অসমাপ্ত স্বপ্ন
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০১৮
লেখকঃ vickycherry05

 87 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ vickycherry05

গল্প লেখকঃ
Shopnil Sakib Sanim
(এপ্রিল – ২০১৮)
………………

মাহিন তার বাবা, মায়ের সাথে নেত্রকোণা শহরে থাকে। জেলা শহরের বিখ্যাত বিদ্যাপিঠ আঞ্জুমানে পড়ে।
এবার গ্রীষ্মের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যাবার চিন্তাভাবনা আছে। ৭ দিনের ছুটি। তাই মায়ের কাছে আবদার গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার।
মাহিন জানে,মাকে রাজি করাতে পারলেই হয়ে যাবে। আর এবার তাই বেরিয়ে পড়ার পালা।
বৃহস্পতিবারে যাওয়ার দিন ঠিক করা হল।
পরের দিন শুক্রবারে জুম্মার নামাজ পড়ে যাত্রা শুরু করল। ঘন্টাখানেক পড়ে তারা গ্রামের কাছাকাছি চলে আসে। এখন শুধু রিক্সা করে গ্রামে যেতে হবে। ১৫ মিনিট পরে তাদের গন্তব্যে চলে আসে। মাহিন অনেকদিন পর তাদের গ্রামে আসাতে অনেকটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। সবাই তাদেরকে দেখে অনেক খুশি হয়।

এভাবে একদিন, দুদিন, তিনদিন কাটতে থাকে। মাহিনও তার গ্রামের সাথিদের সাথে ঘুরে-বেড়িয়ে আনন্দ করে। আম, জাম, কাঠাল, বনজাম খাওয়া-ভেলায় চেপে নদীভ্রমণ এগুলো সে কোনদিন ভুলতে পারবে না। মাহিন তো সারাদিন পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। গ্রামের ছেলেমেয়েদের মতো বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়াতে পারে না। দেখতে দেখতে ৭ দিন কেটে গেল।

এবার তাদেরকে আবার শহরে চলে যেতে হবে। ভাবতেই গায়ে কাটা দিল মাহিনের। চোখের কোনে একফালি জল নিয়ে সবার কাছ থেকে বিদায় নিল। আবার বইয়ে মুখ গুজে থাকতে হবে। আর চাদনি রাতে তারাভরা আকাশ দেখা হবে না। হঠাৎ মাহিনের মায়ের মৃদু চিৎকার (ঘুম থেকে ওঠ, স্কুলের সময় হয়ে গেছে)। মাহিন বুঝতে পারলো এটা সে স্বপ্নে দেখছিল, মাহিন মাঝে মাঝে এরকম স্বপ্ন দেখে। অত:পর আরও একটি স্বপ্নের সমাপ্তি।।

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *