গল্পের বিপরীত গল্প
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮
লেখকঃ

 102 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখিকা- তাসনিম ইসলাম
**********
ইমা সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলো বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল সকাল বৃষ্টি দেখে মনটা ভালো হয়ে গেলো ওর। বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে করলো। বারান্দায় দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ বৃষ্টি পড়া দেখে হাতমুখ ধুতে গেলো। হাতমুখ ধুয়ে ঘর থেকে বেরোতেই দেখলো আমেনার মা ঘর ঝাড়ু দিচ্ছে। মধ্যবয়ষ্ক একজন মহিলা। তার নাম শেফালী। এক ছেলে জন্মের পর মারা যায়। তারপর এক মেয়ে হলো, মেয়েটা প্রতিবন্ধী। এরপর আবার আরেকটা মেয়ে হয়েছে। মেয়ের নাম আমেনা, তাই সবাই তাকে আমেনার মা বলেই ডাকে। আমেনার মা কে দেখে ইমা বললো,
–আমাকে কফি দিও তো এখন।
–আইচ্ছা ছোডো আফা। অক্ষনি দিতাছি।
কফির কথা বলে একটা উপন্যাসের বই নিয়ে বারান্দায় গেলো ইমা। একুশ বছরের ঝলমলে তরুণী সে। এবার অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ছে। বারান্দায় রাখা চেয়ারটাতে বসে মোবাইল নিয়ে আবিরকে কল দিলো। আবির ইমার হবু স্বামী। তাদের এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে। দুইমাস পর বিয়ের অনুষ্ঠান হবে।
.
কফি নিয়ে বারান্দায় এসে শেফালী দেখলো ইমা ফোনে কথা বলছে। ইমার দিকে তাকিয়ে নিজের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো শেফালী। তার মেয়ে দুইটা যদি এমন বড়লোক ঘরে জন্ম নিতো, দেখতে কত সুন্দর ই না হতো! বাবার মতো ধবধবে গায়ের রঙ পেয়েছে দুইবোন। রোদে পুড়ে সেই রঙ তামাটে হয়ে যাচ্ছে দিনদিন। বড় মেয়েটা যদি প্রতিবন্ধী না হতো, বড় ঘরে বিয়ে দিতে পারতো মেয়েকে। রূপ দেখেই বড় বড় সম্বন্ধ আসতো বড় মেয়ের। সব-ই উপরওয়ালার ইচ্ছা। কফিটা ইমার হাতে দিয়ে চলে গেলো শেফালী। সকালের নাস্তা বানাতে হবে। দেরি হলে সাহেব রাগারাগি করে। ঠিক সময়মতো তার নাস্তা চাই। ইমার মা মারা যাওয়ার পর থেকেই ইমার বাবা এমন খিটখিটে হয়ে গেছে। বেঁচে থাকতেও তাদের সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিলো না। ইমার বাবার জীবনের একটাই লক্ষ্য, টাকা আয় করা। টাকার পেছনে ছুটতে ছুটতে তার পরিবার পেছনে পড়ে গেছে। ইমাও তার বাবার সাথে খুব একটা কথা বলেনা। কিছু দরকার হলে চেয়ে নেয়, এইটুকুই। তাছাড়া কথা বলার জন্য তো তার বাবার বাড়িতে থাকা প্রয়োজন। অফিসে আর দেশে বিদেশে ছুটতে ছুটতেই তার জীবন কাটছে।
.
নাস্তা বানাতে বানাতে শেফালীর মনে হলো বড় মেয়েটাকে আজ না খাইয়ে দিয়েই চলে এসেছে। আমেনা ঠিকমতো খাইয়েছে কিনা কে জানে! ভোরে উঠে রান্না করে, বড় মেয়েকে খাইয়ে রেখে সে চলে আসে। আজ ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় না খাইয়েই চলে এসেছে। বড়লোকের ঘরে কাজ পেয়েছে। একটু এদিক সেদিক হলে কাজ ছেড়ে দিতে বলবে। তাহলে খুব বিপদে পড়ে যাবে সে। আমেনার বাবার আয়ের টাকায় সংসারের খরচ চলেনা।
.
নাস্তা খেয়ে ইশতিয়াক সাহেব অফিসে চলে গেলো। ইমা নাস্তার টেবিলে বসে খাচ্ছে আর ফোনে কথা বলছে। খাওয়া শেষ করে ভার্সিটি যাবার জন্য বেরোবে, এমন সময় আবার ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো। বৃষ্টি তার অনেক পছন্দ। যদিও গাড়ি আছে তবুও আজ ভার্সিটি যাবেনা বলে ঠিক করলো সে। দৌড়ে উঠে গেলো ছাদে। দুই হাত ছড়িয়ে দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে লাগলো। মনে মনে ভাবতে লাগলো “পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বৃষ্টি। যারা বৃষ্টি অপছন্দ করে তারা বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে”।
.
শেফালী ছাদে গিয়ে দেখলো ইমা বৃষ্টিতে ভিজছে। ইমাকে ডাক দিয়ে বললো,
–ছোডো আফা, আমি একটু বাড়িত যাই?
–কেন যাবে?
–একটু কাজ আছে আফা। আইসা পড়মু অখনি।
–বৃষ্টির মধ্যে কিভাবে যাবে?
–যাইতে পারমু, যাই আফা?
–আচ্ছা যাও।
.
ভিজতে ভিজতে বাড়িতে আসলো শেফালী। খুপরির মতো একটা ঘর। কোনোমতে বেড়া দেয়া। আসবাবপত্র বলতে একটা চৌকি, চৌকির সাথে লাগোয়া একটা পায়া ভাঙা টেবিল। টেবিল ভর্তি বইখাতা ছড়ানো। একটা পুরোনো মিটসেফ। বেড়ায় ঝুলানো একটা ভাঙা আয়না। দড়িতে ঝুলানো আগোছালো জামাকাপড়। বর্ষাকাল এলে কষ্ট আরো বেড়ে যায় তাদের। ভাঙা চালা দিয়ে পানি পড়ে বিছানাটা ভিজে যায়। রাতে ঘুমাতে হয় ভেজা জায়গায়। মাটি ভিজে ঘর কাদাকাদা হয়ে থাকে। ঘরের চাল ঠিক করার মতো টাকা জোগাড় করা হয়না। সামনের বছর ঠিক করাবে ভাবতে ভাবতেই বর্ষাকাল চলে যায়।
.
ঘরে ঢুকেই শেফালী দেখলো বৃষ্টির পানি পড়ে চাদর ভিজে গেছে। মেয়েটাকে কতবার বলেছে, চালের যেখানে যেখানে দিয়ে পানি পড়ে সেখানে হাড়ি নয়তো বাটি দিয়ে ঘর থেকে বেরোতে। মেয়ে কোনো কথাই শোনে না। চৌকির একপাশে গুটিসুটি মেরে বড় মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ওদের বাবা ঘরে নেই। এই বৃষ্টির মধ্যে রিক্সা নিয়ে বেরিয়েছে। শেফালী আস্তে করে মেয়েকে ডাক দিলো,
–আলেয়া, ওঠ।
দুইবার ডাক দিতেই আলেয়া চোখ খুলে তাকালো। আলেয়া কথা বলতে পারেনা। ওর পায়ে সমস্যা, কোনমতে হাটতে পারে। মায়ের ডাক শুনে হাতের ইশারায় জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে। শেফালী বললো,
–চাদ্দুর শুখাইতে দিমু। ভিজতাছে, এরমইধ্যে শুইয়া আছোস কেন?
চাদর নামিয়ে ঘরে টাঙানো দড়িতে ঝুলিয়ে দিয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলো,
–ভাত খাইসোস?
আলেয়া মাথা নেড়ে জানালো সে খায়নি। শেফালী বললো,
–আয়, তোরে খাওয়াইয়া দিয়া আমি আবার যামু।
.
জোর করে আলেয়াকে খাওয়াতে অনেক সময় লেগে গেলো শেফালীর। মেয়েটা অনেক জেদী। ঠিকমতো খেতেও চায়না। ছোট মেয়েটাকে প্রতিদিন বলে যায় আলেয়াকে খাইয়ে দিতে। মেয়েটা কোনো কারণে বোনকে দেখতে পারেনা। তাই নিজেই কাজে যাওয়ার আগে খাইয়ে দিয়ে যায়। মেয়েকে খাইয়ে দিয়ে চালের যেখানে যেখানে পানি পড়ে সেই বরাবর কয়েকটা বাটি রেখে শেফালী ছুটলো ইমাদের বাড়ির দিকে।
.
বিকেলবেলা বাগানে বসে চা খাওয়া ইমার অভ্যাস। বাগানে একটা দোলনা আছে। চারপাশে নানান ফুলের গাছ। যখন একসাথে অনেকগুলো ফুল ফোটে তখন অনেক সুন্দর লাগে। ইমা দোলনায় দোল খাচ্ছিলো। শেফালী চা নিয়ে এসে ইমার হাতে চা দিয়ে বললো,
–ছোডো আফা, একটা কথা কইতাম।
–বলো কি বলবা।
–কয়ডা টেকা লাগবো আফা। মাইয়ার ইস্কুলের বেতন দেওন লাগবো।
–মাস তো এখনো শেষ হয়নি।
–গত মাসে ওগোর বাপে রিক্সা চালাইতে গিয়া পায়ে ব্যাতা পাইছিলো। হের ওসুদ কিনতে টেকা দিছি, মাইয়ার ইস্কুলের বেতন দিতে পারিনাই।
–আচ্ছা, যাওয়ার সময় নিয়ে যেও।
–আইচ্ছা আফা।
ইমাকে শেফালীর বড্ড ভালো লাগে। বাবার মতো টাকার পাগল না মেয়েটা। কিন্তু এতো টাকাপয়সার মধ্যে থেকেও সুখ নেই এই বাড়িতে। কেমন যেন খাপছাড়া খাপছাড়া ভাব। যে যার মতো থাকে। মেয়ে সারাদিন বাড়ির বাইরে থাকলেও বাবা তার খবর রাখেনা, বাবা বাড়ি আসলো কখন আর বাড়ির বাইরে গেলো কখন মেয়ে তার খবর জানেনা। রাতে কখনো একসাথে খেতে বসলে দুজন টুকটাক কথা বলে। বেশিরভাগ কথা হয় ইমার কিছু লাগবে নাকি, বিয়ের কেনাকাটা এইসব হাবিজাবি নিয়ে। খাওয়া শেষ, দুজন দুইজনের মতো চলে যায়। ইমা তার নিজের ঘরে আর ইমার বাবা বারান্দায় বসে ড্রিংক করে।
এই বাড়িতে আরো একজন আয়া আছে। সে রান্নাবান্নার কাজ করে শুধু। মাঝেমধ্যে সে না থাকলে শেফালী রান্নাঘরে যায়। এছাড়া বাকি সব কাজ শেফালীর করতে হয়। মাস শেষে সে যা পায় আর তার স্বামী রিক্সা চালিয়ে যে টাকা পায় তাতে কোনোমতে তাদের সংসার চলে যায়। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে মেয়েদের খাইয়ে ঘুম পাড়ায়। তারপর সে তার স্বামীর ফেরার অপেক্ষা করে। একসাথে দুজনে ভাত খেতে খেতে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে। একদিন তাদের টিনের বেড়া দেয়া নিজস্ব বাড়ি হবে। বাড়ির সামনে ইমার বাগানের মতো বাগান করার খুব ইচ্ছা শেফালীর। তার দুই মেয়ে দোলনায় দোল খাবে। মাঝেমধ্যে সে আর তার স্বামীও দোল খাবে। দুজনে চা খেতে খেতে গল্প করবে। শেফালীর স্বামী, শেফালীর কথা শুনে খুব হাসে। হাসতে হাসতে বলে,
–বুড়া বয়সে দোলনার থেইকা পইড়া তোর কোমড় ভাংলে তোরে কিন্তু আমি রাস্তায় ফালাইয়া থুইয়া আমু আমেনার মা।
স্বামীর কথা শুনে শেফালীও হাসে। হাসতে হাসতে বলে,
–আমারে ফালাইয়া আপ্নে থাকতে পারলে তো ভালাই আছিলো। হেরপর তো আপ্নে নিজেই গিয়া আমার লগে রাস্তায় থাকবেন।
বৌয়ের কথা শুনে হাসতে হাসতে তার চোখে পানি এসে যায়। কথা বলতে বলতে শেফালী কল্পনা করে তাদের একটা বড় বাড়ি হয়েছে। বাড়ির সামনে সুন্দর বাগান আছে। মেয়েটা ভালো স্কুলে পড়ছে। ভাবতে ভাবতেই শেফালীর ভয় করে। ইমাদের কত্ত টাকা আছে। কিন্তু সুখ নেই তাদের ঘরে। টাকা দিয়ে তারা সুখ কিনতে পারেনি। শেফালীদের বড় বাড়ি হলে তাদের সংসারেও যদি সুখ না থাকে? এই কথা সে তার স্বামীকে বলে। বৌয়ের বোকা বোকা কথা শুনে শেফালীর স্বামী হাসে। শেফালী স্বামীর দিকে তাকিয়ে ভাবে, নাইবা হলো তাদের বড় একটা বাড়ি। এই খুপরি ঘরে যে ভালোবাসা আছে, তাই দিয়েই তো হেসেখেলে তাদের জীবন কেটে যাবে। সুখের চেয়ে টাকা তো বড় নয়। (সমাপ্ত)

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৭ Comments

  1. সৈকত আহমেদ

    সুখ গুলো এমন ই। যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে সুখের জন্য টাকার দরকার হয় না। আবার যেখানে সুখ নাই সেখানে ইশতিয়াক সাহেবের মত টাকা পয়সা থেকেও সুখ আসে না। সুখ ওই কনক্রিট এর দালানে না, ভাঙা খুপরির মতো একটা ঘরেও থাকে তার প্রমান শেফালীর পরিবার। লেখিকাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে বিষয় টা উপস্থাপন করার জন্য।

    Reply
  2. আফরোজা আক্তার ইতি

    বাহ! খুব সুন্দর একটা গল্প।খুব ভাল লাগল পড়তে। আসলেই টাকা থাকলেই সুখ হয় না। সুখের মত অমূল্য সম্পদ টাকা দিয়ে কেনা যায় না। ধনীদের টাকা থাকলেও সুখ থাকে না। দরিদ্রদের টাকা না থাকলেও মনে শান্তি থাকে, অনাবিল সুখ থাকে, ভালোবাসা থাকে।
    অনেক ভালো লিখেছেন। কিছু ভুল বানান সংশোধন করে দিলাম।
    আপ্নে- আপনে।
    ভাংলে- ভাঙলে।

    Reply
  3. Tasnim Islam

    ধন্যবাদ। সুখের জন্য আসলেই টাকার দরকার হয়না। আমরা টাকার পেছনে সুখ খুঁজতে গিয়ে প্রকৃত সুখকে পেছনে ফেলে দেই ????

    Reply
  4. Tasnim Islam

    অসংখ্য ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য ????????

    Reply
  5. আখলাকুর রহমান

    আগোছালো – অগোছালো

    কি বলবা। – কী বলবা?

    কোমড় – কোমর

    টাকার মাঝেও সুখ থাকে না। অনেক সুন্দর লিখেছেন।
    শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা রইল।

    Reply
    • Tasnim Islam

      ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ

      Reply
  6. মাহফুজা সালওয়া

    ভালবাসা নিবেন আপু।
    খুব সুন্দর লিখেছেন আপনি।
    মনে হচ্ছিলো চরিত্রগুলো যেন চোখের সামনে ভাসছিলো, অনেক জীবন্ত।
    উপস্থাপন ভঙ্গিও বেশ।
    বানানে কেমন ভূল ছিলোনা।
    শুভকামনা রইল

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *