বাবার নাম মতি মিয়া
প্রকাশিত: অগাস্ট ২১, ২০১৮
লেখকঃ

 17 বার দেখা হয়েছে

এই লেখক এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখা :Arif Al Araf
.
.
কাঁঠফাটা রোদে বসে ঠক-ঠক শব্দ করে কাঁঠে
পেরেক মারছে মতি মিয়া।হঠাৎ খবর এলো তার
ছেলের পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে।কোমরের
গামছা খুলে ঘাম মুছতে শুরু করলো।কপালে
হতাশার ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।রোদে পুরে
গায়ের রঙ একেবারে কালো হয়ে গেছে।গ্রামের
সাদাসিধে পরিশ্রমী মানুষ দেখতে আর কতটাই
বা সুন্দর হবে।তবে সুন্দর তো চেহারা নয় সুন্দর
হলো মন।একেবারে মাটির মানুষ বলা চলে।আজ
ছেলের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে কাজের
জন্য সে কথা প্রায় ভুলেই গিয়েছিলো।
.
আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল
প্রকাশিত হবে।মতি মিয়ার ছেলে হাসিব এবার
পরীক্ষা দিয়েছে।তার রেজাল্ট দেখার জন্যই এত
তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করেছেন মতি মিয়া।
পুরো গাঁ থেকে শুধু হাসিব আর চেয়ারম্যানের
ছেলেরই পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ হয়েছে।
চেয়ারম্যানের ছেলে বাবার জোরে পরিক্ষা
দিলেওন হাসিবকে টিকতে হয়েছে মেধা দিয়ে।
.
হাসিব A+ পেয়েছে শুনে মতি মিয়ার যেন আর তর
সইছে না।পাগল হয়ে যাওয়ার অবস্থা।খুশিতে
চোখে পানি চলে এলো।আসবে নাই বা কেন,যে
লোকটা লোকমুখে শুনে সুধু ফাস্ট ডিভিশন চেনে
অথচ তার ছেলে এমন ভালো একটা রেজাল্ট
করলো।পুরো গ্রামের সুনাম বয়ে আনলো হাসিব।
তাদের গ্রামে এর আগে কেউই A+ অর্জন করতে
পারেনি।এ গ্রামের হাতে গোনা কয়েকটা
ছেলেরই ইন্টার পড়ার সুযোগ হয়েছে।এমন এক
অজপাড়া গাঁ,যেখানে এই আধুনিক সময়েও সবাই
বিদ্যুৎ ব্যাবহার করতে পারেনা।তাছাড়া এর
আগে যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারা সকলেই প্রায়
কোন রকমে পাশ। যাকে বলে একেবারে টেনেটুনে
পাশ।
.
মতি মিয়া ভাবছেন এ ছেলে তো ছেলে নয়,যেন
আমার জন্য এক যাদুর কাঠি।যে তার এই নগন্য
বাবাকে সবার সামনে আলোকিত করবে।এ ছেলে
যেন এক জ্বলন্ত সূর্য।আর বাবা হলো চাঁদ।সূর্যের
ন্যায় বাবাকে আলো দিয়ে আলোকিত করবে আর
বাবার সেই আলো সকলেই হাসিমুখে গ্রহন করবে।
যেভাবে সবাই জোছনা কে কাছে টেনে নিতে
চায়।
.
প্রত্যেক বাবা মায়েরই তাদের সন্তানদের নিয়ে
অনেক আশা থাকে।বাবা যেমন তার সন্তানদের বট
বৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে আগলে রাখে,যেন কোন
বিপদ সন্তানকে ছুতে না পারে ঠিক তেমনি
বাবার যখন বয়স হবে তখন যেন সেই ছায়াটুকু পায়
যে ছায়া তিনি নিজেই কোন এক সময়
দিয়েছিলেন।কথায় আছে বৃদ্ধরা নাকি শিশুদের
মতো আচরন করে।সন্তানের কাছে যে চাওয়াটা
সেটা কোন সাধারন চাওয়া নয়।এ হলো অধিকার।
রক্তের অধিকার।তবে সবকিছুই যে রাতারাতি
পাল্টে যায়।পাখা গজিয়ে উঠলে তখন মনেই
থাকেনা তার এই পাখা এলো কোথা হতে,এর উৎস
কি।পৃথিবী যেমন সার্থপর তেমনি সার্থপর এর
মানুষগুলো।কেবল সার্থপর হতে পারেনা মা-বাবা
নামক কিছু আজব প্রানী।এই প্রানীরা সত্যি
আজব।আজব না হলে কি নিজের ক্ষুদা পানিতে
মিটিয়ে সেই সার্থপরদের চাহিদা মেটায়,যারা
কোন এক সময় এদের খেতেও দেবেনা!
.
.
হাসিবের রেজাল্ট শুনে এক মুহুর্ত দেরি না করে
চলে গেলেন মহাজনের বাড়ি।ধারে টাকা এনে
মিষ্টি কিনে খাওয়ায় সকলকে। বিকেলের প্রায়
শেষে বাড়ি ফিরলো
হাসিব।আজকের দিনেও টিউশনি বাদ দেয়নি।
তার টাকা চাই।অবশ্য পরীক্ষা শেষ হওয়ার
পরপরই বাবাকে বলে দিয়েছিলো
‘রেজাল্টের পর সে ঢাকা চলে যাবে এবং
সেখানেই অনার্সে ভর্তি হবে।আর এটাও
বলেছে যে খরচের সব টাকাই সে নিজে
জোগাড় করবে’।বাবা অবশ্য নিষেধ করেনি।
বলেছিলো,’তোমার যা ভালো মনে হয় তাই
করো।তাছাড়া তুমি যথেষ্ট বড় হয়েছো,আজ
কিংবা কাল তো রোজগার করতেই হবে’।
.
বাবার এ কথায় কোন জটিলতা ছিলোনা
কিন্তু সহজ জিনিসকে জটিল করতে আমাদের
আর কতই বা সময় লাগে।এটা তো হরহামেশাই
হয়ে থাকে যে সামান্য একটা বিষয় কেও
আমরা বিজ্ঞানের সূত্রে পরিণত করতে
পারি।বাবার ওপর কি একটা অজানা ক্ষোভ
কাজ করছে হাসিবের।অমানুষের চিহ্ন
এভাবেই ফুটে ওঠে।অকৃতজ্ঞের মতো আচরণ।
নূন্যতম লজ্জাবোধ থাকলে এমনটা করতে
পারতো না।হাসিবের হঠাৎ এমন আচরনের
কারন হলো বাবা তার সমস্ত চাহিদা পূরণ
করতে পারেনি এমন একটা অভিযোগ।
.
হয়তো বাবা অযোগ্য।আসলেই বাবা একজন
হারামি ছিলেন।ছেলেরে হাজার টাকা
হাতখরচ দিতে পারেনা আবার বাবাগিরী
ফুটাইতে আসছে।বাবা জাতের বদনাম
হারামীটা।সকাল বেলা খালি পেট আরদুপুরে
পান্তা ভাতে কাঁচামরিচ রাতে এক গ্লাস
পানির সাথে দু মুঠো মুড়ি।কি হারামী ভাবা
যায়।সকালবেলা উঠেই যায় অন্যের বাড়ি
কামলা খাটতে।গাধা একটা।পারেও গাধার
মতো খাটতে।দুপুরে বাড়ি এস পান্তা মুখে
দিয়েই বেরিয়ে পরে মাঠের উদ্দেশ্যে।
ওদিকে মোড়লের সব গরু দেখে আসতে হবে।
বিকেলে নৌকা নিয়ে নদীতে।হাওয়া খেতে
যায়নাই।মাছ ধরে আনবে।ছেলেটা পড়াশুনা
করে।ছোট মাছ খেলে তার উপকার।ছেলের
পাতে ছোট মাছ দিলে তাতে ছেলের হয়না।
এই মাছ কি খাওয়া যায়?তার লাগবে
রুই,কাতলা,ইলিশ।এসব মাছ খাওয়ার অযোগ্য।
তার বন্ধু চেয়ারম্যানের ছেলের সাথে গিয়ে
আড্ডায় বলতে পারবে না রাতে কি দিয়ে
খাইয়েছে তার বাপ হারামিটা।ছেলের
খেয়ালে আসলো না বাপ হারামিটা খাইছে
কি না।
.
গতবার ঈদে বাবাকে বলেছিলো তার একটা
পাঞ্জাবি চাই।আরও আছে দুইটা প্যান্ট আর
দুইটা শার্ট।ছেলের যে আক্কেল দাত উঠেনাই
তা দু একটা আবদার করতে কি।বাপেও
করেছিলো কি রোজা রেখে সারাটা দিন
জমির আলির মরুভূমির মতো ওই জমিতে কাজ
করছে।মাসে আটশত টাকার চুক্তিতে পুরো
রোজার মাস কাজ করে।লোহার তৈরি শরীর।
করতে তো পারেই।দুই বছর আগে মোড়ল হতে
পাওয়া সাদা পাঞ্জাবিটা গায়ে জড়িয়ে
ঈদের নামাজ আদায় করে আসে মতি মিয়া।
ইতিমধ্যে পাঞ্জাবিটায় ইঁদুর ও ভাগ
বসিয়েছে।থাক বাবার এখন বয়স হয়েছে নতুন
দিয়ে কি করবে।এই পাঞ্জাবিতেই আরও বছর
খানেক সময় কাটিয়ে দেয়া যাবে।
.
টিউশিনির সাথে সাথে আরও কিছু মাধ্যম
থেকে টাকা জোগাড় হয় হাসিবের।সে কথা
নাই বা বললাম।এতে করে গ্রামের উজ্জ্বল
নক্ষত্রের গোপন কিছু সত্য গোপন থেকে
যাবে।থাকবে না এই মাটির ঘরে।তাকে কি
এই ঘরে মানায় নাকি?নাহ কারন এ ঘরে যে
তার জন্মদাত্রী মায়ের পরশ আর হারামি
বাবাটার ঘামের গন্ধ।এখন একটা শীতাতপ
নিয়ন্ত্রিত হাজার বর্গফুটের বিশাল বহূল ঘর
লাগবে।সুন্দর করে সাজানো থাকবে সবকিছু।
ঘরের সাথে একটা বউ যদি পাওয়া যেত তবে
মন্দ হতো না।একবারে নবাব সিরাজুদ্দৌলার
ছেলে বলে কথা।এসব তো নিতান্তই কম।তবে
হাসিবের কাছে কম হলেও সিরাজুদ্দৌলার
কাছে এ ঢেড় বেশি।কারন এমন অকৃতজ্ঞের
জন্য দু পয়সা খরচ করাও কম কিসে।যে কেবল
সার্থপরের মতো গিলে যেতে পারবে অথচ
বিনিময়ে কিছু পাওয়া যাবে না এমন
ব্যাক্তিকে সৃষ্টিকর্তাও পছন্দ করেনা।তার
সৃষ্টি হিসেবে হয়তো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত
রিযিক দিয়ে যাবে তবে মরতে
যতক্ষণ,কুলাঙ্গারটাকে শাস্তির আদেশ
দিতে দেরি করবে না।
.
মতি মিয়া পরেছে কোন ভ্রমে।না হয় এই
ছেলের জন্য এতকিছু করে।শুকরিয়া বলতে যে
একটা কথা আছে সেটা আমরা একেবারে
ভুলেই যাই।একটা স্মার্টফোন আছে কিন্তু
আরও দামী থেকে একটা ফোন কিনে দেওয়া
হলোনা?বাবা বলেছে দু-এক সপ্তাহ সময়
দিতে।কিনে দেবে।কিন্তু না,এখনই চাই।
এটাও বুঝতে চাইলাম না বাবার মানিব্যাগের
অবস্থা খারাপ।না তো করে দেয়নি।বলেছে
দেবে কিন্তু কে শোনে কার কথা।একটা
প্রবাদ আছে, ‘লেবু বেশি টিপলে তেতো হয়ে
যায় ‘।ব্যাছ!বাবাও রেগে গিয়ে গায়ে হাত
তুলে দেয়।অমনি হলো।নাওয়া-খাওয়া সব বন্ধ।
.
পাড়ার গর্বিত ছেলেদের সাথে মিশে মাদক
ব্যবসায়ীর পকেট ভারী করবে আর নাম হবে
পরিবারের জন্য নষ্ট হয়েছি।
.
ট্রেনের টিকিট কেটে বসে আছে আসিব।কিছুক্ষণ
পরে ট্রেন আসলো।ট্রেনে উঠে সিট খুজে বসে
পরলো।জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে।কি
যেন একটা অভিমান এখনও আছে।বাবাকে
দেখিয়ে দেবো আমি কতটা বড় হতে পারি।
ছেলেটার বয়স যখন চার বছর ওর হাতে একটা
খেলনা দিয়েছিলো মোড়ল।বোকা ছেলেটা ভয়
পেয়ে খেলনাটা ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলো।তখন
মোড়ল মশাই বলেছিলো যে এ ছেলে বড় হলেও
এমনই থাকবে।একেবারে সহজ-সরল।কপালে অনেক
দুঃখ আছে।হ্যা মতি মিয়ার কপালে দুঃখ আছে
ঠিকই তবে ছেলে বোকা এই জন্য না তবে ছেলে
একটু বেশিই চালাক।ছেলের গলায় যে দড়ি পরবে
তাতে কোন সন্দেহ নেই।
.
মতি মিয়া বারবার বলছেন, ‘বাপজান নিজের
খেয়াল রাখিস।আর ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া
করবি।বাপজান তোর কোন কষ্ট হইলে আমাগো
জানাইস।টাকা নিয়া একদম চিন্তা করবি না।যখন
টাকা লাগবো কাউরে দিয়া খবর পাঠাইস।আমি
টাকা পাঠাইয়া দিমু।ছুটি পাইলে বাড়ি চইলা
আসিস।ভালো থাকিস বাপজান।
.
ছেলেটার জন্য বড্ড মায়া মতি মিয়ার।মায়া তো
থাকবেই।একটাই যে সন্তান।ছেলেটাকে প্রচন্ড
ভালোবাসে।জীবনে প্রথমবারের মতো ছেলেটা
চোখের আড়াল হচ্ছে।ট্রেন ছাড়ার সময় হয়েছে।
বাবাকে বিদায় জানালো হাসিব।ট্রেন ছুটছে
নিজ গন্তব্যে।তার পেছনে ফিরে তাকানোর সময়
নেই।যতদূর পর্যন্ত দেখা যায় সেটুকু চেষ্টায়
ট্রেনের দিকে তাকিয়ে আছে মতি মিয়া।শেষ
যতক্ষন দেখা গেলো ততক্ষনই দাঁড়িয়ে ছিলো।
চোখটা ঝাপসা হয়ে আসছে।দৃষ্টিসীমার বাইরে
যেতেই হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে বাবা নামক
বোকা প্রানীটা।আশপাশের লোকজন তাকিয়ে
থাকে সেদিকে।সেদিন তার চোখ দিয়ে জল
গড়ায়নি।অথচ আজ বাবার কবরের ওপর গড়াগড়ি
খাচ্ছে হাসিব।দুদিন হলো বাবা নেই।থাকতে মূল্য
বোঝেনি,এখন কেঁদে কি হবে।তবে ওপারে বসেও
হয়তো বাবা দোয়া করছেন।ভালো থাকুক বুকের
মানিক।বাবারা বুঝি এমনই হয়।
.
.
—————সমাপ্ত—————-

সম্পর্কিত পোস্ট

পূনর্জন্ম

জুয়াইরিয়া জেসমিন অর্পি . কলেজ থেকে ফিরেই পিঠের ব্যাগটা বিছানায় ছুড়ে ফেললো অন্বেষা। তারপর পড়ার টেবিলের কাছে গিয়ে চেয়ার টেনে নিয়ে ধপ করে বসে দুই হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলো।প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ ওর। আজ ওদের সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট দিয়েছে। একদমই ভালো করেনি সে। যদিও শুরু...

অনুভূতি

অনুভূতি

লেখা: মুন্নি রহমান চারদিকে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসছে। বাইরে এখনো আবছা অন্ধকার। তড়িঘড়ি করে বিছানা ছাড়লো মালা। ঘরের কাজ সেরে বের হতে হবে ফুল কিনতে। তাড়াতাড়ি না গেলে ভালো ফুল পাওয়া যায় না আর ফুল তরতাজা না হলে কেউ কিনতে চায় না। মাথার ওপরে তপ্ত রোদ যেন...

অসাধারণ বাবা

অসাধারণ বাবা

লেখক:সাজেদ আল শাফি বাসায় আসলাম প্রায় চার মাস পর। বাবা অসুস্থ খুব।তা নাহলে হয়তো আরও পরে আসতে হতো।গাড়ি ভাড়া লাগে ছয়শো পঁচিশ টাকা।এই টাকাটা রুমমেটের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।তার কাছে এই পর্যন্ত দশ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে।বলি চাকরি হলেই দিয়ে দিব। পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর...

৪ Comments

  1. Mahbub Alom

    একজন নিঃস্বার্থ বাবার গল্প।মন ভরিয়ে দেয়ার মতো।তবে হাসিব নামক প্রাণী এখন সেই নিঃস্বার্থতার গল্প বুঝবে।কারণ এখন হয়তো সেও কোন বাবা নামক আজীব প্রাণী।

    Reply
  2. Mahbub Alom

    একজন নিঃস্বার্থ বাবার গল্প।মন ভরিয়ে দেয়ার মতো।তবে হাসিব নামক প্রাণী এখন সেই নিঃস্বার্থতার গল্প বুঝবে।কারণ এখন হয়তো সেও কোন বাবা নামক আজীব প্রাণী।

    ধন্যবাদ

    Reply
  3. Halima tus sadia

    বাবা লোকটাই নিঃস্বার্থ।কখনো স্বার্থ খুঁজে না।
    তবে হাসিবের মতো কিছু সন্তানরা বাবাকে বুঝতে চায় না।বাবার কষ্ট যদি বুঝতো তাহলে এরকম ব্যবহার করতো না।
    কতো কষ্ট করে সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালায় সেই সন্তানরা বাবার কদর বুঝে না।
    আফসোস হাসিবের মতো সন্তানদের জন্য।

    বানানে প্রচুর ভুল
    ততক্ষনই–ততক্ষণই
    দিলেওন–দিলেও
    সুদু-শুধু
    ব্যাবহার–ব্যবহার
    ব্যাক্তিকে–ব্যক্তিকে
    প্রানীটা–প্রাণীটা
    টিউশিনির–টিউশনির
    হয়না–হয় না
    যায়নাই–যায় নাই
    আরদুপুরে–আর দুপুরে
    বিষয়কেও–বিষয়কে
    মুহুর্ত-মুহূর্ত
    আচরন–আচরণ
    খুজে–খুঁজে

    এক জায়গায় আসিব হইছে হাসিব নামের জায়গায়।
    শুভ কামনা।
    বানানের প্রতি যত্নশীল হবেন।

    Reply
  4. আফরোজা আক্তার ইতি

    আসলেই পিতা মাতা অমূল্য জিনিস। তারা যতদিন এ দুনিয়ায় জীবিত থাকেন আমরা তাদের কোন খবর রাখ না। তারা কেমন আছে,খেয়েছে এমনকি বেঁচে আছে কিনা সে খবর নেয়ার প্রয়োজনও বোধ করি না। কিন্তু তারা যখন আমাদের ছেড়ে অন্য দুনিয়ায় চলে যান তখন বুঝি তাঁদের কি মূল্য,আমাদের কত ভুল। হাসিবের অবস্থাও তাই। খুব সুন্দর লিখেছেন। হারামী বাপ শব্দটা যতবার পড়ছিলাম মনে অনেক খারাপ লাগছিল। বানানে অনেক ভুল,সংশোধন করে দিচ্ছি।
    কাঁঠ- কাঠ।
    পুরে- পুড়ে।
    পরিক্ষা- পরীক্ষা।
    ব্যাবহার- ব্যবহার।
    গ্রহন- গ্রহণ।
    ছুতে- ছুঁতে।
    আচরন- আচরণ।
    সাধারন- সাধারণ।
    সার্থপর- স্বার্থপর।
    প্রানী- প্রাণী।
    ক্ষুদা- ক্ষুধা।
    দাত- দাঁত।
    কারন- কারণ।
    ছুড়ে- ছুঁড়ে।
    শুভ কামনা রইল।

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *