মাতৃভাষা
প্রকাশিত: অগাস্ট ১৩, ২০১৮
লেখকঃ

 63 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখা: ফারহা নূর

ফুটেছে শিমুল গাহিছে পাখি
না পাওয়ার স্বপ্নসারথি।
আকাশে কাজল কালো মেঘ
অসময়ে বৃষ্টির বেগ।
ফুটেছে কুসুম কলি
রাঙ্গিয়াছে রাজপথ কৃষ্ণচূড়ার ডালে!
শহীদের রক্তে কেনা ফেব্রুয়ারির অমর একুশ
ঝাঁঝালো কন্ঠে সুর তুলেছিলো মাতৃবুলি।
তাতেই শত্রুরা বুকে ছুঁড়েছিল গুলি,
খোকা আমার লুটিয়ে গেল ছিন্ন রাজপথে।
হাজার পথিক মাড়িয়ে গেল খোকার রক্তে ভেজা বুকে!
হারিয়ে গেল খোকা আমার
নিরব স্নেহের ক্রোড়ে।
বুকপকেটের ধূসর চিঠি রাঙ্গিয়াছে রক্তবর্ণে
বর্নমালার অমর একুশ পলাশফুলে গাঁথা শহীদ বেদি।
৫২-র, শহীদের রক্তে কেনা মাতৃভাষা
বাংলা আমার মাতৃনীড়ের স্বাধীনতা।

সম্পর্কিত পোস্ট

তুলসী বনের বাঘ

তুলসী বনের বাঘ --আল-মুনতাসির। চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! ছদ্মবেশে ছড়িয়ে দিলো বিষম বিষের নাগ। ইচ্ছে করে কামড় খেলে, ভরলে হৃদয় বিষের নীলে কী করে আর দেখবে প্রিয় কৃষ্ণচুড়ার বাগ ? চিনলে নাকো তাকে সে যে তুলসী বনের বাঘ ! চোখে তোমার বিষের তেজে পর্দা এলো নেমে, জগত...

ভালোবাসা রং বদলায়

: ভালোবাসা রং বদলায় লেখা: অদ্রিতা জান্নাত ছোট মেয়েটা খুব করে কেঁদে কেঁদে অনুরোধ করেছিল আমি যেন একটি হলেও তার কাছ থেকে ফুল কিনে নেই, ঠিক যতবার আমি তাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলাম সে যেন ঠিক ততটাই আমার পিছু ছুটতে লাগল। আচ্ছা, এই যে শিশুটা যে কিছু টাকার বিনিময়ে আমাকে...

গোপন আর্তনাদ

কবিতা - গোপন আর্তনাদ #জয়নাল_আবেদীন মনে পড়ে কাজল চোখে মুগ্ধ করে রাখতে আমায়। কখনো নির্মল হাসিতে ভরিয়ে দিতে চারপাশ। ভুলে গেছো সেদিন ঘাটের পাশে নূপুর পায়ে নৃত্যের তালে এসেছিলে। লাল শাড়িটা এলোমেলো জড়িয়ে, মুখটা কেমন গম্ভীর ও করুণ দেখেছিলাম। বারবার আকাশে মেঘের গর্জন, বৃষ্টির...

১২ Comments

  1. Halima tus sadia

    ভালো লিখেছেন আপু।
    আমাদের এ মাতৃভাষার জন্য কতো খোকার বুকের রক্ত রঞ্চিত হলো।শহীদের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা এই বাংলা ভাষা।পেয়েছি স্বাধীন দেশ।
    এই বাংলা ভাষার জন্য কতো খোকাই আন্দোলন করছে।
    দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করছে।
    তাদের রক্তেই কেনা বাংলাদেশ।
    প্রিয় মাতৃভুমি।
    বাংলা আমার মাতৃনীড়ের স্বাধীনতা। লাইইনটা ভালো লাগলো।

    আপু লাষ্টের কয়েকটা লাইনে ছন্দের মিল নেই।এলোমেলো হয়ে গেলো মনে হয়।

    শুভ কামনা আপনার জন্য।

    Reply
    • farha nur

      ধন্যবাদ তোমাকে, এটা গদ্যছন্দে লেখা তো তাই ছন্দ ধারাবাহিক নয়।

      Reply
  2. Anamika Rimjhim

    একুশ আমাদের অহংকার।যার জন্য আজ বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি,লিখতে পারছি। ভাল লিখেছেন। শুভ কামনা।

    Reply
  3. আফরোজা আক্তার ইতি

    দারুণ একটি কবিতা। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। এভাষাকে আমাদের রাষ্ট্রভাষা করার জন্য কত মায়ের ছেলে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে রঙিন করেছে পিচঢালা রাজপথ। কবিতায় তা সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে। ৫২-র শব্দটি সংখ্যায় না লিখে, বায়ান্নর লিখলে ভালো দেখাতো।
    এছাড়াও কবিতায় সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটেছে।
    গাহিছে- গাইছে।
    রাংিয়াছে- রাঙিয়েছে।
    বর্নমালার- বর্ণমালার।

    Reply
  4. নিশি

    অসাধারণ খুব ভালো লেগেছে কবিতাটা

    Reply
  5. Zinifa Efat

    ভালো লেগেছে আপু???? শুভকামনা

    Reply
  6. Rabbi Hasan

    দারুণ কবিতা। ভাষাকে নিয়ে কবিতা আমার খুব ভালো লাগে। শুভ কামনা রইলো।

    Reply
  7. Nahid Islam Rony

    মাতৃভাষার সেই স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। ভাল লিখেছেন তবে ছন্দের ব্যবহার করলে আরো ভাল হত।
    আর ” হাজার পথিক মাড়িয়ে গেল খোকার রক্তে ভেজা বুকে!” না হয়ে এইটা হত যে ” হাজার পথিক মাড়িয়ে গেল খোকার রক্ত ভেজা বুক!”
    এছাড়াও শহীদের = শহীদদের হবে (উভয় ক্ষেত্রে ই)

    Reply
  8. rakib

    দোস্ত অসাধারণ হয়েছে কবিতাটি

    Reply
  9. Rahim Miah

    ভুল তো সব ধরিয়ে দিয়েছেই দেখছি সবাই তাই কষ্ট করে আর লিখবো না। তবে কবিতাটা অসাধারণ ছিল বলতে গেলে

    Reply
  10. Sajjad alam

    দুটি ভুল বানান,
    কন্ঠে___ কণ্ঠে
    বর্নমালা___ বর্ণমালা
    .
    নামকরণটা যথার্থ।
    কনসেপ্টটা সুন্দর।
    লেখনীও অনেক সুন্দর।
    তবে আরেকটু বড় হলে মন্দ হতো না।
    .
    সত্যি তো স্বাধীনতা আমাদের বড় পাওয়া।
    একে পরিচর্যা করা আমার একান্ত দায়িত্ব।
    সবমিলে সুন্দর হয়েছে।
    শুভ কামনা।

    Reply
  11. Mahbub Alom

    অনেক সুন্দর হয়েছে।বায়ান্নর শহীদদের নিয়ে লেখা।
    বাংলা এমন একটি মাতৃভাষা যার জন্য বাংলার দামাল ছেলেরা রাজপথকে নিজেদের রক্তে রঞ্জিত করেছে।পৃথিবীর আর কোন দেশে মাতৃভাষার জন্য এরকম রক্ত দেয়নি।
    আমাদের মাতৃভাষা বায়ান্নের শহিদদের রক্তে কেনা।
    বানানে তেমন কোন ভুল নেই।শুভকামনা রইলো।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *