একজন ডিভোর্সীর গল্প
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮
লেখকঃ

 252 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

উম্মে_সালমা_নিশু

বাকি আট দশটা মেয়ের মতো শরীর দেখিয়ে মডার্ন কালচার রপ্ত করতে না পারার অপরাধে নীলাকে ডিভোর্স পেতে হয়।

বাবার মৃত্যুর পর মামা চাচাদের ঠিক করে আনা পাত্রের সাথেই বিয়ের পিঁড়িতে বসে নীলা। কেউ একবারের জন্যেও নীলাকে জিজ্ঞাসা করেনি এই বিয়েতে তার সম্মতি আছে কি না। এমনকি নীলা নিজে থেকে কিছু বলতে চাইলেও তাকে বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়েই রিমোট সিস্টেম যন্ত্রের মতো তারা যা বলেছে নীলা শুধু তাই করেছে। কেউ জানতে চায়নি নীলার মনে তার বরের প্রতিচ্ছবিটা ঠিক কেমন। সে কি শুধুই তিন শব্দের জোরে দখলদার বরের বউ হতে চায় না কি একজন জীবনসঙ্গী চায়? যে সঙ্গীর হাতে হাত রেখে দুনিয়ার সকল ধন সম্পদকে তুচ্ছজ্ঞান করা যায়।

প্রবাস ফেরত স্মার্ট -সুন্দর ছেলে আর ধন-সম্পদ দেখে নীলার আপনজন’রা সেই ঘরে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারেনা। লোভের মোহে পড়ে বিয়ের আগে ছেলের চরিত্র কেমন তা জানার প্রয়োজন মনে করেনি। বাইরের সৌন্দর্যের সাথে ছেলেটার ভিতরের সৌন্দর্যের কতখানি মিল আছে সেইটা একবারের জন্যেও খুঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেনি।  ধন সম্পদের লোভ আর সুন্দর চেহারা দেখে তারা নীলার প্রকৃত সুখের কথা ভুলে যায়। একবারও কেউ ভাবেনি মেয়েটা আসলেই ভালো থাকবে তো? কারও মনে প্রশ্ন জাগেনি টাকা পয়সা আর ধন-সম্পদ থাকলেই কি শুধু সুখে থাকা যায়, না কি লক্ষ লক্ষ টাকা থাকলেই শান্তি কেনা যায়? সুন্দর চেহারা দেখলেই কি মনের মধ্যে শান্তি আসে না কি শান্তি পেতে হলে সেই সুন্দর মানুষটার ভিতরের সুন্দর একটা মন থেকে সুন্দর ব্যবহারও পেতে হয়?

বিয়ের রাতে নীলার সুদর্শন ধনকুবের স্বামী মাতাল হয়ে মাতলামি করতে করতে বাসর ঘরে ঢুকে। নীলার মনে হচ্ছিল এটা যেন বাসর ঘর নয় কোনো এক নর্তকীর ঘরে মাতালের আগমন ঘটলো । সুন্দর মানুষটার ভিতরে পোষা ভয়ংকর পশুটাকে দেখে নীলার সমস্ত স্বপ্ন এক নিমিষেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ফুলসজ্জার রাতে ফুল ছড়ানো খাটের এক কোণায় বসে নীলা বোবা কান্নায় বুক ভাসাতে থাকে। সেদিন মানুষের খোলশে ঢাকা হিংস্র পশুটার কাছে ওই চোখের পানির কোনো মূল্য ছিল না। সে যেন অন্ধ কিছুই দেখতে পায় না এমন ভাব করে শুধুমাত্র তার কামনা মিটাতে নীলার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে । কোমল মনা নীলার বোবা কান্না তখন কষ্টে ঘৃণায় বুকফাটা চিৎকারে রুপ নেয়। কিন্তু সেই চিৎকার শুনে সে যেন আরো পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছিলো। নিজের নোংরা কামনা চরিতার্থ হওয়ার পরেই নীলাকে খাটের এক কোণায় আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দেয়। সেদিন নীলার দেহটাই ছিল তার একমাত্র ভোগের বস্তু, যা সে শিয়াল শকুনের মতো খুবলে খুবলে খেয়েছে। সেই অমানুষটা একবারের জন্যেও ভাবেনি নীলা ও একজন রক্ত মাংসের গড়া মানুষ। তার ভিতরে সুন্দর একটা মন আছে। তার মনের মধ্যেও আজকের রাতটার জন্য তিলে তিলে গড়া বহু স্বপ্ন লালন করে আসছে। সে নিজে যেমন উন্মাদ হয়ে পৈশাচিক চাহিদা মিটালো তেমনি নীলার ও হয়তো কোমল এবং পবিত্র ভালোবাসার পরশ পাবার ব্যাপক চাহিদা ছিল। সেদিন নীলার মনে ভালোবাসা জন্মানোর কোন চেষ্টাই সে করেনি, মন বলে একটা বস্তু যে আছে সেই কথাটাই হয়তো অমানুষটা জানে না। সেই রাতের দুর্বিষহ ঘটনাটা মনে পড়লে আজও নীলা ভয়ে কেঁপে উঠে ।

সংসারের সব কাজ নীলাকেই করতে হতো। তার জা শুধু হুকুম জারি করেই খালাস। পিঁয়াজের ঝাঝের সাথে নীলার কষ্ট গুলো চোখ বেয়ে অঝরে ঝরে পড়তো কেউ তা বুঝতে পারতো না। কখনো যদি রান্নায় একটু ত্রুটি হতো তা নিয়ে একশো’টা কথা শুনাতে কেউ ছাড়তো না।
নীলার বিধবা মায়ের পক্ষে সম্ভব ছিল না তার শ্বশুরবাড়িতে দামি দামি উপহার দেওয়ার, এইজন্য  তাকে ফকিন্নির বাচ্চা বলে গালাগালি করতেও ছাড়ে নি শ্বশুরবাড়ির কেউ।
মেয়েদের সব থেকে কষ্টের একটা সময় হচ্ছে পিরিয়ডের সময়। সেই সময়টাতে মেয়েদের মন খুব নরম থাকে। অল্পতেই খুব কষ্ট লাগে সেই সময়ে। নীলার স্বামীর পরিবারের সবার কাছে সেই সময় নীলা যেন একটা আবর্জনায় পরিণত হতো। সবাই কেমন দুরদুর করতে থাকতো। কাউকে স্পর্শ করলেই সে যেন নোংরা হয়ে যাবে এমন একটা ভাব ছিল সবার মাঝে। অন্যদিকে পেটের চিনেচিনে ব্যাথায় নীলা কান্নায় ভেঙে পড়তো। কেউ একটু শান্তনা দেওয়ার মতোও ছিল না। নীলার স্বামী শহিদ সেই সময় নীলাকে বিছানায় অবধি ঘুমাতে দেয়নি। নীলা সারারাত মেঝেতে শুয়ে গরম জলে নরম বালিশ ভিজিয়েছে । সেই সাতটা দিন নীলা যেন জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করছে এমনটা মনে হতো।

বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই নীলা বুঝতে পারে কিছু একটা গন্ডগোল হচ্ছে। রোজ রাতে তার স্বামী কোথায় এত সময় কাঁটিয়ে আসে সেই রহস্যের সমাধান খুঁজতে যেয়ে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসে। নীলা কিছুতেই তার নিজের চোখের দেখাকে বিশ্বাস করতে চায় না। নীলার স্বামী শহিদ রোজ রাতে তার বড় জা এর ঘরেই যায়। ছিঃ!! নীলার ভাবতেই ঘেন্না লাগে। নীলার ভাশুর ও প্রবাসে থাকে আর তার সুযোগে তারা ছিঃ ছিঃ…. সেই দৃশ্য দেখার পর নীলার বুকে কেউ যেন হাতুড়ি দিয়ে অনবরত আঘাত করছিল। আঘাতের যন্ত্রণায় কলিজা ফেটে চৌচির হয়ে যাবে এমন মনে হচ্ছিল নীলার।

বড় জা এর ঘর থেকে আসার পর নীলা যখন তার স্বামীকে প্রশ্ন করলো রোজ রাতে সে কোথায় যায় তার বিনিময়ে জবাব হিসেবে পেয়েছিল থাপ্পড় আর লাথি। এত লাঞ্ছনা, অবজ্ঞা, যন্ত্রনা সহ্য করার পরও নীলা নিজের পরিবারের কারও কাছে কিছুই বলেনি। এমনকি গর্ভধারিণী মা কে পর্যন্ত কিছু বলেনি। না বলার কারণ এতে যে তার বিধবা মা আরো বেশি কষ্ট পাবে। মায়ের কষ্টের কথা ভেবে দিনের পর দিন নীলা নিজের কষ্টগুলোকে বুকের মধ্যেই কবর দিতে থাকে।

নীলার স্বামী চাইতো তার বউ আল্ট্রা মডার্ন ড্রেস পড়ুক, চুল খোলা রাখুক, সাজগোজ করে তার বন্ধুদের পার্টিতে যাক। কিন্তু নীলা কখনোই তার হিজাবি লেবাস ছাড়তে রাজি হয়নি। আল্লাহর পছন্দের এই লেবাস তার স্বামীর মোটেই পছন্দ ছিল না। আস্তে আস্তে নীলার প্রতি তার আসক্তি চলে যায়। চারপাশে মডার্ন মেয়েদের দেখতে দেখতে সাদাসিধে নীলাকে তার চোখে ভালো লাগে না। প্রায় প্রতিদিন নিজের ভাবী সহ টাকার বিনিময়ে বাইরের বাজে  মেয়েদের নিয়ে ফুর্তি করে বেড়ায় আর বাড়ি ফিরে আসে মাতাল হয়ে। নীলাকে আজকাল তার স্বামী আর স্পর্শ ও করেনা। নীলা নিজের ঘরে চাকরানীর মতো সারাদিন শুধু কাজ করতো আর রাতের বেলায় ঘরের এক কোণে পড়ে থাকতো। তবুও কাউকে কিছু বলার সাহস পেত না। কিছু বলতে গেলেই তার স্বামী বেধড়ক মারধর করে তালাক দিবে বলে হুমকি দিত। বলে হুমকি দিত। বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো প্রথম দিন’ই নীলা নিজেই তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যেত। কিন্তু বিধবা মা আর ছোট ভাইয়ের সংসারে বোঝা হতে চায়নি বলেই দিনের পর দিন সবকিছু চুপচাপ সহ্য করে যাচ্ছিলো।

তারপর বিয়ের মাস চারেক যেতে না যেতেই  নীলার স্বামী প্রবাসে ফেরার পূর্বে একদিন ভালোয় ভালোয় নীলাকে বাপের বাড়ি বেড়াতে পাঠিয়ে দেয়। তারপর তার অমানুষ পাষণ্ড স্বামী পরেরদিন ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দেয় নীলাকে। সেই দিনটা ছিল নীলার জীবনে সবচেয়ে কষ্টের একটা দিন। চার মাসে বিন্দু পরিমাণ মনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারলেও নীলা অনেক চেষ্টা করেছিল বিয়ের সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে। কারণ দোষ যারই হোক আমাদের সমাজে ডিভোর্সি মেয়েদের কেউ ভালো চোখে দেখে না। সেক্ষেত্রে মেয়ের দোষ থাকলেও দোষী না থাকলেও দোষী। তাই মা ভাইয়ের কষ্ট আর নিজের অপবাদ, অপমান এড়াতে নীলা নাম মাত্র সংসারটাকেই টিকানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে। অবশেষে শহিদের টাকার জোরের কাছে হেরে যায় নীলা। শেষ অবধি ডিভোর্স পেপারে সই করতে বাধ্য হয় সে। যে টাকা পয়সা দেখে নীলার আপনজন ভেবেছিল মেয়েটা সুখে থাকবে সেই টাকার গরিমার আঘাতেই সারাজীবনের জন্য কষ্টের সাগরে ডুবে যায় নীলা।

যেই পরিবার নীলাকে জিজ্ঞাসা না করেই বিয়ে ঠিক করেছিল তারাই আজ নীলাকে দোষ দিচ্ছে কেন সে স্বামীর মন মতো হতে পারলো না। কেন সে মর্ডানের দোহাই দিয়ে বেহায়াপনা করতে পারলো না। কেন সে বাজে মেয়েদের মতো বেলাজ হয়ে চলতে পারলো না। সবার এমন শত কথার আঘাতে উঠতে, বসতে, খেতে, শুতে প্রতিটা মুহূর্তে জর্জরিত হচ্ছে নীলা। পাড়া-প্রতিবেশীরা নীলাকে দেখে আড়ালে কানাকানি করে। কেউ বা আবার সামনেই বলে ফেলে, এক ঘটের জলে কি আর তৃষ্ণা মিটে? ছোট ভাইটা অবধি পান থেকে চুন খসলে নীলাকে ডিভোর্সি বলে খোটা দিতে একবারও ভুল করেনা। কি যে জ্বালা, কি যে যন্ত্রণা এই ডিভোর্সি শব্দটার মাঝে তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানে। আচ্ছা নীলার কি দোষ ছিল বলতে পারেন? কেন অপরাধ না করেও আজ নীলা সবার কাছে অপরাধী? বলতে পারেন পর্দা করে চলাটাই কি নীলার অপরাধ? না কি শরীর দেখিয়ে মডার্ন না হতে পারাটাই ছিল তার অপরাধ? না কি মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়াটাই ছিল তার সবচেয়ে বড় অপরাধ ? যে অপরাধের কারণে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে নীলার পরিবার তার মতামত নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। যে মানুষটার ঘরে বাকি সারাটা জীবন কাটাতে হবে সেখানে কেন নিজের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হবে না?

প্রবাসী কিংবা বড় ব্যবসায়ী, স্মার্ট-সুন্দর আর ধন সম্পদ ওয়ালা ছেলেদেরকেই কেন এই সমাজের মানুষ গুলো আকাশের চাঁদ মনে করে বলতে পারেন? যেন তাদের কাছে বিয়ে দিতে পারলেই মেয়েটার জীবন সুখে ভরে যাবে এমন চিন্তাভাবনা কতটা যুক্তিসংগত?

টাকা পয়সা, ধন সম্পদ দিয়ে নষ্ট সুখ কিনতে পারলেও প্রকৃত সুখ-শান্তি কেনা যায় না।
বিয়ের আগে অবশ্যই ছেলের চরিত্রের খোঁজ খবর নিবেন। নয়তো নীলার মতো আপনার বোন কিংবা মেয়েও হয়ে যেতে পারে একজন ডিভোর্সি মেয়ে। একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন চরিত্রের চেয়ে অমূল্য সম্পদ আর কিছুই হতে পারেনা। “চরিত্রহীন মানুষ পশুর সমতুল্য ” এই কথাটাকে শুধু বইয়ের পাতা আর পরীক্ষার খাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনেও তার প্রভাব নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন।

আপনার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার আগে অবশ্যই তার মতামত নিন। তাকে মন খুলে কথা বলার সাহস এবং সুযোগ দিন। তার ইচ্ছেটাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন। তাহলেই হয়তো এই ডিভোর্স নামের অভিশাপ থেকে বেঁচে যাবে অনেক অনেক মেয়ের জীবন।

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৪ Comments

  1. আফরোজা আক্তার ইতি

    অনেক সুন্দর লিখেছেন। প্রতিটি বাবা মায়ের উচিৎ এই গল্পটা। গল্পের প্রতিটি ধাপেই শিক্ষণীয় এবং সচেতনতামূলক বার্তা ছিল। নীলার মায়ের কিছু অবহেলা আর অসচেতনতার জন্যই তার সুন্দর জীবন তৈরি হওয়ার আগেই ঝরে যায়।
    অনেক সুন্দর একটা গল্প। বানানে কিছু ভুল আছে।
    খুঁজ- খোঁজ।
    ঝাঝের- ঝাঁঝের।
    দুরদুর- দূরদূর।
    কাঁটিয়ে- কাটিয়ে।

    Reply
  2. সুজন মীর

    ভালো লাগলো গল্পটা পড়ে । সামাজিক সচেতনতা মূলক এমন লেখা সত্যি প্রশংসার দাবী রাখে । শুভকামনা রইলো ❤

    Reply
  3. আখলাকুর রহমান

    শিক্ষণীয় ছিল। অনেক ভালো লেগেছে।
    সামান্য কিছু বানানে ভুল ছিল।
    আশা করি ভবিষ্যতে আরো সুন্দর লেখা পাবো।
    শুভ কামনা রইল।

    Reply
  4. আরাফাত তন্ময়

    পাঠক হিসেবে নাকি অন্যসবের চেয়ে আমি একটি বেশিই ত্যাড়া স্বভাবের! আপনি যে গল্পটি লিখেছেন, এমন বিয়ে বহু বছর আগে মুসলমানদের জন্য জায়েজ ছিল। যার ফল আজকের রোহিঙ্গা। আরব বণিকদল বহু দেশে যেত ব্যবসা করার জন্য। স্বভাবতই শারীরিক চাহিদা ছিল, তা অবৈধভাবে মেটাতেন না। শর্তের বিয়ে করে…
    আর তাছাড়া পিরিয়ডের যে ব্যাপারটা তুলে এনেছেন, এমনটা আসলে আমরা কেউই চাই না। কিন্তু স্বামী ব্যাতীত ঘরের অন্য লোকেরা কি করে জানবে! যদিও এটা স্বাভাবিক। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময় তো নেই আমার জানা মতে। বেশ শিক্ষামূলক একটি গল্প। অনেক কষ্ট করেই লিখেছেন আপনি। তবে ঠিক এমনই গল্প অনুষ্ঠান হিসেবে দেখেছিলাম টিভিতে। সেখানে ভিক্টিম একটি আশ্রমে ছিল। পার্থক্য বলতে এতটুকুই।

    সব শেষে শুভ কামনা রইলো।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *