ছায়াসঙ্গী
প্রকাশিত: অগাস্ট ১৭, ২০১৮
লেখকঃ

 84 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখিকা- তাসনিম ইসলাম
.
বাড়ির পেছনেই বিশাল বড় একটা পুকুর। ঘাটটা বাঁধানো। ঘাটের পাশে বড় একটা চালতা গাছ থাকায় ঘাটটা সবসময় ই ছায়াঢাকা থাকে। পুকুরপাড়ে বসে থাকতে আমার ভালো লাগে। একা বসে বসে উপন্যাস পড়তে ভালো লাগে। আমার এই একান্ত নিজের জায়গাটা ভাগ হয়ে গেলো যখন আদনানের সাথে আমার বিয়েরC কথাবার্তা পাকা হলো। খুব সাধারণ একটা পরিবারে সাধারণ একটা ছেলের সাথে আমার আকদ হয়ে রইলো। ভাইয়া বিদেশে আছেন। সে বাড়ি আসার পর অনুষ্ঠান করে আমাকে পাকাপোক্তভাবে বিদায় দেয়া হবে। ভার্সিটিতে পড়ার ইচ্ছা বাদ দিতে হলো। গ্রামে মেয়েদের পড়ানো হয় ভালো পাত্র পাওয়ার জন্য। পান মুখে দিয়ে ঘটক যেন বলতে পারে “মাইয়া তো শিক্ষিত, দশ গেরাম খুঁজলেও এমন মাইয়া পাইবেন না”।
.
আদনানের কোনো ভাই বোন নেই। একটা বোন ছিলো। ছোটবেলায় মারা গেছে। সে ঢাকায় চাকরি করে। ছুটিতে গ্রামে এসেছিলো কয়েকমাস আগে। একদিন আমার একটা বান্ধবীর বিয়ে থেকে ফেরার পথে সে আমাকে দেখে। তার বিয়ের জন্য মেয়ে খোঁজা হচ্ছিলো তখন। একটা বন্ধুকে দিয়ে নিজের বাবা মা কে বলালেন আমার কথা। এসব ই আমি শুনেছি আদনানের কাছে। সবার জন্য চুপচাপ, লাজুক একটা ছেলে। কিন্তু আমার সাথে প্রচুর কথা বলেন। নিজের কথা, পরিবারের কথা, ছোটবেলার কথা, ঢাকায় থাকার অভিজ্ঞতা। আমি মুগ্ধ হয়ে শুনি। খুব চঞ্চল মেয়ে বলতে যা বোঝায়, আমি তাই। তবুও তার সাথে কথা বলতে গেলে আমি কথা খুঁজে পাইনা। শুধু তার কথা শুনতে ইচ্ছা করে। সে খুব সুন্দর করে হাসে। মাঝেমধ্যে দু’একটা মজার কথা বললেই সে হাসে। আমি মুগ্ধ হয়ে তার হাসি দেখি। চুপচাপ ছেলেগুলোর মধ্যেও চঞ্চলতা থাকে। সেটা তারা খুব যত্নে লুকিয়ে রাখে প্রিয় একজনের জন্য। এরমধ্যে তার ছুটি শেষ হয়ে গেলো। কথায় কথায় একদিন আমি বলেছিলাম চুড়ি আমার ভীষণ পছন্দ। যাবার আগে সে আমার হাতভর্তি চুড়ি পড়িয়ে দিয়ে গেলো। সবার অলক্ষে কপালে একটা ছোট্ট চুমু একে দিয়ে সে বিদায় নিলো।
.
সেদিন রাতে আমার প্রচন্ড মন খারাপ হলো। তার সাথে আমি খুব বেশি সময় কাটাইনি। অন্যদের মতো লুকিয়ে প্রেম করিনি। তবুও নিজেকে অপূর্ণ মনে হতে লাগলো। বিষন্নতায় ঘিরে রইলাম আমি। আমার নিজস্ব মোবাইল নেই। বাবার মোবাইলে কল দিয়ে সে হয়তো লজ্জায় আমার কথা বলতেও পারবেনা। বাবার মোবাইলটা বেজে উঠলেই আমি প্রায় দৌড়ে আমার রুমের দরজায় গিয়ে দাঁড়াই কথা শোনার আশায়। বাবার রুম আমার রুমের সাথেই। সেদিন রাতে তার কল এলোনা। পরেরদিন সকালে কল করলো। মা, বাবার সাথে কথা বলেই রেখে দিলো। প্রায় প্রতিদিন ই সে কল করে। মা-বাবার সাথে কথা বলার পর আমিও কথা বলি। সে নানান কথা বলে। কিভাবে দিন কাটছে, কি করছে, সারাদিনে কি হলো। আমি মুগ্ধ হয়ে তার কথা শুনি। মজা করে কথা বললেই সে হাসে। সে হাসি শুনতে আমার বড্ড ভালো লাগে।
.
এমনভাবে প্রায় একমাস কেটে গেলো। খুব ভোরে ঘুম ভাঙার পর হাতমুখ ধুয়ে আমি পুকুরপাড়ে বসে আছি। আম্মু চা বানিয়ে আমাকে ডাকছেন। ঘরে যেতে ইচ্ছে করছেনা। এমন সময় মনে হলো কেউ ঘাটের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি ঘুরে তাকিয়ে দেখি আদনান। একবার মনে হলো আমি ভুল দেখছি। এখন কোথা থেকে আসবে সে। তারপর ই ছুটে গিয়ে তাকে খুব জোরে একটা চিমটি দিলাম। ব্যাথায় হাত ঝাড়তে ঝাড়তে সে বললো,
–ব্যাথা পাই তো।
–পেলে পাবেন। কে বলেছে এমন ভূতের মতো হঠাৎ আসতে?
–তাহলে এখন চলে যাই।
আমি চট করে আদনানের হাত ধরে বললাম,
–এবার চিমটি দিয়ে চামড়া তুলে ফেলবো।
–আচ্ছা, যাবোনা।
–কতদিনের ছুটি নিয়েছেন?
–ছুটি নেইনি। আজ শুক্রবার। গতকাল ডিউটি শেষ করে রাতের গাড়িতে এসেছি। আজ সারাদিন থেকে আবার আজকের রাতের গাড়িতে ঢাকা ফিরবো।
–আচ্ছা।
মা আবার ডাকতেই আমরা ঘরের ভেতর গেলাম। আদনানকে দেখে মা অবাক হলো না। বুঝলাম এসে আগে মায়ের সাথে দেখা করে গেছে। আমি একটা বিস্কুট নিয়ে চায়ে ভিজিয়ে খেতে থাকলাম। চায়ে চুমুক দিতে দিতে আদনান মাকে বললো,
–আম্মা, একটা কথা বলার ছিলো।
–বলো।
–আমি বলছিলাম, যদি আপনারা কিছু মনে না করেন তাহলে বর্ষাকে নিয়ে একটু ঘুরে আসতাম।
–নাহ, যাও। বিয়ের পর ঘুরতে যাওয়া দোষের কিছুনা।
–আব্বা কিছু বলবে নাতো?
–নাহ। তোমরা বসো। আমি রান্নাঘরে যাই।
–আচ্ছা আম্মা।
.
মা চলে যেতেই আমি আদনান কে বললাম,
–কোথায় নিয়ে যাবেন?
–গেলেই বুঝতে পারবে।
–কখন নিয়ে যাবেন?
–কতক্ষন পর। তোমাকে নিয়ে সারাদিন ঘুরবো আজ। দুপুরে বাইরে খাবো।তারপর বিকেলে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে রাতের গাড়িতে যাবো।
–সত্যি?
–হ্যা, সত্যি। এবার চোখটা একটু বন্ধ করো তো।
–কেন?
–আহা,করো না। তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।
আমি চোখ বন্ধ করলাম। আদনান আমার হাত ধরলো। তারপর হাতের উপর কিছু একটা রেখে চোখ খুলতে বললো। আমি চোখ খুলে দেখলাম একটা মোবাইল। আদনান বললো,
–এখন তুমি যখন ইচ্ছে আমার সাথে কথা বলতে পারবে।
আমি খুশিতে ওকে জড়িয়ে ধরলাম। বাবার কথার আওয়াজ শুনেই চুপচাপ মোবাইলটা নিয়ে বসে রইলাম। বাবা ঘরে এসে আদনানকে বললেন,
–কখন আসছো তুমি?
–জ্বী, ভোরে আসছি বাবা।
বাবা আর আদনানকে কথা বলতে দিয়ে আমি রান্নাঘরের দিকে গেলাম। মা নাস্তা বানাচ্ছেন। একটা গরম গরম পরটা প্লেটে নিয়ে খেতে খেতে মাকে বললাম,
–এই দেখো মা।
–জামাই দিলো নাকি?
–হুম।
–জামাই অনেক ভালো। তোরে অনেক সুখে রাখবো।
পরটা খাওয়া শেষ করে গোসল করে ফেললাম। আমার সবথেকে সুন্দর ড্রেসটা পড়ে চোখে কাজল দিলাম, চুল বাঁধলাম। আদনান খাওয়া শেষ করলো মাত্র। আমি বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতেই হা করে তাকিয়ে থেকে লজ্জা পেয়ে এদিক সেদিক তাকাতে লাগলো।
.
বাসটা খুব দ্রুত চলছে। রাস্তা মোটামুটি ফাকা। পেছনে আরেকটা বাস হর্ণ দিচ্ছে। আমাদের বাসের ড্রাইভার তাকে সাইড দিচ্ছেনা যেতে। একজন ওভারটেক করার চেষ্টা করছে, অন্যজন তাকে আটকে সামনে চলছে। পেছনের বাসটা কোনোমতে আগে চলে গেলো। এবার আমাদের বাসের ড্রাইভার আগের বাসটাকে ওভারটেক করার চেষ্টা করছে। ওপাশ থেকেও গাড়ি আসতেছে। বাসের যাত্রীরা কেউ কিছু বলছেনা। সবাই স্বাভাবিক ভাবেই বসে আছে। এটা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। আমি আদনানের দিকে তাকালাম। কে বলবে ইনি চুপচাপ, লাজুক ছেলে? কথা বলেই যাচ্ছে। আমি তার হাতটা ধরে কাঁধে মাথা রাখলাম। হঠাৎ প্রচন্ড বেগে মাথাটা সামনের সিটের সাথে লাগলো। জানালার কাচ ভেঙে পড়লো। চারপাশটা হঠাৎ করেই ঝাপসা হয়ে যেতে লাগলো। আমি খুব চেষ্টা করলাম আদনানকে দেখতে। পারলাম না। চারপাশে হৈচৈ হচ্ছে খুব। পাশের সিটের বাচ্চাটা কাঁদছে। বাসে উঠে বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে আদর করছিলো আদনান। বাচ্চার কান্নাটা হঠাৎ থেমে গেলো। আমার হাতটা এখনো তার হাতের মুঠোয়। চারপাশটা পুরোপুরি ঝাপসা হয়ে গেলো। আমি অনেক কষ্ট করে খুব আস্তে ডাকলাম আদনানকে। কোনো সাড়া পাচ্ছিনা। চারপাশেএ হৈচৈ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে সব থেমে গেলো হঠাৎ।
.
কান্নার আওয়াজ শুনে চোখ খোলার চেষ্টা করলাম কিন্তু চোখ খুলতে পারলাম না। মনে হলো কোনো কিছু দিয়ে আমার চোখ বেধে রাখা হয়েছে। হাত, চোখের উপর রাখতেই মায়ের কথা শুনলাম। কেউ একজন দৌড়ে গেলো মনে হলো। একজন এসে আমার হাত ধরলো। আমি অনুভব করলাম আদনানের হাতটা। ডাক্তার এসে সবাইকে চুপ করতে বললো। আমি ডাক্তারকে বললাম,
–আমার চোখ বাধা কেন?
–কয়েকদিন পর ই আপনার চোখ খুলে দেয়া হবে।
–ও আচ্ছা। আমার কি হয়েছে?
–তেমন কিছুই হয়নি। আপনি রেস্ট নিন।
আদনান আমার হাত ছাড়তেই আমি ওর হাত ধরে বললাম,
–আপনি ঠিক আছেন তো?
–হ্যা, আমি ঠিক আছি। তেমন কিছু হয়নি আমার। হাত ভেঙে গেছে। ঠিক হয়ে যাবে। তুমি চিন্তা করোনা।
–কি হয়েছিলো?
–বাস এক্সিডেন্ট করেছিলো।
–সত্যি আপনার তেমন কিছু হয়নি তো?
–না। তুমি রেস্ট নাও। আমরা আবার কতক্ষন পর আসবো। তুমি কথা বলোনা।
সবাই বেরিয়ে গেলো। আমি একা একা শুয়ে রইলাম। আমার চোখ বাধা। মনের মধ্যে একটা ভয় চেপে বসলো। আমার চোখ ভালো আছে তো?
.
শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি আমাদের বিয়েটা হয়েছিলো। সব নিয়মকানুন মানা হয়েছিলো। শুধু আয়নায় মুখ দেখানোটাই বাদ গিয়েছিলো। আয়না সামনে রাখলেই তো হবেনা। তাতে তাকাতে তো হবে। আমি এখন শুধু অন্ধকার ই দেখি। ঘন কালো অন্ধকার, যে অন্ধকার ভেদ করে আলো আর কখনো আসবেনা। আমার চোখ নষ্ট হবার পর আদনানকে সবাই অনেক চাপ দিয়েছিলো বিয়ে ভাঙার জন্য। আমি নিজেও চাচ্ছিলাম। আদনান আমাকে একবার বললেই আমি ডিভোর্স পেপারে সাইন করে দিতাম। কিন্তু সে বলেনি। সবাই যখন তাকে আমার হাত ছাড়তে বলেছে, সে তখন আরো শক্ত করে আমার হাতটা ধরেছে। আমাকে ভরসা দিয়েছে, সাহস জুগিয়েছে। একটা অন্ধ মেয়েকে বিয়ে করা, তাকে নিয়ে সারাজীবন কাটানোর সিন্ধান্তটা খুব সহজ ব্যাপার না। অনেক রাতে বারান্দায় বসে আদনানের কাঁধে মাথা রেখে আমার নিজেকে খুব ভাগ্যবতী মনে হয়। আদনান আমাকে তারাদের কথা বলে, চাঁদ আজকে কেমন জোছনা ছড়াচ্ছে সে কথা বলে। আমি কিছুই দেখতে পারিনা। শুধু অনুভব করি। কথা বলতে বলতে সে হাসে। আমি মুগ্ধ হয়ে তার হাসি অনুভব করি। (সমাপ্ত)

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৩ Comments

  1. Anamika Rimjhim

    সবসময় ই -সবসময়ই *
    এসব ই -এসবই*

    প্রতিদিন ই -প্রতিদিনই*
    কি করেন -কী*
    ফাকা-ফাঁকা*
    অনেকক্ষন -অনেকক্ষণ*
    বাধা-বাঁ্ধা*
    হ্যা-হ্যাঁ

    গল্প সুন্দর হয়েছে। তবে আদনান একটা চোখ দিলেই দু’জনই দেখতে পেত। 🙂
    তবে এটাতেও শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে।শুভ কামনা।

    Reply
  2. আফরোজা আক্তার ইতি

    খুব খুব খুব সুন্দর একটি গল্প। আমার মন ছুঁয়ে গেছে। চলমান ব্যাপার নিয়ে আপনি খুব সুন্দর করে গল্পে ফুটিয়ে তুলেছেন ভালো লাগলো পড়ে। সাথে আদনান আর বর্ষার কাহিনী টিও বেশ রোমান্টিক হয়েছে। তাদের এই সুন্দর ভবিষ্যৎ একটা বাস দূর্ঘটনায় নষ্ট হয়ে গেল কিন্তু তারপরও আদনান তার ভালোবাসাকে ছেড়ে দেয় নি। সবদিক থেকেই গল্পটি সুন্দর হয়েছে। বানানে কিছু ভুল আছে, শুধ্রে দিচ্ছি।
    একে- এঁকে।
    পরটা- পরোটা।
    সবথেকে সুন্দর- সবচেয়ে সুন্দর।
    গাড়ি আসতেছে- আসছে।
    বাধা- বাঁধা।

    Reply
  3. Halima tus sadia

    ভালো লাগলো।
    আদনানের মতো এমন ছেলে খুব কমই আছে।
    ভালোবাসার কমতি ছিলো না।তবুও তাদের ভাগ্যে ভালোবাসার সুখটা বেশি দিন থাকলো না।
    এক্মিডেন্ট করলো।খারাপ লাগলো।
    তবে আদনান পেরেছে বর্ষার জীবনের সাথে এক হয়ে চলতে।বাঁধাতো আসবেই।সবকিছুকেই মেনে নিতে হয়।
    আদনান পরেছে।এটাই প্রকৃত ভালোবাসা।
    বানানে ভুল আছে
    সবসময় ই–সবসময়ই
    এসব ই–এসবই
    প্রতিদিন ই–প্রতিদিনই
    ব্যাথা -ব্যথা
    ব্যাথায়–ব্যথায়
    হ্যা-হ্যাঁ
    তারপর ই–তারপরই
    চারপাশেএ–চারপাশে
    অন্ধকার ই–অন্ধকারই
    ফাকা—ফাঁকা
    বাধা–বাঁধা
    বলোনা–বলো না
    এলোনা–এলো না।
    অনেকক্ষন-অনেকক্ষণ
    হবেনা–হবে না
    শুভ কামনা রইলো।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *