকার সব মেয়েরা স্লিম বডি ছেলেদের পছন্দ করে তোর মত হাতিকে কে বিয়ে করবে শুনি।(মেজবার মা)
-ও আল্লাহ আমাকে উঠাই লও তোমার কাছে গিয়ে ঘুমাবো।হু হু হু।(মেজবা)
-তুই উঠবি নাকি পানি দিবো গাঁয়ে।(মেজবার মা)
-আচ্ছা মা আমি এতো দিন পর বাড়ি আসলাম তুমিই বলো কোথায় একটু শান্তি মত ঘুমাবো তা না তুমি এই ভোর বেলা এমন করছো।(মেজবা)
-ম্যাচে তো ৮ টা অব্ধি ঘুমাস।তুই কি ভেবেছিস আমি কিছু জানিনা তাই না(মেজবার মা)
-আচ্ছা ঠিক আছে কাল থেকে জগিং করতে যাবো।পাড়ার ছেলেদের বলে রাখবো। একা একা যেতে ভালো লাগবেনা। (মেজবা)
-পাড়ার ছেলেরা তোর মত অলস না।ওরা রোজ সকালে যায়।আমি কাল ওদের বলে রেখেছি তোকে সাথে নিয়ে যেতে।ঠিক ৫;৪০ এ আসবে ওরা এখন ৫;৩০ বাজে এর মধ্যে রেডি হয়েনে।(মেজবার মা)
-কাকে বলেছো শুনি?(মেজবা)
-তুর আর শিশির কে বলেছি।ওদের সাথে সাদিক আর ইমন ও যায়।(চলে যেতে যেতে উত্তর দিলো মেজবার মা)
,,
মা যা বলে তাই করে। না উঠলে পানি দিবে এটা সিউর তাই বাধ্য হয়ে আমি রেডি হয়ে বারান্দায় আসলাম।বাইরে আসতেই দেখি তুর, শিশির আর সাদিক দাঁড়িয়ে।ওরা বয়সে আমার থেকে প্রায় ৫-৮ বছরের ছোট। সম্পর্কে তিন জনেই ভাইপো হয়।তিন জনেই এবার এসএসসি দিবে।বেড়িয়ে পরলাম রাস্তায় ডায়াবেটিক রোগীর মত হাটতে জোরে জোরে।এটা গ্রাম বলে শহরের লোকেদের জগিংয়ের মত কেউ দৌড়ায় না।শীত শীত ভাব চলে এসছে। ভোরের বাসাতে কেমন ঠান্ডাও লাগছে।অনেক কুয়াশাও পরেছে আজ।
,,
-চাচা আরো জোরে হাটেন এমন করে হাটলে কি হয় (তুর)
-ওরে বাবা তোরা কি এর চেয়েও বেশি জোরে যাস(মেজবা)
-হ্যা আমরা এর চেয়ে বেশি জোরে চায়।মাত্র ৩০ মিনিটে ৩ কিলোমিটার রাস্তা যাতায়াত করি।(সাদিক)
-চাচা রাস্তা হাটতে আসার মজাই আলাদা। প্রতিদিন ডানা কাটা পরী দেখা যায়।(শিশির)
,,
পরী,, অবাক হলাম শিশিরের কথায়।আমি হাপিয়ে গেছি তাই দাঁড়িয়ে পরলাম আর জিজ্ঞেস করলাম পরী মানে,,
আমার সাথে ওরাও দাঁড়ালো।
,,
-চাচা দাঁড়ালে পরী দেখা যাবে না।হাটতে থাকুক(সাদিক)
,,
ওদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে লাগলাম।কিছু দূর যেতেই সামনে তিন জন মানুষ কে আসতে দেখলাম ছেলে না মেয়ে বুঝা যাচ্ছে না কারণ অনেক কুয়াশা। কাছে আসতেই বুঝলাম তিন জন মেয়ে।তাদের মধ্যে এক জন বোরখা পড়া মুখ ঢাকা আর দুই জন ড্রেস পরে। ড্রেস পরা মেয়ে দুইটা একটু পিছে ছিল আর বোরখা পরা মেয়েটা আগে।পাশ মেয়েটা যখন চলে গেলো তখন অসম্ভব সুন্দর ঘ্রাণ আসছিল মেয়েটার শরীর থেকে।এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল যেন সেখানে হাজার বছর দাঁড়িয়ে সেই ঘ্রাণ নেয়।ভাবনার ছেদ হলো তুরের ডাকে।
,,
-চাচা কি পরীস্থানে চলে গেলেন নাকি।(তুর)
-ওয়াও সেই সুন্দর পারফিউমের গন্ধ তাইনা।(মেজবা)
-চাচা এরাই সেই পরী। আমরা যেই দিকে যাচ্ছি ওই দিকে এদের বাড়ি। এরা রোজ আসে হাটতে।এদের দেখার জন্যই আমাদের আসা। কিন্তু লোকে তো বুঝেনা।আরেকবার ঘ্রাণ পাবেন যাবার সময় এখন চলেন।(সাদিক)
,,
ফিরবার পথে আবার ওদের সাথে দেখা।এবার তিন জন এক সাথে যাচ্ছে।কে ইউজ করে পারফিউম সেটা বুঝা যাচ্ছেনা। সেদিনের মত বাড়ি ফিরে এলাম।পরের দিন সকালে আমাকে ডেকে দিতে হয়নি আজ মায়ের ।আমি নিজেই উঠে বাইরে দাঁড়িয়ে আছি সাদিকদের জন্য।আমাকে উঠতে দেখে মা বেশ অবাক হয়েছে।আজকেও হাটছিলাম আর মনে মনে বলছিলাম কখন আসবে সেই মেয়ে গুলো।আমি খুঁজে চলেছি সেই পারফিউমওয়ালী কে।আজকেও পাশ দিয়ে গেলো এলো ওরা।প্রায় নাক টেনেই ঘ্রাণ নিচ্ছিলাম।আমার এই অবস্থা দেখে তুর,শিশির আর সাদিক হেসে সাড়া। অনেক পুরানো এক বন্ধু কল দিয়েছে দেখা করার জন্য।আমার বাসা থেকে তার বাসা ১৫ কিলোমিটার দূরে তাই বাসে যাতায়াত। বাসে খুব ভীড়।আমি উঠার পরেই ২ টা মেয়ে উঠল বাসে বোরখা পরা।একদম আমার সামনেই দাঁড়ালো ওরা।বুকের মধ্যে কেমন ধক করে উঠল। হুম এটা সেই পারফিউমের গন্ধ।আমার খুব চেনা।আগে লাগেনি বাসে উঠার পর। কিন্তু এই মেয়েরা উঠার পর লেগেছে।তার মানে এদের মধ্যে যে কোনো একজন আমার পারফিউমওয়ালী। ছিঃ ছিঃ আমি এসব কি ভাবছি।আমি কি পারফিউমের প্রেমে পরে গেলাম নাকি যে এই পারফিউম ইউজ করে তার।যদি পারফিউমের প্রেমে পড়ি তাহলে তার থেকে পারফিউমের নাম জেনে কিনে নিবো কিন্তু মন যদি পারফিউমওয়ালীকে চায় তাহলে তো বিপদ। কারণ সে আদৌ বিবাহিত কি না বা অন্য কাউকে লাভ করে কি না সেটা তো আমি জানিনা।
বাস ব্রেক করলো। সবাই নেমে গেলো আমিও নামলাম।তাকিয়ে আছি সেই বোরখা পরা মেয়ে দুইটার দিকে।এক জন রিক্সার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো আরেকজন অন্য দিক যাচ্ছিলো। কি জানি কি হলো আমার।আমি আগে পিছু না ভেবে অন্য দিক যাওয়া মেয়েটার পিছু নিলাম।আর প্রায় সাপ ধরা সাপুড়ের মত নাক টেনে গন্ধ নিলাম কিন্তু না এই মেয়ের থেকে সেই পারফিউম পাচ্ছিলাম না।মাথায় চক্কোর দিলো। পিছে ফিরে দেখি আরেকজন মেয়ে রিক্সা নিয়ে চলে যাচ্ছে।রিক্সাটা লকনা রোডের দিকে যাচ্ছিলো আমি রিক্সাকে ডেকে বললাম লকনা যাবে কি না।আমার ডাকে দাঁড়িয়ে গেলো রিক্সা চালক।রিক্সায়উঠে বসতেই বুকের মধ্যে যেন কেউ হাতুরী পিটছিলো এমন হতে লাগলো। যদি ব্যস্ত নগরীর যানবাহনের শব্দ না থাকতো তাহলে হয়তো আমার বুকের মধ্যে হওয়া শব্দ রিক্সা চালক আর পাশে বসে থাকা আমার সেই পারফিউমওয়ালী শুনতে পেতো।হ্যা ঠিকি শুনেছেন আমার পাশেই বসে আছে আমার সেই পারফিউমওয়ালী। মেয়েটা আড় চোখে আমার দিকে তাকালো।খুব মায়াবী দুইটা চোখ। চোখের মাঝের গভীর কালো চাহনি যে কোনো ছেলেকে ভালবাসার সাগরে ডুবিয়ে মারতে পারবে।আমি কি পারফিউম সহ পারফিউমওয়ালীর প্রেমে পড়লাম তাহলে।রিক্সা দাঁড়িয়ে গেলো আমার ভাবনার ও ছেদ হলো।দেখি মেয়েটা সিটি ক্লিনিকের সামনে নেমে গেলো আমিও নামলাম।বুঝে গেলাম রাস্তায় এই বোরখা পরা মেয়েটারি পারফিউমের গন্ধ পেয়েছি।পরেরদিন আবার জগিংয়ের জন্য বের হয়েছি আজ শুধু তুর এসেছে।সামনে দেখা যাচ্ছে সেই তিন মেয়েকে।বোরখা পরা মেয়েটা আমাকে দেখে কেন জানি হাটার গতি কমিয়ে পিছে পরে গেলো। আমিও আমার হাটার গতি কমিয়ে দিলাম।এই ভাবে প্রায় ১০ দিন কেটে গেলো। এখন বুঝতে পেরেছি আমি পারফিউমওয়ালী প্রেমে পড়ে গেছি।আর মাত্র তিনটা সকাল আমি তাকে দেখতে পাবো। আগামী শুক্রবার চলে যাবো ঢাকা।আচ্ছা আমি কি তাকে আমার মনের কথা একবার বলবো। নাহ থাক যদি রাগ করে। কিন্তু তাসফিয়া তো বলে যে মনে কোনো ইচ্ছে চেপে রাখতে নেই।যা হবার হবে আমি কালকে ওর সাথে কথা বলবো।
,,
সারারাত ঘুম হয়নি। কি হবে কি বলবো সে কি উত্তর দিবে সেটা ভেবেই কেটে গেলো সারারাত। ফজরের নামায পড়ে বের হলাম রাস্তায় আজ তুরদের জন্য দাঁড়ালাম না।আজ অন্য দিনের চেয়ে বেশি কুয়াশা।সামনে চার পাচ হাত দূর ভালো করে দেখা যাচ্ছেনা। ধীর পায়ে হাটছি।একটু পরেই এলো ওরা।আজ তিন জন নয় দুইজন এসেছে।বোরখা পড়া মেয়েটা আর আরেকজন। একটু কাছে আসতেই আমি ডাকলাম। বুকের হার্ডবিট যেন বেড়ে গেলো।
,,
-এই যে শুনছেন।ওই বোরখা পড়া আপুটা। (আল্লাহ বাঁচাইও আমায়।)
-আসসালামু আলাইকুম।জ্বী বলুন।(পারফিউমওয়ালী)
-ওয়ালাইকুম আসসালাম।না মানে,,ইয়ে আপনার নাম কি জানতে পারি (মেজবা)
-আমার নাম জান্নাতুল নাইমা। সবাই নাইমা বলে ডাকে।(নাইমা)
-ওয়াও। অনেক সুন্দর নাম তো।আমি মেজবা।মেজবা উল আলম মেজবা।সবাই মেজবা বলে।(মেজবা)
-আর কিছু কি বলবেন।দেখুন এই ভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলা দেখলে লোকে খারাপ ভাববে।(নাইমা)
-আ আ আসলে আ আমি আমি আপনাকে পছন্দ করি।প্রেম প্রস্তাব না আপনি চাইলে আমি আপনার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিবো। (মেজবা)
,,
আল্লাহ মাটি দুই ভাগ করো আমি ঢুকে যায়(ভয়ে ভয়ে মরলাম আমি)
মেয়েটা অনেকক্ষণ চুপ করে রইলো। পাশের মেয়েটা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।
,,
-আপনি কি আমাকে কখনো দেখেছেন (নাইমা)
-না দেখিনি।না দেখে কি প্রেম হয় না।বিয়ে হয় না।আমি আপনার রুপ কে ভালবাসিনি। কেন জানিনা আপনাকে আমার খুব ভালো লেগে গেছে।(মেজবা)
,,
মেয়েটা আর কিছু না বলে ওখান থেকে বাড়ি ফিরে গেলো। আমি ওখানেই দাঁড়িয়ে রইলাম।কাঁধে কারো হাতের ছোঁয়া পেয়ে চমকে উঠলাম। তাকিয়ে দেখি সাদিক।
,,
-চাচা আপনি তো কামাল করে দিলেন।কিন্তু ভুল সময়ে হয়ে গেলো। (সাদিক)
-মানে,,(মেজবা)
-মানে আগামী শুক্রবার নাইমা আপুর বিয়ে।বিয়ে বাড়ির ডেকোরেশন করার দায়িত্ব আমার বড় ভাই নিয়েছে।(সাদিক)
,,
নিজেকে এখন খুব বোকা বোকা লাগছে।সাদিকের কথাটা শুনে বুকের মধ্যে যেন কেন ফাকা ফাকা লাগছিলো।এই প্রথম কোনো মেয়েকে। উফ আর ভাবতে পারছিনা। জানিনা কি করে সারাদিন কেটে গেলো। বুধবার আর বৃহস্পতিবার দুই দিন নাইমা হাটতে আসেনি। নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।খুব মিস করছি সেই পারফিউম আর পারফিউমওয়ালী কে।আজ নাইমার বিয়ে আজকের পর থেমে নাইমা অন্য কারো হয়ে যাবে।দূর থেকে নাক টেনে নয় কেউ একজন নাইমার শাড়ির আঁচলে নাক ডুবিয়ে ঘ্রাণ নিবে।খুব দেখতে ইচ্ছে করছে একবার পারফিউমওয়ালী কে।জুম্মার নামায পড়ে ঢাকার উদ্দেশ্য বের হলাম।সাথে বাবা ও আছে।আমার। বাড়ি থেকে ৪ মাইল গিয়ে তারপর বাসে উঠে ঢাকা যেতে হয়।রিক্সায় যাচ্ছি আমি আর বাবা।রাস্তার সামনে বড় করে গেট করা আর তাতে লেখা শুভ বিবাহ। এইটাই বুঝি নাইমাদের বাড়ি।বাড়ির সামনে মনে হয় খুব ঝামেলা হচ্ছে।আব্বু রিক্সা দাড় করিয়ে একজন কে জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে।উনি বললেন বর পক্ষ কনে দেখা নিয়ে ঝামেলা করছে।আব্বু আগ্রহ নিয়ে আমাকে নিয়েই একটু এগিয়ে গেলো ওইদিকে।প্যান্ডেলের মাঝখানে একটা বোরখা পরা মেয়ে কাঁদছে আমার চিনতে ভুল হয়নি যে ওটা নাইমা।বর নাকি নাইমা কে দেখেনি আগে।তাই বিয়ে করার আগে দেখে তারপর কবুল বলবে। কিন্তু নাইমা এতে নারাজ। নাইমার এক কথা যে বিয়ের পর মুখ দেখাবে। কারণ বিয়ের আগে বর ওর কাছে পরপুরুষ। এতে যদি বিয়ে না হয় না হবে।অন্য মেয়েদের মত বেনারসি পরে বউ সেজে নয় বোরখা ছাড়া যাবে না নাইমা।এত লোকের ভীড়ে নাইমার চোখ এসে পড়ল আমার উপর।ওর কান্না ভেজা চোখ দুইটা যেন আমার বুকে কাটার মত বিঁধছিল। বরযাত্রী বর নিয়ে রাগ করে চলেই গেলো। মনে হচ্ছিল ছুটে গিয়ে নাইমার পাশে দাঁড়ায় আর বলি আমায় বিয়ে করবে,,,,,,

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

২ Comments

  1. Rifat

    আল্লাহ মাটি দুই ভাগ করো আমি ঢুকে যায় — যাই
    বানানে তেমন ভুল ছিল না।
    লেখা ভঙ্গী ভালো ছিল। মোটামুটি ভালো হয়েছে গল্পটি।

    Reply
  2. Parvej Mosharof

    মোটামোটি ছিল গল্প। তবে কিছু ফেসবুক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। গল্পের ক্ষেত্রে ফেসবুক শব্দ ব্যবহার করলে গল্পের মান সাধারণ হয়ে দাঁড়ায়। আরো উন্মুক্ত বিষয় নিয়ে গল্প লিখা উচিত ছিলো। গল্পের বিষয়ের মান নিন্মতম।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *